Tag: অস্কার

  • অবশেষে ভারতে মুক্তি পাচ্ছে অস্কার মনোনীত সেই সিনেমা

    একটি বড়সড় ও নাটকীয় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ভারতীয় সেন্সর বোর্ড অবশেষে অস্কার মনোনীত এবং রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল চলচ্চিত্র ‘দ্য ভয়েস অব হিন্দ রজব’-কে ভারতে প্রদর্শনের অনুমতি দিয়েছে। এর আগে গত মার্চ মাসে ছবিটির মুক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল দেশটি। 

    চলচ্চিত্রটির ওপর থেকে সেন্সরশিপের এই বাধা সরে যাওয়ার পর মুম্বাইভিত্তিক পরিবেশক সংস্থা ‘জয় বিরাত্রা এন্টারটেইনমেন্ট’ নিশ্চিত করেছে যে, আগামী ১৯ জুন সারা ভারতজুড়ে এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। 

    গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গাড়ির ভেতর আটকে পড়ে পরবর্তীতে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ৫ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি শিশু ‘হিন্দ রজব’-এর বাস্তব ও হৃদয়বিদারক ঘটনা নিয়ে নির্মিত হয়েছে এই সিনেমাটি। সপ্তাহব্যাপী তীব্র বিতর্কের পর, ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন সিনেমাটিকে কোনো প্রকার কাটছাঁট ছাড়াই প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ‘এ’ সার্টিফিকেট দিয়ে ছাড়পত্র দিয়েছে। 

    কেন প্রথমে আটকে দেওয়া হয়েছিল?

    জয় বিরাত্রা এন্টারটেইনমেন্টের প্রধান মনোজ নন্দওয়ানা জানান, তিনি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই সেন্সর বোর্ডের কাছে সিনেমাটি জমা দিয়েছিলেন এবং ৬ মার্চ এটি ভারতে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সে সময় সেন্সর বোর্ডের একজন সদস্য তাকে মৌখিকভাবে জানান যে—সিনেমাটি মুক্তি পেলে তা ভারতের সঙ্গে ইসরাইলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ফাটল ধরাতে পারে।

    উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষভাগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইসরাইল সফর করেন। গত ২৫ বছরের মধ্যে কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এটাই ছিল প্রথম ইসরাইল সফর, যেখানে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। 

    এই সফরটি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে হলেও, এটি ভারতের দীর্ঘদিনের ফিলিস্তিনপন্থী পররাষ্ট্রনীতি থেকে সরে আসার একটি বড় রাজনৈতিক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সেন্সর বোর্ডের এই আপত্তির জবাবে মনোজ নন্দওয়ানা ‘ভ্যারাইটি’-কে বলেছিলেন, ‘আমি তাদের বলেছিলাম, ভারত-ইসরাইল সম্পর্ক এতটা দুর্বল নয় যে একটা সিনেমা তা ভেঙে দেবে। তাছাড়া এই ছবি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি ও ফ্রান্সের মতো দেশেও মুক্তি পেয়েছে, যাদের সঙ্গে ইসরাইলের অত্যন্ত সুদৃঢ় কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।’ 

    সিনেমাটি কোনো কর্তন ছাড়া ছাড়পত্র পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করে জয় বিরাত্রা এন্টারটেইনমেন্ট মঙ্গলবার (২ জুন) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আমরা সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশনের প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, সিনেমা হলো গল্পবলা, সংলাপ সৃষ্টি এবং মানুষের বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতাকে বোঝার এক শক্তিশালী মাধ্যম। বোর্ড যেভাবে সিনেমাটির গুরুত্ব অনুধাবন করে এটি মুক্তির পথ সুগম করেছে, তা প্রশংসনীয়।’ 

