Tag: আইয়ুব বাচ্চু

  • ঢাকায় এসে যেভাবে গিটারের জাদুকর হয়ে উঠেন আইয়ুব বাচ্চু

    বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের বাংলা ব্যান্ডসংগীতের কিংবদন্তি গিটারবাদক, সুরকার ও সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন আজ। যদি তিনি বেঁচে থাকতেন, তবে আজ ৬৪ বছরে পা দিতেন এ গিটারবাদক। ১৯৬২ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

    এ কিংবদন্তির সংগীতশিল্পীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে এবার প্রকাশ পাচ্ছে তার ২০টি কালজয়ী গান। নতুন সংগীতায়োজনে গানগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে বিশেষ অ্যালবাম ‘উত্তরাধিকার’। আজ রোববার (১৬ আগস্ট) তার জন্মদিনে অ্যালবামটি প্রকাশ করা হচ্ছে। এতে দেশের আটটি উদীয়মান ব্যান্ড ও ১২ জন একক শিল্পী কণ্ঠ দিয়েছেন। 

    দ্বৈত অ্যালবামের পাশাপাশি বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমেও গানগুলো প্রকাশ করা হবে। ইকবাল আসিফ জুয়েলের তত্ত্বাবধানে তৈরি অ্যালবামটিতে থাকছে আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় গান ‘চলো বদলে যাই’, ‘রুপালি গিটার’, ‘নীল বেদনা’, ‘গতকাল রাতে’, ‘চাঁদ মামা’, ‘অচেনা জীবন’, ‘মাধবী’ ও ‘বাংলাদেশ’সহ আরও বেশ কয়েকটি গান।

    মাত্র ৫৬ বছরের জীবনে আইয়ুব বাচ্চু বাংলা সংগীতকে যা দিয়ে গেছেন, তা তাকে করে তুলেছে অনন্য। গিটার হাতে মঞ্চে দাঁড়িয়ে তার পরিবেশনা যেমন দর্শকদের মুগ্ধ করত, ঠিক তেমনি তার কণ্ঠের গান ছুঁয়ে যেত শ্রোতাদের হৃদয়। ভক্ত-অনরাগীদের কাছে তিনি ছিলেন ‘বস’। কারও কাছে ‘স্যার’। আবার কারও কাছে সংগীতাঙ্গনে পরিচিত ছিলেন গিটারের জাদুকর হিসেবে।

    আইয়ুব বাচ্চু রকসংগীতের শিল্পী হলেও নিজেকে কোনো একটি ঘরানায় আটকে রাখেননি। আধুনিক গান, লোকগীতি ও চলচ্চিত্রের গানেও শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন তিনি। তার কণ্ঠ, সুর ও গিটারের অনন্য মিশেলে তৈরি হয়েছে অসংখ্য জনপ্রিয় গান। ১৯৮৩ সালে মাত্র ৬০০ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন এ গিটারবাদক। 

    এরপর প্রতিভা, পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেকে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। সোলসসহ বিভিন্ন ব্যান্ডে কাজ করার পর ১৯৯০ সালে গড়ে তোলেন নিজের ব্যান্ড ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’, যা পরবর্তী সময়ে ‘লাভ রান্স ব্লাইন্ড’ বা এলআরবি নামে পরিচিতি পায়। তবে হাসি-আনন্দের আড়ালে আইয়ুব বাচ্চুর ভেতরে ছিল গভীর অভিমান ও বেদনা। 

    কাছের মানুষের ভাষ্যানুযায়ী, আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ও অভিমানী একজন মানুষ। নিজের কষ্ট সবসময় প্রকাশ করতেন না। কখনো কখনো সেই না বলা কথাগুলোই উঠে এসেছে তার গান ও সুরে। মায়ের মৃত্যুর পর ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। মায়ের প্রতি তার গভীর ভালোবাসার কথা নানা সময় নিজেই বলেছেন। মায়ের চলে যাওয়া তার জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্টগুলোর একটি হয়েছিল।

