Tag: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

  • গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

    অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য সুপরিচিত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। বিশেষ করে বিশ্বব্যাপী মানবধিকার নিয়ে বেশ সোচ্চার তিনি। কাজ করছেন শুভেচ্ছাদূত এবং পরে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনারের বিশেষ দূত হিসেবে। এমনিতে আগে থেকেই ফিলিস্তিনে ইসরাইলিদের বর্বর হামলার বিরুদ্ধে তিনি। সম্প্রতি আবারো ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে আওয়াজ তুলেছেন এ অভিনেত্রী।

    গাজায় চলমান ইসরাইলি সামরিক কর্মকাণ্ড ও গণহত্যার নিন্দা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি শক্তিশালী বার্তা শেয়ার করেছেন। সম্প্রতি একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে, জোলি ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্সের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন জোলি, যেখানে গাজাকে ফিলিস্তিনি এবং তাদের সাহায্য করার চেষ্টা করা মানবিক কর্মীদের জন্য একটি ‘গণকবর’ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

    এ পোস্টের মাধ্যমে তিনি গাজায় ইসরাইলি বিমান, স্থল এবং সমুদ্র আক্রমণের তীব্রতা তুলে ধরেছেন, যা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ফিলিস্তিনিদের জীবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের দিকে পরিচালিত করেছে।

    প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ রয়েছে, ‘কেবল ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নৃশংস সামরিক হামলাই নয়, চলমান অবরোধ ইচ্ছাকৃতভাবে মানবিক সাহায্য সরবরাহকেও বাধাগ্রস্ত করেছে। এটি জনগণের তীব্র চাহিদা পূরণের প্রচেষ্টাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে, যা সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।’ যদিও জোলির এমন পোস্টে বেশ ক্ষেপেছেন ইসরাইলি উগ্র ডানপন্থিরা। তারা অভিনেত্রীর অবস্থানের বেশ সমালোচনা করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে, এতে মোটেও বিচলিত নন বলে জানিয়েছেন জোলি। বরং শরণার্থী ও মানবাধিকারের জন্য অভিনেত্রীর দীর্ঘস্থায়ী সমর্থন তার মন্তব্যকে আরও জোরাল করে তুলেছে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে শুভেচ্ছাদূত এবং পরে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা জোলি গাজার সহিংসতা নিয়ে ক্রমাগত উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ৫১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু, নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি গাজায় এমন ভয়ানক ধ্বংসযজ্ঞ চলছে, যা আগের চেয়েও অনেকগুণ বেশি। চলমান সামরিক অভিযানের ফলে এই অঞ্চলটি ধ্বংস্তুপে পরিণত হয়েছে। বাড়িঘর, হাসপাতাল এবং স্কুল ইসরাইলি বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। অ্যাঞ্জোলিনা জোলির পাশাপাশি ইসরাইলের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের প্রতিক্রিয়ায়, আন্তর্জাতিক আইনি সংস্থাগুলো হস্তক্ষেপ করেছে।

    গত বছরের নভেম্বরে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

    শাহনাজ হেনা

  • হলিউড ছাড়তে চাইছেন জোলি

    হলিউড ছেড়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। অবশ্য অভিনয় নয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের হলিউড এলাকা ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন তিনি। সেখানেই দীর্ঘদিনের বসবাস। চেয়েছিলেন, ব্রাড পিটের সঙ্গে দীর্ঘ স্মৃতি, বিবাদ, তিক্ত বিবাহবিচ্ছেদ-সবকিছুই ভুলে থাকতে। আর সেটার জন্য চিরতরে স্থানটি ত্যাগ করতে হবে তাকে। 

    লস অ্যাঞ্জেলেই নয়, আমেরিকাও ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন তিনি। অন্য কোথাও, অন্য কোনো দেশে গিয়ে নতুন করে শুরু করবেন সবকিছু। সেটা হতে পারে ইউরোপি কিংবা কম্বোডিয়া। কিন্তু চাইলেও সেটা পারছেন না। কারণ, সন্তানেরা লস অ্যাঞ্জেলেস ত্যাগ করতে রাজি নন। 

    মার্কিণ গণমাধ্যম সম্প্রতি জানিয়েছে, অ্যাঞ্জেলিনা জোলির হলিউড থেকে পালানোর পরিকল্পনা সন্তানদের কারণেই ভেঙে পড়ছে। কারণ, তার সন্তানরা- ম্যাডক্স, প্যাক্স, জাহারা, শিলোহ এবং যমজ সন্তান নক্স এবং ভিভিয়েন লস অ্যাঞ্জেলের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত। তাদের বন্ধুবান্ধব, ক্যারিয়ার এবং তাদের নিজস্ব স্বপ্ন-সবকিছুই এই লস অ্যাঞ্জেলেসকে ঘিরে, যা অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে একটি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে। 