    বিবৃতিতে তারা ভারতের গণমাধ্যমকর্মী, চলচ্চিত্র জগতের সহকর্মী, নির্মাতা ও কলাকুশলীদের প্রতিও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন, যারা এই সেন্সরশিপের লড়াইয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঝড় তোলা ‘দ্য ভয়েস অব হিন্দ রজব’ 

    কাউথার বেন হানিয়া পরিচালিত এই সিনেমাটি গত সেপ্টেম্বর মাসে ‘ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এ ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারের সময় উপস্থিত দর্শকদের কাছ থেকে ২০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে টানা করতালির মাধ্যমে ভূয়সী প্রশংসা কুড়ায়। পরবর্তীতে চলচ্চিত্রটি উৎসবের মর্যাদাপূর্ণ ‘সিলভার লায়ন’ পুরস্কারও জিতে নেয়। 

    হলিউডের বড় বড় পরিবেশক সংস্থাগুলো রাজনৈতিক স্পর্শকাতরতার কারণে শুরুতে পিছু হটলেও, শেষ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছবিটির সহ-প্রযোজনা অংশীদার ‘উইলা’-এর মাধ্যমে এটি সফলভাবে মুক্তি পায়। 

    সূত্র: ভ্যারাইটি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনয় ও চিত্রনাট্যে এআই নিষিদ্ধ করল অস্কার

    বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘অস্কার’-এর মঞ্চে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর দাপট রুখে দিতে কঠোর অবস্থান নিল অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস। 

    শুক্রবার (১ মে) এক যুগান্তকারী ঘোষণায় অ্যাকাডেমি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, অস্কারের জন্য যোগ্য হতে হলে অভিনয় ও চিত্রনাট্যের পেছনে অবশ্যই মানুষের সরাসরি সৃজনশীলতা থাকতে হবে।

    মানুষ বনাম মেশিন: কী বলছে নতুন নিয়ম? 

    চলচ্চিত্র শিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাকাডেমি তাদের যোগ্যতার শর্তাবলী বা এলিজিবিলিটি রুলসে পরিবর্তন এনেছে। 

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো অভিনয়কে অস্কারের জন্য মনোনীত হতে হলে তা অবশ্যই ‘সরাসরি মানুষের দ্বারা প্রদর্শিত’ হতে হবে। কৃত্রিমভাবে তৈরি কোনো ডিজিটাল অভিনেতা বা এআই দিয়ে নির্মিত কোনো চরিত্র অভিনয়ের জন্য বিবেচিত হবে না।

    সিনেমার স্ক্রিপ্ট বা চিত্রনাট্য অবশ্যই ‘মানুষের দ্বারা রচিত’ হতে হবে। এআই-এর তৈরি কোনো গল্প বা সংলাপ মৌলিক বা অভিযোজিত চিত্রনাট্য বিভাগে পুরস্কারের অযোগ্য বলে গণ্য হবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি সিনেমা জগতে এআই-এর ব্যবহার নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালে প্রয়াত হওয়া জনপ্রিয় অভিনেতা ‘ভ্যাল কিলমার’-এর ডিজিটাল সংস্করণকে একটি নতুন সিনেমার প্রধান চরিত্রে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগটি এ বিতর্কে ঘি ঢেলেছে। 

    এছাড়াও গত বছর অভিনেতা ও কমেডিয়ান এলিন ভ্যান ডার ভেলডেন একজন সম্পূর্ণ ‘ভুয়া’ এআই অভিনেতা তৈরি করে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। অ্যাকাডেমির এ নতুন নিয়ম মূলত এ ধরনের কৃত্রিম সৃষ্টিকে মানুষের মেধার সমকক্ষ হওয়া থেকে বিরত রাখবে।

    তবে অ্যাকাডেমি ছবি তৈরির অন্যান্য ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট বা সম্পাদনার মতো ক্ষেত্রে এআই-এর ব্যবহার মনোনয়নের ক্ষেত্রে কোনো বাধা হবে না। 

    অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘এ ধরনের প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম কোনো সিনেমার মনোনয়নের সম্ভাবনা বাড়াবেও না, আবার কমাবেও না। প্রতিটি শাখা বিচার করবে যে সৃজনশীল কাজের মূলে মানুষ কতটা সক্রিয় ছিল।’

    সতর্কবার্তা ও স্বচ্ছতা 

    অ্যাকাডেমি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে যে, যদি কোনো সিনেমার ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন ওঠে, তবে তারা সেই সিনেমার নির্মাণ প্রক্রিয়া এবং মানুষের অবদানের গভীরতা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় তথ্য তলব করার অধিকার রাখে।

    উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশক থেকে সিজিআই প্রযুক্তির ব্যবহার সিনেমার অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও অ্যাকাডেমি মনে করে সিজিআই হলো মানুষের দ্বারা পরিচালিত একটি শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া। 

    পক্ষান্তরে, এআই কেবল একটি প্রম্পটের মাধ্যমে মানুষের কাজকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, যা সৃজনশীলতার মৌলিক সংজ্ঞার পরিপন্থি। 

    সূত্র: বিবিসি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৯৯ ও ১০০তম অস্কার আসরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত

    অস্কার প্রেমীদের জন্য বড় ঘোষণা নিয়ে এলো অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস। ‘ভ্যারাইটি’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসন্ন ৯৯ ও ১০০তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কার অনুষ্ঠানের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    ঘোষণা অনুযায়ী, ৯৯তম অস্কারের আসর অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ১৪ মার্চ। এর পরের বছর অর্থাৎ ২০২৮ সালে অস্কারের শততম আসর বসবে মার্চের ৫ তারিখে। দুটি অনুষ্ঠানই হলিউডের ডলবি থিয়েটার থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে। বিশ্বের ২০০টিরও বেশি অঞ্চলে এটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

    এবারের ঘোষণার সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো সম্প্রচার মাধ্যম এবং ভেন্যু পরিবর্তন। ২০২৯ সাল থেকে অস্কার আর এবিসি চ্যানেলে দেখা যাবে না; দীর্ঘদিনের এই যাত্রা শেষ করে সম্প্রচার চলে যাবে ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে। এছাড়া ২০২৯ সাল থেকে পরবর্তী এক দশকের জন্য অনুষ্ঠানটি ডলবি থিয়েটার থেকে সরিয়ে পিকক থিয়েটারে স্থানান্তর করার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে অ্যাকাডেমি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অবশ্য অস্কার হাতছাড়া হলেও এবিসি তাদের বড় ইভেন্টের তালিকায় নতুন সংযোজন এনেছে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারা গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস এবং সুপার বোল ৬১ সম্প্রচার করবে।

    উল্লেখ্য, সর্বশেষ অস্কারে দর্শক সংখ্যা ছিল প্রায় ১৭.৮৬ মিলিয়ন, যা আগের বছরের ১৯.৭ মিলিয়নের তুলনায় কিছুটা কম। আসন্ন এই দুটি আসরের জন্য সঞ্চালকের নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হলিউড ছাড়ছে অস্কার, শতবর্ষ উদযাপনের পর নতুন গন্তব্য কোথায়?

    বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর ‘অস্কার’ তার দীর্ঘদিনের ঠিকানা হলিউড ছেড়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় জানিয়েছে, ২০২৮ সালে শততম আসর উদযাপনের পর এই আয়োজন হলিউড থেকে সরিয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রাণকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে।

    জানা গেছে, ২০২৯ সালের ১০১তম আসর থেকে পরবর্তী অনুষ্ঠানগুলো অনুষ্ঠিত হবে লস অ্যাঞ্জেলেসের বিখ্যাত ‘এলএ লাইভ’ কমপ্লেক্সের পিকক থিয়েটারে। এটি ক্রিপ্টো ডটকম অ্যারেনার পাশেই অবস্থিত।

