Tag: আন্দোলন

  • আন্দোলনে জামায়াত ছিল না এই কথা কে বলেছে, প্রশ্ন ফারুকীর

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সরব ছিলেন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। নানান বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এই নির্মাতা। সরকার পতনের পর সম্প্রতি জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন কার্যক্রম প্রকাশ্যে আসায় নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে নেটদুনিয়ায়। এবারও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন ফারুকী।

    গত ২৫ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে কিছু প্রশ্ন সামনে এনেছেন এই নির্মাতা।

    পাঠকদের জন্য ফারুকীর স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

    ‘২০২৪ সালে এসে কেউ যদি নিউটনের গতিসূত্র আবিষ্কার করে এবং সেই আবিষ্কারের আনন্দে ইউরেকা ইউরেকা বলে চিৎকার করতে থাকে, তাহলে কী বলা যাবে?

    ছাত্র-জনতার আন্দোলনে জামায়াত ছিল না এই কথাটা কে বলেছে কবে? বাংলাদেশের সবাই জানে এই আন্দোলনের প্রথম থেকে বিএনপি, জামায়াত, বাম দলসহ দল-মত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণ ছিল। সবাই একটা জিনিসই চেয়েছে, শেখ হাসিনার পতন।

    আরেকটু পরিষ্কার করে বলি, শুধু এবারই প্রথম চেয়েছে, তা না। যখন নিরাপদ সড়কের দাবিতে কিশোর আন্দোলন হয়েছে তখনও প্রত্যেকে ওয়াটার টেস্ট করে দেখেছে, এটা কি সরকার পতনের আন্দোলনের দিকে নেওয়া সম্ভব কিনা। জিও পলিটিক্যাল বাস্তবতা এবং সেনাবাহিনীর বাস্তবতায় সেটা সম্ভব ছিল না বুঝতে পেরে আবার প্রত্যেকে দমেও গেছে।

    নুরুল হক নুরুদের নেতৃত্বে কোটা আন্দোলনে একই জিনিস টেস্ট করে দেখেছে বাংলাদেশ। যখন দেখল এটা সরকার পতনের আন্দোলন হিসেবে সফল হবে না, তখন সবাই আবার চেপেও গেছে।

    এবারও পুরো জাতি ওয়াটার টেস্ট করেছে এবং ২০ জুলাইয়ের মধ্যে বুঝতে পেরেছে, এই আন্দোলনে সরকার পতন সম্ভব। ফলে মানুষ সরকার পতন ঘটিয়েছে!’

    সবশেষ আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে এই নির্মাতা লেখেন, ‘আওয়ামী লীগের উচিত হবে ভাবা, কেন সবাই তাদের পতন চেয়েছে। ক্লিয়ার?’

    যুগান্তর ডেস্ক

  • আন্দোলনকারীদের ওপর ‘গরম জল’ ঢালতে বলেছিলেন অরুণা বিশ্বাস

    সদ্যবিদায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের উপর ওপর গরম পানি ঢেলে দিতে বলেছিলেন অভিনয়শিল্পী অরুণা বিশ্বাস। সম্প্রতি ওই সময়ে শিল্পীদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এমন মন্তব্য করেছিলেন তিনি।   

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে-বিপক্ষে শোবিজের দুই দলই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথে সরব ছিলেন। এদের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে  নেতৃত্বে ছিলেন ঢাকা-১০ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত ও চিত্রনায়ক রিয়াজ। 

    আন্দোলনের শুরু থেকেই এই দলটি শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে আওয়াজ তুলতে সক্রিয় ছিলেন। যে পরিকল্পনা থেকে ‘আলো আসবেই’ নামক একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সরব ছিলেন তারা। 

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘আলো আসবেই’ নামক সেই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কিছু স্ক্রিনশট ফাঁস হয়েছে। 

    সেখানে থেকে পাওয়া যায় অভিনয়শিল্পী অরুণা বিশ্বাস, জায়েদ খান, চিত্রনায়ক ফেরদৌস, রিয়াজ, অভিনেত্রী সোহানা সাবা, তারিন জাহান, তারভীন সুইটিসহ বেশ কজনের নাম। সেখানে তাদের বেশ কজনের কথোপকথন দেখা যায়।

