Tag: অস্ট্রেলিয়া

  • অস্ট্রেলিয়ার ১৯টি প্রেক্ষাগৃহে চলছে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, বিশেষ প্রদর্শনীতে ‘দম’

    দেশে সাফল্যের পর এবার আন্তর্জাতিক পর্দায় যাত্রা শুরু করেছে ঈদে মুক্তি পাওয়া আলোচিত দুই সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘দম’। 

    শুক্রবার (২৭ মার্চ) থেকে অস্ট্রেলিয়ার ১৯টি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে প্রদর্শিত হচ্ছে বনলতা এক্সপ্রেস। একই সময় দেশটির বিভিন্ন শহরে শুরু হয়েছে দম-এর বিশেষ প্রদর্শনী।

    নির্মাতা তানিম নূর পরিচালিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ অস্ট্রেলিয়ার ব্যাংকসটাউন, ক্যাম্পবেলটাউন ও ক্যারোসেলসহ মোট ১৯টি হলে চলছে বলে জানিয়েছে পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান বঙ্গজ ফিল্মস। মুক্তির চার দিনের মধ্যেই দেশে কোটি টাকার টিকিট বিক্রির রেকর্ড গড়া সিনেমাটি প্রবাসীদের মধ্যেও বেশ সাড়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী এপ্রিল থেকে এটি যুক্তরাজ্যেও মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

    তারকাবহুল এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম, শরিফুল রাজ, আজমেরী হক বাঁধন ও জাকিয়া বারী মমসহ আরও অনেকে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে, সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত ‘দম’ নিয়েও দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। ঈদের সিনেমাগুলোর মধ্যে প্রথম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে এই ছবিটির। ২৭ মার্চ ব্যাংকসটাউন হলে স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১৫ মিনিটে এর প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন বিকেল ৫টায় প্রসপেক্ট এবং ২৯ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় ওয়্যারিবি হলে সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল।

    ‘দম’-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো, পূজা চেরি এবং চঞ্চল চৌধুরী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সিডনিতে ভারতীয় সিনেমায় অভিনয়ে মুগ্ধ করলেন বাংলাদেশি রুপন্তি

    অস্ট্রেলিয়া-ভারত যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত আলি সায়েদ পরিচালিত ‘হিন্দি ভিন্দি’ সিনেমায় রিয়ানা চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অভিনেত্রী রুপন্তি আকিদ। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সিনেমাটি অস্ট্রেলিয়ায় মুক্তি পেয়েছে। সিডনিতে প্রথম দিনেই আলোচনায় আসে সিনেমা ‘হিন্দি ভিন্দি’। এ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন অভিনেত্রী। 

    রুপন্তির এ সাফল্যে সিডনির বাংলাদেশিরা গর্বিত। এখন সিডনিতে রয়েছেন বাংলাদেশের অভিনেতা মাজনুন মিজান। তিনি প্রিমিয়ার শোতে আমন্ত্রিত হয়ে সিনেমাটি দেখেছেন।  এ প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, ‘রুপন্তি আমাদের গর্ব। ও ভালো অভিনয় করে, তা আমি জানি। কিন্তু এ সিনেমায় ও আরও বেশি ছাড়িয়ে গেছে। তার এ সাফল্য আমাদের সবার জন্য অনুপ্রেরণা।’

    ‘হিন্দি ভিন্দি’ ভারতীয় উপমহাদেশের এক তরুণ কবিরকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে গল্প। চরিত্রটি করেছেন বলিউডের উদীয়মান তারকা মিহির আহুজা। কবির অস্ট্রেলীয় সংগীতশিল্পী। তার সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত। ভাষার বাধার কারণে তার নানির (নীনা গুপ্তা) সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। তবে একপর্যায়ে সংগীতের মাধ্যমে কবির ও তার নানির মধ্যে বন্ধন গড়ে ওঠে। আর কবিরেরই বন্ধু রিয়ানা চরিত্রে অভিনয় করেছেন রুপন্তি আকিদ। রিয়ানা বহু সাংস্কৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা একজন তরুণী। 