    আইয়ুব বাচ্চুর সবচেয়ে বড় ভালোবাসা ছিল গিটার। তিনি বলতেন, গিটারই তার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা। জীবনের বড় একটি অংশ তিনি গিটার সংগ্রহ ও বাজানোর পেছনে ব্যয় করেছেন। বিভিন্ন দেশে গিয়ে নামি গিটারের দোকানে ঘুরেছেন, নতুন গিটার সংগ্রহ করেছেন। তার কাছে এসব গিটার ছিল শুধু বাদ্যযন্ত্র নয়, আবেগ ও ভালোবাসার অংশ। জীবনের শেষ দিকে নিজের গিটারগুলো নিয়ে দেশব্যাপী একটি প্রতিযোগিতা আয়োজনের স্বপ্নও দেখেছিলেন তিনি। চেয়েছিলেন— প্রতিভাবান গিটারবাদকরা তার প্রিয় গিটারগুলো বাজাবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাননি। আজ তার জন্মদিনে আবারও মনে পড়ে সেই শিল্পীকে, যিনি গিটার হাতে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে গান শুনিয়েছেন। তার চলে যাওয়ার আক্ষেপ হয়তো কখনোই শেষ হবে না। তবে তার সৃষ্টি, গান ও গিটারের সুর তাকে বাঁচিয়ে রাখবে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে। আইয়ুব বাচ্চু নেই, কিন্তু তার গান আছে। আর সেই গানেই বারবার ফিরে আসবেন গিটারের এই জাদুকর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৬০০ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসে কিংবদন্তি, আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন আজ

    বাংলা ব্যান্ড জগতের কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। দেশের জনপ্রিয় এই গায়ক, গিটারবাদক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক ১৯৬২ সালের আজকের এই দিনে (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৫৬ বছরের ছোট্ট জীবনে এই কিংবদন্তি বাংলা ব্যান্ডজগতকে কেবল সমৃদ্ধই করে গেছেন। বেঁচে থাকলে আজ ৬৪ বছরে পা দিতেন তিনি। 

    ১৯৭৮ সালে ‘ফিলিংস’ ব্যান্ডের মাধ্যমে ব্যান্ড সংগীতে পথচলা শুরু করেন আইয়ুব বাচ্চু। ১৯৮৩ সালে মাত্র ৬০০ টাকা নিয়ে পা রাখেন ঢাকায়। এরপর প্রতিভা, পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা হিসেবে। এরপর ১০ বছর সোলস ব্যান্ডের লিড গিটারিস্ট হিসেবে কাজ করেন তিনি। 

    ১৯৯০ সালে যাত্রা শুরু হয় তার নিজের ব্যান্ড দল ‘এলআরবি’র। শুরুতে ব্যান্ডটির নাম ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’ রাখা হলেও পরবর্তী সময়ে ‘লাভ রান্স ব্লাইন্ড’ বা এলআরবি নামে এটি পরিচিতি পায়। 

    রক সংগীতের বরপুত্র হিসেবে খ্যাত হলেও আইয়ুব বাচ্চু নিজের সুরের ভুবন কেবল একটি নির্দিষ্ট ঘরানায় সীমাবদ্ধ রাখেননি। আধুনিক গান, লোকসংগীত কিংবা চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক—সবখানেই তিনি শ্রোতাদের বিমোহিত করেছেন তার অসাধারণ কণ্ঠ, সুর ও গিটারের জাদুকরী মূর্ছনায়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শ্রোতাদের সামনে হাসিমুখ ও উল্লাসের আড়ালে এই শিল্পীর ভেতরে লুকিয়ে ছিল গভীর অভিমান। কাছে থেকে যারা তাকে চিনেছেন, তাদের মতে তিনি ছিলেন অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ও সংবেদনশীল এক হৃদয়বান মানুষ। তবে নিজের ভেতরে জমে থাকা কষ্টের কথাগুলো মুখ ফুটে না বললেও, তা ফুটে উঠত তার গান আর সুরের মুর্ছনায়। 

    জানা যায়, মায়ের প্রয়াণ ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা। মায়ের প্রতি গভীর ও নিঃশর্ত ভালোবাসার কথা তিনি বারবার প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন আড্ডায় ও সাক্ষাৎকারে। মায়ের এই না-ফেরার দেশে চলে যাওয়া তার আত্মাকে গভীরভাবে ক্ষতবিক্ষত করেছিল। 