    এ বিষয়ে একাডেমি এবং বিনোদন সংস্থা এইজি-এর মধ্যে ১০ বছরের একটি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    ডলবি থিয়েটার যুগের অবসান 

    ২০০২ সাল থেকে অস্কারের নিয়মিত ভেন্যু ছিল হলিউড ওয়াক অব ফেমের ডলবি থিয়েটার। ১৯২৯ সালে প্রথম অস্কার যেখানে দেওয়া হয়েছিল (রুজভেল্ট হোটেল), ডলবি থিয়েটারটি তার খুবই কাছে ছিল। ২০২৮ সালের পর এই দীর্ঘ ঐতিহ্যের ইতি ঘটবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই চুক্তির ফলে সম্প্রচার মাধ্যমেও বড় পরিবর্তন আসবে। টেলিভিশন নেটওয়ার্কের যুগ পেরিয়ে অস্কার এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করছে। নতুন এই চুক্তির অধীনে অস্কারের অনুষ্ঠানটি এখন থেকে ইউটিউবে বিশ্বব্যাপী সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

    তবে হলিউড অস্কারের সমার্থক মনে হলেও, অতীতেও এই অনুষ্ঠান বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত হয়েছে। ১৯৬০-এর দশকে সান্তা মনিকা বিচের পাশে এবং এর আগে ডাউনটাউন এলাকার বিভিন্ন ভেন্যুতেও অস্কার অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    এদিকে গত ১৫ মার্চ অস্কারের ৯৮তম আসর অনুষ্ঠিত হয়। এই আসরে পল থমাস অ্যান্ডারসনের ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নেয়। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অস্কারের বদলে ইউক্রেনকে বেছে নিলেন শন পেন

    ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের আসরে যখন ‘সেরা পার্শ্ব অভিনেতা’ হিসেবে শন পেন-এর নাম ঘোষণা করা হলো, তখন পুরো ডলবি থিয়েটার করতালিতে মুখর। কিন্তু মঞ্চে পুরস্কার গ্রহণ করার জন্য তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

    সঞ্চালক কাইরান কুলকিন মজা করে তার হয়ে পুরস্কারটি গ্রহণ করলেও, সবার মনেই প্রশ্ন ছিল—ক্যারিয়ারের এমন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে শন পেন কোথায়?

    অবশেষে সেই রহস্যের জট খুলল। হলিউডের চোখ ধাঁধানো আলো ছেড়ে ৬৫ বছর বয়সি এই অভিনেতা তখন অবস্থান করছিলেন যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে।

    অস্কারের বদলে ইউক্রেন 

    অস্কার অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা পরেই একটি ভিডিও প্রকাশ পায়, যেখানে দেখা যায় শন পেন কিয়েভের সেন্ট্রাল স্টেশনে ট্রেন থেকে নামছেন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে অপারেটর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি শেয়ার করে জানায়, ‘এখন আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বলতে পারি- শন পেন অস্কারের বদলে ইউক্রেনকে বেছে নিয়েছেন!’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নিরাপত্তার স্বার্থে তার এই সফরটি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গোপন রাখা হয়েছিল। পরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তার সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবি টেলিগ্রামে শেয়ার করে অভিনেতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জেলেনস্কি লেখেন, ‘শন, আপনাকে ধন্যবাদ। যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই আপনি ইউক্রেনের পাশে আছেন।’

    পল থমাস অ্যান্ডারসনের ‘ওয়ান ব্যাটেল আফটার অ্যানাদার’ সিনেমায় একজন উন্মাদের মতো লক্ষ্যস্থির সেনা কর্নেলের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শন পেন সেরা পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন। এটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় অস্কার। এর আগে তিনি ‘মিস্টিক রিভার’ এবং ‘মিল্ক’ সিনেমার জন্য দুইবার সেরা অভিনেতার অস্কার জিতেছিলেন।