    রুপন্তি আকিদ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার সংগীত তারকা গাই সেবাস্টিয়ানও অভিনয় করেছেন এ সিনেমায়। এটাই তার অভিষেক চলচ্চিত্র। অস্ট্রেলিয়ার ‘চ্যানেল ৭’-এর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘সানরাইজ’-এ ‘হিন্দি ভিন্দি’ নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে সেবাস্টিয়ান বলেন, ‘আমার মা-ও ভারতীয় ছিলেন। তাই গল্পটি আমাকে স্পর্শ করে; সুযোগ পেতেই রাজি হয়ে যাই।’ ছবিটিতে তার সংগীতের পাশাপাশি অভিনয় দক্ষতাও দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। 

    এ সিনেমায় আরও দুই বাংলাদেশির উপস্থিতি সবার নজর কেড়েছে। পরিবেশক প্রধান হিসেবে কাজ করছেন তানিম মান্নান আর পোস্টার নকশা করেছেন সাজ্জাদুল ইসলাম সায়েম। তানিম মান্নান বলেন, ‘এ চলচ্চিত্রে বাংলাদেশি তিনজনের তিন মাত্রায় অংশগ্রহণ রয়েছে, এটা ভাবতেই ভালো লাগছে। রুপন্তির অভিনয় যেমন প্রশংসা কুড়াচ্ছে, তেমনি সায়েমের পোস্টার নকশাও প্রশংসিত হয়েছে।’

    অস্ট্রেলীয় প্রবাসী বাংলাদেশি প্রযোজক-সমাজকর্মী রইসুদ্দীন রাসেল বলেন, রুপন্তির অভিনয়ে একটি স্বাভাবিক দক্ষতা আছে। তিনি যে চরিত্রেই অভিনয় করেন, জীবন্ত হয়ে ওঠে। এ সিনেমায় তার অভিনয় দক্ষতা নতুনমাত্রা পেয়েছে। তিনি বলেন, শুধু একজন অভিনেত্রী নন, তিনি আমাদের সংস্কৃতির প্রতিনিধি। রুপন্তি আকিদের এ সাফল্য শুধু তার ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, দক্ষিণ এশীয় তরুণদের জন্য প্রেরণা হয়ে থাকবে।

    সিডনির স্থানীয় থিয়েটার ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দিয়ে রুপন্তি আকিদের অভিনয় যাত্রা শুরু। অস্ট্রেলিয়ার বহু সংস্কৃতির পরিবেশে নিজের প্রতিভাকে তিনি বিকশিত করেছেন। স্থানীয় থিয়েটার গ্রুপ ও কমিউনিটি আয়োজনে নিয়মিত অংশ নিয়ে সিডনির বাংলাদেশি ও দক্ষিণ এশীয় কমিউনিটির মধ্যে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

    উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে সাগর জাহানের আংটি দিয়ে নাটকে রুপন্তির যাত্রা শুরু। পরের দুই বছরে করেছেন মাহফুজ আহমেদের কেবলই রাত হয়ে যায়, হ্যালো বাংলাদেশ নামে দুটি নাটক। গত বছর শিহাব শাহীন পরিচালিত চরকির অরিজিনাল সিনেমা কাছের মানুষ দূরে থুইয়া-তে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন রুপন্তি। ‘হিন্দি ভিন্দি’ ছাড়াও বাংলাদেশের সরকারি অনুদানে নির্মিত সিনেমা বনলতা সেনের শুটিং শেষ করেছেন। সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন নির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছোট বোনের জন্মদিনে শাবনূরের অনন্য উপহার

    ছোট বোন ঝুমুরের গাওয়া গানে বড় বোন ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূরের একটি মিউজিক ভিডিও প্রকাশ হয়েছে। ঝুমুরের জন্মদিন উপলক্ষে গানটি সোমবার ঝুমুর মেলোডি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে। 

    গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি ভিডিওতে মডেলও হন ঝুমুর। গানটির সংগীত পরিচালনায় ছিলেন জে কে মজলিশ।