    পাশাপাশি, ব্যান্ডের সহশিল্পীদের দলছুট হওয়াও তাকে প্রবলভাবে আহত করত। কারণ ব্যান্ড সদস্যদের তিনি কেবল মিউজিশিয়ান মনে করতেন না, ভাবতেন তার নিজের পরিবারেরই অংশ। আর আইয়ুব বাচ্চুর সবচেয়ে বড় ভালোবাসা ছিল গিটার। তিনি বলতেন, গিটারই তার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা। জীবনের বড় একটি অংশ তিনি গিটার সংগ্রহ ও বাজানোর পেছনে ব্যয় করেছেন। 

    দীর্ঘ কয়েক দশকের সংগীত জীবনে অসংখ্য কালজয়ী ও শ্রোতাপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু। ‘চলো বদলে যাই,’ ‘হাসতে দেখো,’ ‘এখন অনেক রাত,’ ‘রুপালি গিটার’, ‘মেয়ে’ ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি,’ ‘সুখের এ পৃথিবী,’ ‘ফেরারী মন,’ ‘উড়াল দেবো আকাশে,’ ‘বাংলাদেশ,’ ‘আমি বারো মাস তোমায় ভালোবাসি,’ ‘এক আকাশের তারা,’ ‘সেই তারা ভরা রাতে,’ ‘কবিতা,’ ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি,’ ‘তিন পুরুষ,’ ‘যেওনা চলে বন্ধু,’ ‘বেলা শেষে ফিরে এসে,’ ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি,’ ‘তিন পুরুষ’ সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা তিনি। 

    ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট ঘরোয়া আয়োজনে কাছের মানুষদের নিয়ে নিজের শেষ জন্মদিন পালন করেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। তার মাত্র দুই মাস পর ১৮ অক্টোবর হঠাৎ করেই না ফেরার দেশে চলে যান বাংলা ব্যান্ড সংগীতের এই কিংবদন্তি। 

    আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার প্রায় ৮ বছর হতে চললেও এ কিংবদন্তির সৃষ্টি, গান ও গিটারের সুর প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে তাকে বাঁচিয়ে রাখবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইয়ুব বাচ্চুকে প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করতেন, তার গান শুনতেন: চন্দনা

    ব্যান্ড মিউজিকের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও গিটারিস্ট আইয়ুব বাচ্চু। মৃত্যুর সাত বছর পর রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’ পেয়েছেন তিনি। প্রয়াত এই শিল্পীর মরণোত্তর সম্মাননাটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গ্রহণ করেন তার স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা।

    এদিন রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়।

    পদক গ্রহণের পর আবেগাপ্লুত চন্দনা বলেন, ‘আইয়ুব বাচ্চু বেঁচে থাকলে এই সম্মান পেয়ে নিঃসন্দেহে আরও বেশি খুশি হতেন। পুরস্কার গ্রহণের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় উঠে আসে অতীতের স্মৃতি।’

    ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কুশল বিনিময় হয় চন্দনার। তার ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী তাকে জানিয়েছেন, তিনি আইয়ুব বাচ্চুর গান পছন্দ করতেন এবং একটা সময়ে নিয়মিত শুনতেনও।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা হয়েছিল- এমন প্রশ্নে গণমাধ্যমকে বাচ্চুপত্নী বলেন, ‘কুশলাদী বিনিময় হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আইয়ুব বাচ্চুকে পছন্দ করতেন। তার গান শুনতেন, গানগুলো তার ভালো লাগে’। আমিও তাকে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি। তার হাত ধরে যেন দেশের সুন্দর পরিবর্তন আসে এই প্রত্যাশা করেছি।’

    সময় স্বল্পতা না থাকলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরও কিছু বিষয় তুলে ধরতেন জানিয়ে চন্দনা বলেন, ‘সময়টা খুব অল্প ছিল। বইমেলা উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তাড়া ছিল, আর স্বাভাবিক নতুন একটা দায়িত্ব নিয়েছেন মন্ত্রণালয়েও অনেক কাজ। আমাদের বেশি কথা বলার সুযোগ হয়নি। যদি সময় পেতাম, তাহলে হয়ত সংগীতাঙ্গনের কিছু বিষয় তুলে ধরতে পারতাম। তবুও পদক গ্রহণের মুহূর্তটা অন্যরকম ছিল।’