    জোলির ঘনিষ্ঠ সূত্র এ প্রসঙ্গে মার্কিণ গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসে সব সুযোগ ত্যাগ করে বিদেশে বসবাস করার ধারণাটি তাদের (জোলি ও তার সন্তান) কাছে আকর্ষণীয় নয়। বরং এটি তাদের মধ্যে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    উল্লেখ্য, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি দীর্ঘদিন ধরে কম্বোডিয়ায় দাতব্য কাজে জড়িত। এমনকি জমিও কিনেছেন তার সংস্থার আবাসিক স্থাপনা তৈরির জন্য। সেটার কাজও শুরু হয়েছে। শুধু তাই নয়, বহু বছর ধরে তিনি তার সন্তানদের নিয়ে একটি পারিবারিক কম্পাউন্ডের স্বপ্ন দেখে আসছেন, যা হবে লস অ্যাঞ্জেলেসের বাইরে। দুর্ভাগ্যবশত, এটি খুব জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ ম্যাডক্স এবং প্যাক্স দুজনেই সিনেমায় কাজ করেছেন। 

    অন্যদিকে ভিভিয়েন প্রযোজনা ‘দ্য আউটসাইডার্স’র সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। স্বভাবতই জোলি একটি কঠিন পরিস্থিতিতে আছেন। সন্তানদের ক্যারিয়ার নষ্ট করে কোথাও স্থায়ীভাবে চলে যাওয়াটা তার জন্য এখন খুবই কষ্টের, এবং তিনি যেতেও চান না। তাই জীবনের শেষ সময়গুলো সন্তানদের মঙ্গলেই কাটিয়ে দিতে চান বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন সেই সূত্র।

    আনন্দনগর ডেস্ক

  • বাবার পদবি মুছে ফেলবেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলির মেয়ে

    হলিউড তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের বিবাদ বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনায়। ভালোবেসে বিয়ে, অতঃপর বিচ্ছেদ। সম্পত্তি নিয়ে আইনি ঝামেলা। সবকিছু মিলিয়ে একসময়ের জনপ্রিয় এ জুটি এখন একে অন্যের বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছেন।

    rnrn

    যার প্রভাব পড়েছে তাদের সন্তানদের জীবনেও। বিচ্ছেদের পর থেকে মায়ের সঙ্গে থাকছেন এ দম্পতির ছয় সন্তান। তবে বাবার প্রতি তাদের ক্ষোভ প্রায়ই শিরোনামে উঠে আসে। যেমনটা হলো আবারও বাবার পদবি ঝেড়ে ফেলার সংবাদে।

    rnrn

    নিজের নামের শেষাংশ থেকে ‘পিট’ বাদ দিয়ে ‘জোলি’ বসিয়ে নিতে চান জোলি-পিটের সন্তান শিলো। তিনি নিজের নাম বদলানোর অনুরোধ করে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। গত ২৭ মে শিলো’র বয়স ১৮ পূর্ণ হয়েছে। এরপরেই নাম বদলানোর আবেদন করেছেন শিলো।

    rnrn

    এর আগে ইনস্টাগ্রামে নিজের নাম থেকে ‘পিট’ বাদ দিয়েছেন পিট-জোলির এ সন্তান।

    rnrn

    তবে শিলো’র আগে এ দম্পতির আরেক মেয়ে ভিভিয়েন ও জাহারা তাদের নাম থেকে ‘পিট’ বাদ দিয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও ম্যাডক্স, প্যাক্স এবং নক্সও ‘পিট’ নাম ব্যবহার করেন না। তবে আইনিভাবে নিজের নাম থেকে ‘পিট’ বাদ দেওয়ার পদক্ষেপ শিলো প্রথম নিলেন।

    rnrn

    ব্র্যাড এবং অ্যাঞ্জেলিনার ছয় সন্তানেরর নাম ম্যাডক্স, জাহারা, শিলো, প্যাক্স এবং যমজ নক্স ও ভিভিয়েন। তারা বর্তমানে জোলির অভিভাবকত্বে রয়েছে।

    rnrn

    ২০১৪ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন জোলি-পিট। তবে দুই বছরের দাম্পত্য জীবন পার করতেই ২০১৬ সালে বিচ্ছেদ হয় জোলি-পিটের। দুজনের বিচ্ছেদ ও সম্পত্তির বন্টনের লড়াই পৌঁছায় আদালতে। এখনো উভয়ের মামলা চলমান রয়েছে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • যুদ্ধবিরতির আহ্বান না জানিয়ে বিশ্বনেতারা অপরাধে সহযোগী হচ্ছেন: জোলি

    অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলের হামলার তীব্র সমালোচনা করেছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। তিনি বলেন, অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর ওপর যাদের কোথায় যাওয়ার উপায় নেই সেখানে নির্বিচার বোমাবর্ষণ করছে ইসরাইল।

    আজ বৃহস্পতিবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার সাবেক শুভেচ্ছা দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে বলেন, প্রায় দুই দশক ধরে গাজা একটি উন্মুক্ত কারাগার। এই অঞ্চলটি দ্রুত গণকবরে পরিণত হচ্ছে। নিহতদের ৪০ শতাংশই নিষ্পাপ শিশু। একেকটা পরিবারের সব সদস্যকে হত্যা করা হচ্ছে।

    ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আজ জানায়, ৭ অক্টোবর থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত গাজায় ৮ হাজার ৭৯৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৩ হাজার ৬৪৮ জনই শিশু।

    জোলি আরও বলেন, সারা বিশ্ব তাকিয়ে দেখছে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের, বিশেষত শিশু, নারী ও পরিবারের সব সদস্যকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে এবং তাদেরকে খাবার, ওষুধ ও মানবিক ত্রাণ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এমন কী, অনেক দেশের সরকার এই সংঘাতে (ইসরাইলকে) সক্রিয়ভাবে সহায়তা দিচ্ছে।

    জোলি বলেন, মানবিক অস্ত্র বিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি আরোপের উদ্যোগ নস্যাৎ করে (ভেটোর মাধ্যমে) বিশ্ব নেতারা এসব অপরাধে (ইসরাইলের) সহযোগীর ভূমিকা পালন করছেন।

    অ্যাঞ্জেলিনা জোলি (৪৮) একজন মার্কিন অভিনেত্রী ও পরিচালক যিনি অভিনয়ের পাশাপাশি মানবিক কাজে অংশ নেওয়ার জন্য সুপরিচিত। তিনি ‘গার্ল, ইন্টারাপটেড’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ১৯৯৯ সালে অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জেতেন। এছাড়া তিনি তিন বার গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড জেতেন।

    ২০০১ সালে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার শুভেচ্ছা দূত হিসেবে নিয়োগ পান জোলি। এই দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি বেশ কয়েকটি দারিদ্র্য পীড়িত দেশ সফর করেন।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফ্যাশন নিয়ে মুখ খুললেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

    হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। অভিনয়, ফ্যাশন, এমনকি ব্যক্তিজীবন নিয়েও আলোচনায় থাকেন এই তারকা। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে একরকম ফ্যাশন স্টাইলে আটকে ছিলেন না জোলি। সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন করেছেন। 

    সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে নিজের ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং ডার্ক স্টাইল নিয়ে কথা বলেন তিনি। 

    জোলি বলেন, ছোটবেলায় যখন নিজের ব্র্যান্ড অ্যাটেলিয়ার জোলি চালু করেছিলাম, তখন আমি জনপ্রিয় কেউ নই। আমি খুব পাঙ্ক ছিলাম। তখন আমার ডার্ক স্টাইল খুব পছন্দ ছিল। সেই সময় আমি থ্রিফ্ট স্টোরে যেতাম, জামাকাপড় কেটে, সেগুলো গর্তে পোড়াতাম। আমার ফ্যাশনে তখন বিদ্রোহী ভাবনার প্রতিফলন পাওয়া যেত। 

    কিন্তু এখন আর এগুলো বিক্রয় করতে চান না জোলি। আগামী মাসে নিউইয়র্কে তার ব্র্যান্ডের একটি দোকান খুলতে যাচ্ছেন জোলি। যেখানে টেইলারিং এবং আপসাইক্লিং পরিষেবা প্রদানের পাশাপাশি, পরিমাপ করা টুকরো কাপড়ও পাওয়া যাবে। 

    জানা গেছে, তার নতুন এই দোকানে তিনি হাতে আঁকা বা ট্যাটুর ছাপ সম্বলিত জামা-কাপড়ও বিক্রি করতে চান। 

    জোলি জানান, আমরা চেষ্টা করছি যেন আমরা ট্যাটুগুলোর ছবি তুলতে পারি এবং সেগুলোকে ছাপিয়ে কাপড়ে ডিজাইন আকারে ব্যবহার করতে পারি। যেন ক্রেতারা পোশাকের সঙ্গে আরও একাত্মতা অনুভব করে, তাই আমাদের এ ভাবনা। এ সময় পোশাক নিয়ে নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথাও শেয়ার করেন জোলি। 