    ‘সুখ তুমি নিও, দুঃখ আমায় দিও’ গানটির ভিডিও বানিয়েছেন অভিনেত্রী শাবনূর। গত বছরের শেষদিকে তার কণ্ঠে একটি কাভার গান প্রকাশিত হয়েছে। মাসখানেকের ব্যবধানে এবার নতুন একটি গান প্রকাশিত হলো। 

    আর এর মধ্যদিয়েই নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিরছেন শাবনূর। ইউটিউবের মাধ্যমে এবার গান নিয়ে শ্রোতাদের কাছে ফিরতে উৎসাহিত করেছেন ছোট বোনকে। বর্তমানে তারা দুজনই অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে থাকেন।

    ঝুমুর জানান, ২০০৫ সালের দিকে গানটির ভিডিও বানানো হয়। তখন ভিডিওটি পরিচালনা করেন শাবনূর। গানটি এর আগে অন্য একটি ইউটিউব প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা হয়েছিল। এরপর গানটি সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় পর গানটি আবার প্রকাশ করা হলো। 

    তিনি জানান, শাবনূর এখন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে থাকেন। তিনিও পরিবার নিয়ে সেখানে থাকেন। তবে শখের বশে বিভিন্ন পারিবারিক আয়োজনে গান গেয়ে থাকেন।

    ঝুমুর বলেন, আমার স্মৃতিতে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে এই গানের শুটিংয়ের দিনের কথা। সারা দিন পরিচালনা নিয়ে অনেক ব্যস্ত ছিল শাবনূর, আমি ভারি গাউন পরে একটা দিন শুধু গানের ভিডিওতে কাজ করেই বুঝে গিয়েছিলাম- এসব আমার জন্য নয়। সেদিনই বুঝতে পেরেছিলাম, পর্দায় তারকাদের জীবন যতটা চাকচিক্যপূর্ণ মনে হয়, বাস্তবে তাদের প্রতিটা দিন অনেক বেশি পরিশ্রমের। আপুর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা সেদিন আরও অনেক বেশি বেড়ে গিয়েছিল।

    ২০০৫ সালে শাবনূরের উৎসাহেই ঝুমুরের গানে অভিষেক হয়েছিল। একই বছরে সাতটি বাংলা সিনেমায় গান গেয়েছিলেন ঝুমুর। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় চলে আসেন। একসময় শাবনূরও থিতু হন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। 

    গানের প্রসঙ্গে শাবনূর বলেন, এই গানের কথা আমার প্রায়ই মনে পড়ে। সিনেমার গানের দৃশ্যধারণ করতে করতে একসময় নিজেরও ইচ্ছা হয়, কোনো দিন যদি গানের ভিডিও ডিরেকশন দেওয়া যায়। সেই শখ পূরণ করে দিয়েছিল ঝুমুরই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সত্যজিতের সিনেমা দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান নির্মাতা ব্রুস

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে কলকাতায় চলছে ২৯তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এবারের উৎসবে থিম কান্ট্রি স্পেন ও স্পেশাল কান্ট্রি অস্ট্রেলিয়া।

    rnrn

    অস্ট্রেলিয়ারই কিংবদন্তি পরিচালক ব্রুস বেরেসফোর্ডকে উৎসবে বিশেষ সম্মান জানিয়ে তার ছয়টি সিনেমা দেখানো হচ্ছে। ব্রুসও হাজির উৎসবে।

    rnrn

    এক সংবাদ সম্মেলনে কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিকে তিনি জানিয়েছেন, প্রখ্যাত নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের অনেক ছবি তিনি দেখেছেন। তার মধ্যে একাধিক ছবি থেকে তিনি অনুপ্রাণিত।

    rnrn

    তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান খুব বেশি নয়। আমার দেশে বাংলা সিনেমা সেরকম দেখানো হয় না। তাই সত্যজিৎ রায় আর মৃণাল সেনের কিছু সিনেমা ছাড়া বাংলা সিনেমা দেখার সুযোগ খুব একটা পাইনি। কিন্তু বাংলা সংস্কৃতি এবং সেখানকার সিনেমা নিয়ে আমার জানার আগ্রহ বেশ। সত্যজিৎ আমাকে খুব টানে। তিনি অন্যতম সেরা পরিচালক। তার সিনেমা থেকে আমরা ভারতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে জেনেছি। হলিউড স্টাইলে তৈরি ভারতীয় সিনেমা আমি দেখতে চাই না। আমি এমন সিনেমা দেখতে চাই যেখানে ভারতের কথা বলা হবে।