    পদকপ্রাপ্তির পর আইয়ুব বাচ্চুর ব্যান্ড এলআরবি-এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক বার্তায় জানানো হয়, এই সম্মান কেবল একটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নয়; এটি আইয়ুব বাচ্চুর আজীবন সংগীতসাধনার প্রতি জাতির গভীর শ্রদ্ধার প্রতিফলন।

    উল্লেখ্য, ‘রুপালি গিটার’, ‘ঘুম ভাঙা শহর’, ‘সেই তুমি’, ‘এক আকাশের তারা’ সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা আইয়ুব বাচ্চু ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইয়ুব বাচ্চুর একুশে পদক গ্রহণ করলেন তার স্ত্রী চন্দনা

    জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  এদিন সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ বছরের পদকপ্রাপ্তদের হাতে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই বেসামরিক সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

    এ বছর সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য প্রয়াত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। তার হয়ে মর্যাদাপূর্ণ পদক ও সম্মাননা গ্রহণ করেন স্ত্রী ফেরদৌস আখতার চন্দনা।

    পদক গ্রহণের পর আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘এটা শুধু আইয়ুব বাচ্চুর শিল্পী হিসেবে সম্মাননা নয়, এটা বাংলা ব্যান্ড সংগীতের ও সঙ্গীতের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ বছর দেশের ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান করা হয়।

    অভিনয়ে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যে অর্থী আহমেদ এবং পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকারকে এই সম্মাননা পদক দেওয়া হয়।

    এছাড়া সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার, ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস এবং সংগীতাঙ্গনে অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজকে একুশে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। ব্যান্ডের পক্ষে দলনেতা শেখ মনিরুল আলম টিপু এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৃত্যুর ৭ বছর পর একুশে পদক পাচ্ছেন আইয়ুব বাচ্চু, স্ত্রীর আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

    বাংলাদেশি ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর না ফেরার দেশে পাড়ি জমানো এই ব্যান্ড তারকা এবার দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক পাচ্ছেন।  প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুর এমন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিতে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানালেন তার স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা।  আইয়ুব বাচ্চুর ব্যান্ড এলআরবি-ও ফেসবুক পোস্টে তাকে স্মরণ করেছেন। 

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ফেরদৌস আক্তার চন্দনা বলেন, ‘খবরটা শুনে খুশি হলাম। বাচ্চু থাকলে বেশি খুশি হতো। পুরস্কারটা নিজে হাতে নিতে পারলে খুশি হতো। বাচ্চুর সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আছে। দেরিতে হলেও পেয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।’ 

    ২০২০ সালে কার্যক্রম শুরু করা আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন নিয়ে চন্দনা বলেন, ‘সবার দোয়া চাই। আমরা তার রেখে যাওয়া কাজ যেন শেষ করতে পারি।’ তিনি বর্তমানে ফাউন্ডেশনটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুর এই অর্জনে তার ব্যান্ড এলআরবি-ও তাকে স্মরণ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পোস্টে ব্যান্ডটি লিখেছে, ‘২০২৬ সালের একুশে পদকে ভূষিত হচ্ছেন বাংলা রকের অগ্রদূত, কিংবদন্তি শিল্পী রক আইকন আইয়ুব বাচ্চু। এটি শুধু একজন শিল্পীর সম্মাননা নয়, এটি বাংলা সংগীতের প্রতি তার আজীবন সাধনা, সততা ও সাহসী সৃজনশীলতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। 

    গিটার হাতে তিনি যে ভাষায় গান করেছেন, তা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। প্রেম, প্রতিবাদ, স্বপ্ন আর জীবনের গল্প তিনি সুরে সুরে বলে গেছেন অক্লান্তভাবে। আইয়ুব বাচ্চু আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার গান আমাদের রক্তে, আমাদের স্মৃতিতে, আমাদের চলার পথে বেঁচে থাকবে চিরকাল। একুশে পদক সেই চিরজীবী সুরেরই প্রাপ্য সম্মান।’ 