    এক পর্যায়ে একজন লেখেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আগুন। ফায়ার সার্ভিস ও গণমাধ্যমকর্মীদের ঢুকতে দিচ্ছে না টোকাই জামায়াত ও শিবিরের মেধাবী আন্দোলনকারীরা। এরপর বিপরীতে অরুণা বিশ্বাস উত্তরে বলেন, গরম জল দিলেই হবে।

    স্ক্রিনশটগুলো ফাঁস হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ঝড় উঠেছে নেটদুনিয়ায়। অভিনয়শিল্পী থেকে শুরু করে নির্মাতারাও এ ঘটনায় সরব হয়েছেন। পাশাপাশি শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • আন্দোলন নিয়ে তাসরিফ খানকে হুমকি, যা বললেন সোলায়মান সুখন

    কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার পক্ষে সরব ছিলেন তাসরিফ খান। তার গান ‘রাজার রাজ্যে সবাই গোলাম’ সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায়।

    আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার কারণে সে সময় বিভিন্ন মহল থেকে চাপও এসেছে তাসরিফের ওপর। সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে কারও নাম না নিয়েই সেসব কথা শেয়ার করেছেন তিনি। পোস্টে একজন সিনিয়র ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন।

    তবে যেহেতু তাসরিফ পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি, তাই নিশ্চিত হওয়া যায়নি তিনি কার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। তবে নেটিজনদের একাংশ ধারণা করছেন ওই সিনিয়র ইনফ্লুয়েন্সার সোলায়মান সুখন।

    সামাজিক মাধ্যমে তার বিষয়ে এমন খবর চাউর হওয়ার পর সোলায়মান সুখন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমি কেন একজনকে হুমকি-ধমকি দিতে যাব। আমার এই বয়সে কি এটা যায়। আমি একটা চাকরি করি। অনেক চাপ আছে। বাচ্চারা অনেক কিছু লিখছে। লিখুক। আমার আসলে আর কিছু বলার নেই।’

    সোলায়মান সুখন যোগ করেন, ‘গত ১১ বছর কিন্তু আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেই গেছি। আজকে রাস্তা এমন কেন, ময়লা কেন, নদীতে দূষণ কেন, এসব কিন্তু বলেছি। হয়তো স্থান-কাল-পাত্রভেদে যে পরিমাণ বলিষ্ঠতা থাকা দরকার সেভাবে ছিল না। সেই অপারগতা আমাদের বয়ে বেড়াতে হবে। আমি ছাত্রদের পক্ষ নিয়ে ১১ জুলাই একটা পোস্ট করেছিলাম। তার পর থেকে পেশাগত জায়গা থেকে আমাদের একটা চাপ ছিল। এরপর আমি কোনো কিছুর সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। এ কারণে অনেকেই আমার ওপর রাগও করেছেন। অনেকেই বলেছেন, আপনি তরুণদের নিয়ে এত কথা বলেন, কিন্তু আন্দোলনে তো যুক্ত ছিলেন না। আমি এখনো কোনো কথা বলছি না। নিজে বোঝার চেষ্টা করছি। কোনটা বলা উচিত, কোনটা বলা উচিত নয়।’

    তাসরিফ খানের অভিযোগ, আন্দোলন চলাকালে একটা এজেন্সি ও সরকারি সংস্থার লোকজন মিলে তার বাসার নিচে গিয়ে তাকে ওই সময়ের শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষে ভিডিও করার জন্য টাকা ও হুমকি দিয়ে এসেছিলেন। এসবের পেছনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছেন সিনিয়র একজন ইনফ্লুয়েন্সার। ঘটনার দিন তার ডাকেই বাসার নিচে নেমে এসেছিলেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘এখন যারা অন্যায় করবে তাদের ফলও ভালো হবে না’

    ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শুরু থেকেই সরব ছিলেন সংগীত ব্যক্তিত্ব প্রিন্স মাহমুদ। সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনের সময়ে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত দিয়েছেন তিনি। এছাড়া রাজপথেও দেখা গেছে তাকে। এবার নতুন এক পোস্টে প্রিন্স মাহমুদ বলেছেন, ক্ষমতা পেয়েছে মনে করে এখন যারা অন্যায় করবে তাদের ফলও ভালো হবে না।

    rnrn

    আজ শুক্রবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে প্রিন্স মাহমুদ লিখেছেন, ‘সাবধান হও। অতীত থেকে শিক্ষা নাও। ভুইলো না, ক্ষমতা চোখে ঢাকনি পরায় দেয়। কান মোহর করে দেয়।’