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ভারতীয় অভিনেতা আমির খানের লগান আমি দেখেছি। সিনেমাটির অস্কার পাওয়া উচিৎ ছিল। আমি জানি না কেন সেটা থেকে তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

    rnrn

    জানা গেছে, কলকাতা উৎসবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একটি বিশেষ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যার মাধ্যমে ভারত আগামীতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে শুটিং করতে পারবে। একইভাবে অস্ট্রেলিয়াও কাজ করতে পারবে ভারতের সঙ্গে।

    আনন্দনগর ডেস্ক

  • অর্ধযুগ পর অস্ট্রেলিয়ায় নাজু আখন্দ

    ছয় বছর আগে অস্ট্রেলিয়ায় গান গাইতে গিয়েছিলেন সংগীতশিল্পী নাজু আখন্দ। এরপর বিভিন্ন দেশে গান করলেও অস্ট্রেলিয়ায় আর যাওয়া হয়নি। এবার আবারও সেই সুযোগ এসেছে।

    rnrn

    ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছেন গান গাইতে। দেশটির সিডনীতে দু’টি ও ক্যানভেরায় একটি স্টেজ শো’তে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন এ সংগীতশিল্পী। শো শেষে ৪ অক্টোবর দেশে ফিরবেন।

    rnrn

    এ প্রসঙ্গে নাজু আখন্দ বলেন, দেশের বাইরে আমি প্রথম শো করেছিলাম কাতারে। এরপর বহু দেশে গিয়েছি, গান পরিবেশন করেছি। চেষ্টা করেছি দেশের গানকে বেশি বেশি প্রমোট করার। অর্ধযুগ পর আবারো অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছি। কী যে ভালো লাগছে তা ভাষায় প্রকাশের নয়। ২০১৭ সালের স্মৃতি আজ চোখে ভাসছে। আমি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাকে অস্ট্রেলিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো যাবার সুযোগ করে দেবার জন্য। তবে কষ্ট একটাই, দেশ থেকে মিউজিশিয়ান নিয়ে যেতে পারছি না। অস্ট্রেলিয়ার মিউজিশিয়ানদের সঙ্গেই আমাকে গাইতে হবে।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • জিয়াউর রহমানকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান সঙ্গীত শিল্পীর গান

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে গান গেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান সঙ্গীত শিল্পী অ্যাশলে। ভয়েস ফর বাংলাদেশ ডেমোক্রেসি অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে এ গান পরিবেশিত হয়েছে।

    জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে নির্মমভাবে প্রাণ হারান। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। 

    সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে গানের মাধ্যমে তার কথা স্মরণ করে গানটি বাংলাদেশের জনগণকে উৎসর্গ করেন।

    অস্ট্রেলিয়ান সঙ্গীত শিল্পী অ্যাশলের কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইয়ের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতা পরবর্তী অস্থির সময়ে জিয়াউর রহমান একজন শক্তিসম্পন্ন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছেন। জিয়াউর রহমান স্পষ্ট কণ্ঠে জনগণের ক্ষমতায়নের ঘোষণা প্রদান করে তা বাস্তবায়িত করেছেন তার অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে। জিয়াউর রহমান বাঙ্গালী জাতির স্বাধীনটা পরবর্তী স্বপ্নগুলো বাস্তবে পরিণত করেছেন তাঁর নিরলস পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে যা এখনো বহির্বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে রাখে। 

    এই বিষয়ে ভয়েস ফর বাংলাদেশ ডেমোক্রেসি অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়াস মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান হচ্ছেন বাংলাদেশের আইকন। তাঁর পথনির্দেশনা আমাদের আজকে এই চরম দুর্ভোগের সময় আশার আলো জ্বালায়। তিনি আমাদের পথনির্দেশনা দিয়ে গেছেন কিভাবে গণতন্ত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হয়। 