    সঙ্গে ব্যান্ডটির তরফ থেকে এই সম্মাননা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ, সম্মানিত জুরি বোর্ড ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানানো হয়। উল্লেখ্য, এ বছর প্রথমবারের মতো একুশে পদক পাচ্ছে জনপ্রিয় হেভিমেটাল ব্যান্ড ‘ওয়ারফেজ’। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইয়ুব বাচ্চু, ববিতাসহ একুশে পদক পাচ্ছেন যারা

    ঘোষণা করা হল দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক-২০২৬-এর চূড়ান্ত তালিকা। এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে কিংবদন্তি গায়ক ও সংগীত পরিচালক আইয়ুব বাচ্চু এবং চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, প্রযোজক ববিতাসহ মোট ১০ জন পাচ্ছেন এই পুরস্কার।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

    একুশে পদকের জন্য মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন ববিতা, অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, আইয়ুব বাচ্চু, মেরিনা তাবাশ্যুম, ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিক শফিক রেহমান, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, তেজশ হালদার যশ ও অর্থী আহমেদ, আর ব্যান্ড মিউজিকে ওয়ারফেজ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইয়ুব বাচ্চুকে নিয়ে যে আবেগঘন বার্তা স্ত্রীর

    ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর মাত্র ৫৬ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিরবিদায় নেন দেশের ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি, গিটারের জাদুকর ও এলআরবির প্রতিষ্ঠাতা আইয়ুব বাচ্চু। এই কিংবদন্তি রুপালি গিটার নামিয়ে রেখে চলে গেছেন অনেক আগেই। দেখতে দেখতে কেটে গেছে সাত বছর। শনিবার ছিল তার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী। পরিবার, বন্ধু ও ভক্তরা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করেছেন এ কিংবদন্তিকে। এই শিল্পী তবু ভক্তদের হৃদয়ে এখনো প্রাণবন্ত।

    গিটারের জাদুকর আইয়ুব বাচ্চু ও ফেরদৌস আক্তার চন্দনার প্রেম শুরু হয়েছিল বিয়ের আগেই। দীর্ঘ বন্ধুত্বের পর ১৯৯১ সালের ৩১ জানুয়ারি তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুই সন্তান—মেয়ে ফাইরুজ সাফরা আইয়ুব ও ছেলে আহনাফ তাজওয়ার আইয়ুব। 

    এই দিনে ফেসবুকে একটি ছবি শেয়ার করে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, জীবন বড়ই বিচিত্র। সন্ধ্যা কাটে না অথচ দিব্যি বছর ঘুরে বছর আসে। দেখতে দেখতে সাত বছর…।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন আজ

    ব্যান্ডসংগীত জগতের কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চু। আজ তার জন্মদিন। ১৯৬২ সালের এই দিনে (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন গিটারের জাদুকরখ্যাত প্রয়াত এ ব্যান্ড সংগীতশিল্পী। ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর হঠাৎ ভক্তদের কাঁদিয়ে চলে যান না ফেরার দেশে। বেঁচে থাকলে হয়তো আজ ৬৩ বছরে পা রাখতেন এ রকস্টার। 

    আজ হাজারো ভক্ত-অনুরাগী নানাভাবে স্মরণ করছেন এ ব্যান্ড সংগীতশিল্পীকে। তিনি না থাকলেও তার রেখে যাওয়া সুর, গান আর রুপালি গিটার আজও হয়ে উঠেছে কয়েক প্রজন্মের অনুপ্রেরণা। শুধু ব্যান্ডসংগীতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না আইয়ুব বাচ্চু।  ছিলেন একাধারে গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। আধুনিক গান, লোকগীতি কিংবা সিনেমায় প্লেব্যাকের গান— সবখানেই রেখেছেন নিজের স্বাক্ষর। 