    rnrn

    প্রিন্স মাহমুদ তাঁর ফেসবুক পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘দখলের লোভ বড় নাছোড়বান্দা। মুখে বলবা রাস্তা ছেড়ে যাব না, আর অন্যায় করে আগামীর আরাম-আয়েশের জিন্দেগি বেছে নিবা, সেই চিন্তা স্বপ্নেও মাথায় এনো না। কে কী অবস্থায় আছো, সব ছবি তোলা আছে। তোমাদের আত্মীয়স্বজনকেও সাবধান করো। এটা দখল, ওইটা দখল, চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলো। চোখ-কান খোলা রাখো।’

    rnrn

    সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রিন্স মাহমুদ যোগ করেন, ‘কোনোভাবেই কোনো প্ররোচনায় আইন নিজের হাতে তুলে নিবা না। হিংসা ও প্রতিহিংসার পশু প্রবৃত্তিকে উসকে দিয়ে শয়তান মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে পৃথিবীকে অগ্নিকুণ্ডে পরিণত করে, প্রমাণিত হইছে। আর না…আর না। দেশপ্রেম কিন্তু হাত দিয়ে ছোঁয়া যায় না। ভুলবে না, নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করাই দেশপ্রেম। দেশের প্রয়োজনে রাস্তায় থাকবে, ন্যায়ের পক্ষে থাকবে…।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আন্দোলন সমর্থন করে যে ঘোষণা দিলেন দেব

    তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য ও টালিউড অভিনেতা দীপক অধিকারী দেব এ মুহূর্তে অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রকে নিয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন। এদিকে আরজি করকাণ্ডে রাজ্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো কথা বলেননি দেব। সামাজিকমাধ্যমেও কোনো বক্তব্য মেলেনি তার। বিষয়টি কি তৃণমূল সংসদ সদস্য ও অভিনেতা এড়িয়ে গেলেন? নাকি নীরব থাকাটাই শ্রেয় মনে করলেন— এমন প্রশ্ন যখন বিনোদন দুনিয়া এবং রাজনৈতিক মহলে ঘুরছে, তখনই সামাজিকমাধ্যমে বার্তা দিলেন দেব। 

    সংঘবদ্ধভাবে আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ জানালেন তিনি। একই সঙ্গে পিছিয়ে দিলেন তার পুজোর ছবি ‘খাদান’ মুক্তির তারিখও।

    এ মুহূর্তে বান্ধবীকে নিয়ে বালির দেশে বেড়াতে গেছেন অভিনেতা। সেখান থেকেই সামাজিকমাধ্যমে দেব জানান, ১৪ আগস্ট তার আগামী ছবির ঝলক মুক্তি পাওয়ার কথা। কিন্তু রাজ্য রাজনীতি উত্তাল তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও মৃত্যু কেন্দ্র করে। আর স্বাধীনতা দিবসের ঠিক আগের দিন আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে রাত দখল করবেন মেয়েরা। সব মিলিয়ে দেব সম্ভবত তাই তার ঝলক মুক্তির দিনক্ষণও বদলে ফেললেন।

    সামাজিকমাধ্যমে দেব লিখেছেন— বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে টিম ‘খাদান’ ঝলক মুক্তি স্থগিত রাখা হয়েছে। আরজি করকাণ্ডে তরুণী মৃত চিকিৎসকের প্রতি দলের প্রত্যেকের গভীর সমবেদনা রয়েছে। এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদও জানাচ্ছি আমরা। 

    তিনি আরও লিখেছেন— বাকিদের মতো তার এবং তার দলেরও একমাত্র লক্ষ্য— মৃত তরুণী ও তার পরিবার যেন ন্যায্যবিচার পায়। অভিযুক্ত যেন কড়া শাস্তি পায়। তিনি এবং টিম ‘খাদান’ মৃতের পরিবারের পাশে রয়েছেন— এ কথাও জানাতে ভোলেননি দেব। সামাজিকমাধ্যমে বার্তা শেয়ার করে নেওয়ার পরই তৃণমূল সংসদ সদস্য ও অভিনেতাকে তার ভক্ত-অনুরাগীরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন— এ জন্যই তাদের প্রিয় নায়ককে এত ভালোবাসেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আন্দোলন ইস্যুতে শিল্পীদের সংগঠন থেকে অব্যাহতি নিলেন মম

    বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে শোবিজ অঙ্গনের তারকারা বিভিন্নভাবে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন। কেউ শিক্ষার্থীদের দাবির পক্ষে আওয়াজ তুলছেন, কেউ আবার চলমান আন্দোলনের পেছনে অসৎ কোনো উদ্দেশ্য খুঁজে পাচ্ছেন। 

    rnrn

    এমন অবস্থায় শুরু থেকেই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে সরব ছিলেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম। কিন্তু ‘Actors Equity Bangladesh’ নামের শিল্পীদের একটি সংগঠনের নীরব ভূমিকার কারণে কষ্ট পেয়েছেন তিনি। যে কারণে সেই সংগঠন থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    rnrn

    জাকিয়া বারী মম বর্তমান এই সংগঠনের কার্যনির্বাহী সদস্য। রোববার রাতে ফেসবুকে এক বিবৃতিতে কমিটি থেকে অব্যাহতি নেওয়ার বিষয়টি জানান।

    rnrn

    বিবৃতিতে মম লেখেন, ইক্যুইটি মানে ন্যায়, ন্যায়বিচার। ন্যায়ের কথা বলে চলমান পরিস্থিতিতে ন্যায়ের সঙ্গে প্রকাশ্যে আপোষ মেনে নেওয়া ব্যক্তিগতভাবে আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। কারণ শিল্পী হিসেবে আমি আমার দায়বদ্ধতার জায়গায় দায়বদ্ধ। সেই দায়বদ্ধতা থেকে আমি ‘Actors Equity Bangladesh’ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করলাম।

    rnrn

    অভিনেত্রী আরও লিখেন, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের প্রাণের এই সংগঠন দেশ তথা জাতীয় বিষয়ে লোক দেখানো অভিনয় না করে বিবেক এবং চেতনা বোধ জাগ্রত করে মাথা সমুন্নত রেখে এগিয়ে যাক সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। 

    অনলাইন ডেস্ক

  • কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে পোস্ট দিয়ে ডিলিট, কী লিখেছিলেন ফারুকী

    নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন। সে পোস্টে আন্দোলনে অংশ নেওয়া সবাইকে লাল সালাম জানান তিনি। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই তার পোস্টটি আর ফেসবুকে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিতর্ক এড়াতেই পোস্টটি ডিলিট করেছেন তিনি। পোস্টে কী লিখেছিলেন ফারুকী?

    ফারুকী লিখেছিলেন, ‘ঢালাও কোটার নামে মেধাহীন রাষ্ট্রব্যবস্থাকে উৎসাহ দেওয়া বন্ধ হোক। সমাজের অনগ্রসরদের জন্য ১০ ভাগ কোটা থাকতে পারে। তার জন্য ৫৬ ভাগ?’

    আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে ফারুকী আরও লেখেন, ‘এই আন্দোলনে যারা আছো, তাদের সবার জন্য লাল সালাম। নিজের সুস্থতার জন্য অনলাইনে খুব বেশি থাকি না। সকল উত্তেজনা থেকে দূরে থাকার চেষ্টায় আছি। কিন্তু এই কথাগুলা না বললে ইতিহাসের কাছে অপরাধী থেকে যাব। আমার মেয়েরা যখন বড় হবে, বলবে, বাবা যখন এইরকম একটা ব্যবস্থা করা হয়, তখন তোমরা কী করছিলে?’

    উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা ছিল। এই কোটা সংস্কারের দাবিতে ২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় ছাত্র আন্দোলন হয়। সেই আন্দোলনের মুখে ওই বছরের ৪ অক্টোবর সব ধরনের কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর ফলে সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি বাতিল হয়ে যায়।

    তবে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উচ্চ আদালতে রিট করেন। সেই রিটের শুনানি শেষে গত ৫ জুন পরিপত্রের ওই অংশ অবৈধ ঘোষণা করেন আদালত। ফলে কোটা বহাল হয়ে যায়।

    এতে ক্ষুব্ধ হন শিক্ষার্থীরা। কোটা বাতিলের দাবিতে আবার রাস্তায় নামেন তারা। ঈদুল আজহার আগে কয়েক দিন বিক্ষোভের পর দাবি মানতে সরকারকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে (আলটিমেটাম) দেন আন্দোলনকারীরা।  সরকার শিক্ষার্থীদের দাবি না মেনে নেওয়ায় রাস্তায় নেমে জোর আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। 

    বিনোদন ডেস্ক