    ভয়েস ফর বাংলাদেশ ডেমোক্রেসি অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়াস মাহমুদ আরও বলেন, একটি স্বাধীন দেশের মানুষ মতপ্রকাশের অধিকার পায় ভোটের মাধ্যমে, কিন্তু সেই অধিকার এই দেশ থেকে কেড়ে নিয়েছে বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকার। এই সরকার যত দিন ক্ষমতায় আছে, তত দিন শুধু ভোট নয়, খাদ্য, জীবন, জ্বালানি কোনো কিছুরই নিরাপত্তা নেই। 

    ভয়েস ফর বাংলাদেশ ডেমোক্রেসি অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়াস মাহমুদ খালেদা জিয়ার শারীরিক সুস্থতার জন্য দেশবাসীর প্রতি দোয়া করার আবেদন জানান। এবং তাঁর মুক্তির জন্য সোচ্চার হতে বাংলাদেশের জনগণের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।

    গানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আরও ছিলেন মোহাম্মাদ রাশেদুল হক (সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি), মোহাম্মাদ খাইরুজ্জামান লিঙ্কন (আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী যুবদল, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি), শফিকুল ইসলাম রিবলু (সাবেক সহ-সভাপতি, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, সদস্য-যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটি)। 

    যুগান্তর ডেস্ক

  • শাকিবের অস্ট্রেলিয়া-কাণ্ডে এবার মুখ খুললেন সেই ভুক্তভোগী নারী

    ঢালিউডে সম্প্রতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন নায়ক শাকিব খানের অস্ট্রেলিয়া-কাণ্ড। সহ-অভিনেত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই প্রযোজক রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকির অভিযোগে বাদী হয়ে মামলা করেছেন শাকিব। 

    পরে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন তিনি। এবার ধর্ষণ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন ভুক্তভোগী ওই নারী।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আমার প্রসঙ্গ টেনে আমার হয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, সেই সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। সিনেমাটি সম্পূর্ণ করা হবে কিনা, তা নিয়েও আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’

    নিজের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কাউকে কথা বলার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলেও জানান বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ওই নারী। তার কথায়, ‘আমার ব্যক্তিগত ঘটনা নিয়ে যেসব কথা হচ্ছে, তার জন্য আমি কাউকে অনুমতি দিইনি। এমনকি এই প্রসঙ্গ নিয়ে যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা-ও আমি জানতাম না। ২০১৬ সালের অভিযোগটি এখনো তদন্তাধীন। কী করব, তা ভবিষ্যতে বিবেচনা করব। এখন আমি এসব নিয়ে ভাবছি না।’

    বৃহস্পতিবার মামলার অভিযোগে শাকিব খান উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট সিনেমার শুটিং করতে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় যান। এর পর জানতে পারেন ভিসা জটিলতায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’-এর শুটিং করতে অস্ট্রেলিয়া আসতে পারেননি নায়িকা শিবা আলী খান। তার জায়গায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক এক নারীকে নায়িকা হিসেবে তার সঙ্গে অভিনয় করার জন্য অনুরোধ করেন রহমত উল্লাহ। নিজের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে তার সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেন তিনি।

    এর পর রহমত উল্লাহ তাকে ফাঁদে ফেলার জন্য এক গভীর ষড়যন্ত্রের নীলনকশা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় আসামি বাদীর (শাকিব খান) সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে বাদীকে রিফ্রেশমেন্টের জন্য একটি নামিদামি ক্লাবে নেওয়ার প্রস্তাব করলে বাদী রাজি হয়ে যান। ক্লাবে খাওয়া-দাওয়াসহ বিভিন্ন প্রকার পানীয় পান করেন বাদী। পথে তিনি বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে অজ্ঞান হয়ে যান। এরপর ওই নারীর সহযোগিতায় শাকিব হোটেলে ফিরেন।

    বিনোদন ডেস্ক