    তারকা খ্যাতির শীর্ষে থেকেও আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন সাধারণের নাগালের মধ্যে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি চেয়েছিলেন একজন ‘ভালো মানুষ’ হয়ে বেঁচে থাকতে। তাই তার মৃত্যুর পর শুধু সংগীতাঙ্গন নয়, কেঁদেছিল পুরো জাতি। অনুরাগীদের কাছে তিনি শুধু একজন সংগীতশিল্পী নন, ছিলেন এক জাদুকর, যিনি গিটারের তারে এঁকে দিতেন জীবনের গল্প।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আইয়ুব বাচ্চু ‘এলআরবি’ ব্যান্ড দল প্রতিষ্ঠা করে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। তার কণ্ঠে গাওয়া ‘ফেরারি মন’, ‘চলো বদলে যাই’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘রুপালি গিটার’, ‘আমি বারো মাস তোমায় ভালোবাসি’— এসব গান যেন ‘চিরসবুজ’ হিসেবে পরিণত হয়েছে, যা চলছে কয়েক প্রজন্ম ধরেই। তার হাত ধরেই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যান্ডসংগীত এক নতুনমাত্রা পেয়েছিল, যা  বাংলাদেশে ব্যান্ডসংগীতকে জনপ্রিয় ও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে এক অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। 

    ব্যান্ডসংগীতের পাশাপাশি একক ক্যারিয়ারেও আইয়ুব বাচ্চু পেয়েছিলেন আকাশছোঁয়া সাফল্য। তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘রক্তগোলাপ’ ও দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘ময়না’ দিয়ে শুরু হয় সেই যাত্রা। এরপর এলআরবি ১৯৯২ সালে প্রকাশ করে দেশের প্রথম ডাবল অ্যালবাম ‘এলআরবি ১’ এবং ‘এলআরবি ২’। আর ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত ‘সুখ’ অ্যালবাম হয়ে ওঠে সর্বকালের অন্যতম সফল অ্যালবাম। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আসছে আইয়ুব বাচ্চুর অপ্রকাশিত গান

    গিটারের জাদুকর আইয়ুব বাচ্চু। ব্যান্ড এলআরবির মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতকে এগিয়ে নিতে অনবদ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। উপহার দিয়েছেন অনেক জনপ্রিয় গান। ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আজ প্রয়াত এ শিল্পীর জন্মদিন। দিনটি ঘিরে বিভিন্ন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন। 

    এলআরবি ব্যান্ডের গিটারিষ্ট আবদুল্লাহ আল মাসুদ জানান, শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে অমর এই শিল্পীর জন্মদিন উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছে। ‘আইয়ুব বাচ্চু সেলিব্রেটিং লাইফ, লিগ্যাসি অ্যান্ড চলো বদলে যাই’ শীর্ষক এক আলোচনায় সভায় কিংবদন্তি শিল্পীকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করবেন বরেণ্য গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, ফিডব্যাক ব্যান্ডের দলনেতা ও সংগীতায়োজক ফোয়াদ নাসের বাবু, রেনেসাঁ ব্যান্ডের নকীব খান, সোলসের পার্থ বড়ুয়া, দলছুটের বাপ্পা মজুমদারসহ অনেকে। আরও উপস্থিত থাকবেন শিল্পীর পরিবারের সদস্যরা। 

    সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, এখনও এ শিল্পীর বেশ কিছু গান স্টুডিওবন্দি হয়ে আছে। যেগুলো বিভিন্ন সময় প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এজন্য প্রস্তুতিও চলছে। এ লক্ষ্যে শিগগিরই আসবে নতুন গান। 

    উল্লেখ্য, কিংবদন্তি গিটারিস্ট ও সংগীতজ্ঞ আইয়ুব বাচ্চু ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর মারা যান।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • সবকিছুর জন্য আমিই দায়ী: নোবেল

    আসক্তির জন্য কাউকে দোষারোপ না করে সবকিছুর জন্য তিনি দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল।  সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

    কবি নজরুলের কারার ঐ লৌহ কপাট, নগর বাউল জেমসের মা এবং আইয়ুব বাচ্চুর এই রুপালি গিটার কলকাতার মানুষের মুখে মুখে। কলকাতায় এই গান গেয়ে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছেন সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। গত ২০১৮ সালে ওপার বাংলার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি ‘সা রে গা মা পা’য় একের পর পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে বেশ আলোচনায় আসেন তিনি।