    তিনি বলেন, পোশাক এমন হওয়া উচিত যা আমাদের নিরাপদ অনুভব করাবে। কিন্তু জীবনে এমন একটা সময় আমাকে পার করতে হয়েছে, যখন পোশাক আমাকে নিরাপদ অনুভব করায়নি। আমি এখনো জানি না, আমার উপযুক্ত স্টাইল কী, কারণ এই ৪৮ বছর বয়সেও আমি এখনো পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে অ্যাঞ্জেলিনা জোলির বিরুদ্ধে আদালতে ব্র্যাড

    সাবেক স্ত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ থেকে পিছু হটছেন না হলিউড অভিনেতা ব্র্যাড পিট। অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা নাকি তাদের যৌথ সম্পত্তি থেকে কিছু অংশ বিক্রি করে দিয়েছেন ব্র্যাডের অনুমতি না নিয়েই। এতে চটে গেছেন ‘মানি বল’-এর অভিনেতা। 

    rnrn

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ফ্রান্সে ১৩ লক্ষ ১৮২ কোটি টাকা মূল্যের একটি আঙুর ক্ষেতের সমান দুই ভাগ মালিকানা রয়েছে ব্র্যাড আর অ্যাঞ্জেলিনার। সেখান থেকেই নিজের ভাগটুকু অভিনেত্রী দিয়েছেন রাশিয়ার এক কোটিপতিকে। যার নাম ইউরি শেফলার।

    rnrn

    ব্র্যাডের অভিযোগ, তার অনুমতি না নিয়ে শাতো মিরাভাল নামের বিপুল বাগানের অর্ধেক বেচে দিয়ে বেআইনি কাজ করেছেন তার সাবেক স্ত্রী। অভিনেতার আইনজীবী ইতোমধ্যেই লস অ্যাঞ্জেলেসের আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা রয়েছে, অ্যাঞ্জেলিনা গোপনে গোপনে শেফলারের সংস্থার সঙ্গে চুক্তিতে গিয়ে ব্র্যাড ও তার সংস্থার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন।

    rnrn

    অন্যদিকে অ্যাঞ্জেলিনার আইনজীবী জানিয়েছেন, ব্র্যাডের অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং অত্যন্ত মানহানিকর এক পদক্ষেপ। কারণ দলিল অনুযায়ী, ভিনিয়ার্ড বা আঙুর ক্ষেতটির সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তিতে আছে সুরা (মদ) প্রস্তুতকারী সংস্থা মার্ক পেরিন। ব্র্যাডের নিজস্ব সংস্থা মন্ডো বঙ্গোর সঙ্গেই ২০১৩ সাল থেকে একত্রে ব্যবসা করছেন তারা। শাতো মিরাভাল তার পরই বড়সড় বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এর নাম।

    rnrn

    ব্র্যাডের আইনজীবীর দাবি, এই বাগানের সাফল্যের জন্য অ্যাঞ্জেলিনার বিশেষ কিছুই অবদান নেই। অর্থ এবং শ্রম দিয়ে সহধর্মিনীর মতো তিনি ব্র্যাডের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ব্র্যাডের সঙ্গে শাতো মিরাভালকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার।

    rnrn

    অ্যাঞ্জেলিনা নাকি ব্র্যাডকে না জানিয়েই নিজস্ব ব্যবসা পরিকল্পনা করছিলেন বিবাহ বিচ্ছেদের পর পরই। ২০১৯ সালে তাদের মধ্যে সব কিছু ভাগাভাগি হয়ে যায়, আইন অনুযায়ী একা মা হন জোলি। ৬ সন্তানের জননী অ্যাঞ্জেলিনা তখন সন্তানদের কাছে রাখা নিয়েও লড়ছিলেন। এ সময়ে যাবতীয় সম্পতিও দুই ভাগ হয়ে যায় ব্র্যাড আর জোলির মধ্যে। যদিও সন্তানেরা এখন থাকে মায়ের সঙ্গেই। 

    rnrn

    ২০১৬ সাল থেকে আলাদা থাকেন ব্র্যাড-জোলি। বহুল পরিচিত তারকাজুটির সামনে এবার আইনি জট। কে জিতবেন, তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন তাদের অনুরাগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যা হতে চেয়েছিলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

    অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, একজন সফল নারী, সফল অভিনেত্রী। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্ম হলেও এ অভিনেত্রীর শৈশব কেটেছে নিউইয়র্ক হ্যামলেটে। অভিনয়ে সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলার পরও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পরিচালক হতে চেয়েছিলেন চঞ্চল ও মারকুটে স্বভাবের জোলি। কৈশোর থেকেই মৃত্যু শব্দটির প্রতি মুগ্ধতা তাকে ও পথে নিতে চেয়েছিল। 

    rnrn

    পড়াশোনাও শুরু করেছিলেন সে বিষয়ে। কিন্তু কালের পরিক্রমায়, উত্তুঙ্গ স্বভাবের জোলি এক সময়ে হয়ে ওঠেন হলিউডের জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী। একাধিকবার তিনি নির্বাচিত হয়েছেন ‘বিশ্বের সেরা সুন্দরী’।

    rnrn

    ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে বনিবনা ছিল না তার। নিজের আবেগ অনুভূতির সঙ্গে প্রচণ্ড লড়াইয়ের পর সে সম্পর্কের শীতলতা কমিয়েছেন কিছুটা। নিজের জীবন নিয়ে খুব বড় স্বপ্নও দেখেননি এ অভিনেত্রী। কারণ, তিনি চেয়েছিলেন-জীবন চলুক তার নিজস্ব গতিতে। আর সেই গতিতে যতি টানতে পারেননি যৌবনের জোলি। 

    rnrn

    সামাজিক ব্যাধির সঙ্গে নিজেকে জড়ানোর বিরুদ্ধে লড়ে জয়ী হন তিনি। এমন কোনো ড্রাগ ছিল না, যা তিনি ব্যবহার করেননি। এখন সেই জোলিই খ্যাতি অর্জন করেছেন একজন মানবহিতৈষী আন্তর্জাতিক কর্মী। জাতিসংঘের দূত হয়ে কাজ করেছেন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শরণার্থীদের পক্ষে। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে গেছেন যুদ্ধ কিংবা দুর্যোগ পীড়িত মানুষের দুর্দশার গল্প শুনতে। এমনকি ২০১৯ সালে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেখতে বাংলাদেশেও এসেছিলেন তিনি।

    rnrn

    অভিনেত্রী হিসাবেও নিজের যোগ্যতাকে প্রমাণ দিয়ে পেয়েছেন চূড়ান্ত স্বীকৃতি। তিনবার গোল্ডেন গ্লোব, দুবার স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড এবং একবার একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন লাভ করেছেন। 

    rnrn

    ১৯৮২ সালে লুকিন’ টু গেট আউট চলচ্চিত্রে বাবা জন ভইটের সঙ্গে একটি শিশু চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ তার। তবে পেশাদার চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসাবে তার অভিষেক ঘটে স্বল্প বাজেটের ছবি সাইবর্গ ২-এ অভিনয়ের মাধ্যমে। তার অভিনীত প্রথম বড় মাপের ছবি হ্যাকারস (১৯৯৫)। 

    rnrn

    এ ছবিতে অভিনেতা জনি লি মিলারের বিপরীতে নামভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। ২০০১ সালে লার ক্রফ্ট : টম্ব রেইডার তার তারকাখ্যাতি আরও বাড়িয়ে দেয়। মূলত এরপর থেকেই জোলি হলিউডের অন্যতম ও সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত একজন অভিনেত্রী হিসাবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। 

    rnrn

    ব্যবসায়িকভাবে সফল তার অন্য ছবিগুলোর মধ্যে মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ, অ্যানিমেশন ছবি কুং ফু পান্ডা বিশেষভাবে স্মরণীয়।

    rnrn

    মানবহিতৈষী কর্মকাণ্ডেরও স্বীকৃতি পেয়েছেন জোলি। ২০০২ সালের আগস্টে তিনি চার্চ ওয়ার্ল্ড সার্ভিসেস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি প্রোগ্রামের দেওয়া প্রথম মানবহিতৌষী পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৩ সালে ইউনাইটেড নেশন্স করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন তাকে নতুন ঘোষিত পুরস্কার সিটিজেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করে। ২০০৫ সালে তিনি ইউএনএ-ইউএসএ কর্তৃক গ্লোবাল হিউম্যানিটেরিয়ান পুরস্কার পান।

    rnrn

    ব্যক্তিজীবনে জোলি তিনবার বিয়ে করেছেন। প্রথমবার অভিনেতা জনি লি মিলার, দ্বিতীয়বার বিলি বব থর্নটন ও তৃতীয়বার ব্রাড পিটের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন তিনি। কোনো সংসারই শেষমেশ আর টেকেনি।

    সেলিম কামাল