    এরপর নোবেলের জনপ্রিয়তার খবর রটে যায় বাংলাদেশে। অল্প সময়েই দেশের মানুষের কাছ থেকেও পেতে থাকেন অসম্ভব ভালোবাসা। সেই ভালোবাসা ধরে রাখতে পারেননি নোবেল। মুহূর্তেই হারিয়ে যান অন্ধকারের গর্ভে। তাকে নিয়ে ছিল ব্যাপক সমালোচনা। সামাজিকমাধ্যমে বিভিন্ন আপত্তিকর মন্তব্য করে ‘মাদকাসক্ত’ তকমা পেয়ে যান একসময়ের সবার চোখের মণি। তবে তিনি যে এক আসক্তিতে ছিলেন, তা বলা বাহুল্য। তার ভক্ত-অনুরাগীদের প্রার্থনা ছিল— শুধু তার সুস্থতা কামনায়। কারণ নোবেল সুস্থ হয়ে ফিরে এলেই আবার শোনা যাবে তার সেই ঝাঁজালো কণ্ঠের গান।

    সম্প্রতি একের পর এক সাক্ষাৎকারে সামনে আসছেন এ সংগীতশিল্পী। অনুরাগীরাও তাকে নিয়ে আকাঙ্ক্ষা কম নয়। ভক্তরা এখনো আশা করেন, নোবেলের মতিগতি কি ঠিক হয়েছে, নাকি আগের মতোই আছে? তবে অনুরাগীদের সেই সংকোচ অবশেষে কাটতে চলেছে। নোবেল ফিরে আসছেন সেই আগের রূপে ও গুণেই! এক সাক্ষাৎকারে এমনটিই জানালেন এ শিল্পী।

    নোবেল অবশেষে তার ভুলত্রুটিগুলো বুঝতে পেরেছেন। শুধরে নিয়েছেন নিজেকে। স্বীকার করলেন, আসক্তি নামের একটি বিষয়ের সঙ্গে খারাপ সময় কেটেছে তার। নিজেকে শোধরাতে কাটাতে হয়েছে রিহ্যাবেও।

    নোবেল বলেন, একটা আসক্তিতে পড়ে যাই। আমার সম্মতি সাপেক্ষেই আমি রিহ্যাবে কাটিয়েছি। এখন আমি এগুলো থেকে বিরত আছি, সম্পূর্ণরূপে বিরত। সেই জগতে আমার আর ফিরে যাওয়ারও ইচ্ছে নেই। এখানে কাউকে দোষারোপ করার কিছু নেই, সবকিছুর জন্য আমিই দায়ী।

    খানিকটা ভীত কণ্ঠে নোবেল বলেন, অনেকের থেকে দূরে সরে যাওয়ায় একটা দূরত্ব তৈরি হয়ে যায়। আমার কিছু কার্যকলাপ, সেসব ভুল ছিল। সব মিলিয়ে আমার আচার-আচরণ একটু অন্যরকম হয়ে গিয়েছিল। ইন্ডাস্ট্রিতে যারা মূলত আমাকে দিয়ে কাজ করাবেন, তাদের সঙ্গেও আমার একটা দূরত্ব তৈরি হয়, ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এর ফলেই আমি ‘গায়েব’ হয়ে যাই আরকি।

    এই সংগীতশিল্পী বলেন, মানুষ আমার কাছে যা প্রত্যাশা করেছিল, আমি সে অনুযায়ী চলতে পারিনি। আমার প্রফেশন গান গাওয়া, গান থেকেই মানুষ আমাকে চিনেছে। তবে আমার যে ভুলভ্রান্তিগুলো ছিল, যেমন— কিছু উদ্ভট কথাবার্তা— এসব থেকে নিজেকে বিরত থাকি, তাহলে আমার চলার পথটা আরও সহজ হবে।

    বর্তমানে নোবেলের হাতে কিছু গান ও সিনেমা রয়েছে, যা ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য নির্মাণ হবে। এর মধ্যে একটিতে খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে তাকে। পর্দায় খলনায়ক চরিত্র নিয়েই ফিরতে চান এ গায়ক।

    বিনোদন ডেস্ক