    এই জয়ের মাধ্যমে তিনি পুরুষ অভিনেতাদের মধ্যে ড্যানিয়েল ডে-লুইস, জ্যাক নিকলসন এবং ওয়াল্টার ব্রেনানের পর চতুর্থ ব্যক্তি, যিনি তিনটি অস্কার জয়ের রেকর্ড ছুঁয়েছেন।  অস্কারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চারটি পুরস্কার জিতে শীর্ষে আছেন অভিনেত্রী ক্যাথরিন হেপবার্ন।

    প্রসঙ্গত, শন পেনের জন্য এটিই প্রথম ইউক্রেন সফর নয়। গত দুই বছরে তিনি বেশ কয়েকবার দেশটি সফর করেছেন। এমনকি ২০২২ সালে সংহতি-স্বরূপ নিজের একটি অস্কার পুরস্কার প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে ধার দিয়েছিলেন তিনি। রাশিয়ার আক্রমণ নিয়ে একটি তথ্যচিত্রও তৈরি করেছেন পেন, যা ২০২৩ সালে প্রিমিয়ার হয়েছিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জৌলুসপূর্ণ অস্কারের পর নোংরা থিয়েটার, বিতর্কের মুখে হলিউড তারকারা

    জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্দা নেমেছে ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের। বাংলাদেশের স্থানীয় সময় সোমবার (১৬ মার্চ) লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে বিশ্ব চলচ্চিত্রের এই মহোৎসবে সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেছে পল থমাস অ্যান্ডারসনের ‘ওয়ান ব্যাটেল আফটার অ্যানাদার’।

    তবে পুরস্কারের জৌলুস ছাপিয়ে অনুষ্ঠানের পর ডলবি থিয়েটারের ভেতরের একটি ছবি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

    চলতি বছরের অস্কারে সবচেয়ে বেশি সাফল্যের হাসি হেসেছে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও অভিনীত সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটেল আফটার অ্যানাদার’। ১৩টি ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়ে সিনেমাটি সেরা চলচ্চিত্র, সেরা পরিচালক সহ মোট ৬টি অস্কার নিজের ঝুলিতে পুরেছে।

    অন্যদিকে আসরের সর্বোচ্চ ১৬টি মনোনয়ন পেয়ে দৌড় শুরু করা রায়ান কুগলারের ‘সিনার্স’ জিতেছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪টি পুরস্কার। এই সিনেমার মাধ্যমেই ক্যারিয়ারের প্রথম ‘সেরা অভিনেতা’র অস্কার ঘরে তুলেছেন মাইকেল বি জর্ডান। এছাড়া গুইলারমো দেল তোরোর ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’ জিতেছে ৩টি অস্কার।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নোংরা থিয়েটার নিয়ে নেটিজেনদের ক্ষোভ 

    তবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর ভিন্ন একটি বিষয় নিয়ে নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, রাজকীয় ডলবি থিয়েটারের মেঝে পপকর্ন, প্লাস্টিকের বোতল আর খাবারের প্যাকেটে সয়লাব হয়ে আছে। হলিউডের প্রভাবশালী তারকাদের এমন ‘অপরিচ্ছন্ন’ আচরণ দেখে সমালোচনায় ফেটে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

    এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন হলিউড তারকারা। অনলাইনে এ বিষয়ে ব্যবহারকারীদের কিছু মন্তব্য ছিল অত্যন্ত তীক্ষ্ণ। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যেসব তারকারা নিয়মিত পরিবেশ রক্ষার ভাষণ দেন, তাদের ‘পরিবেশ সচেতনতা’ থিয়েটারের ভেতরে কোথায় ছিল?

    বছরের সেরা সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটেল আফটার অ্যানাদার’-এর নাম নিয়ে ব্যঙ্গ করে একজন লিখেছেন, থিয়েটারের অবস্থা দেখে একে ‘ওয়ান বটল আফটার অ্যানাদার’ (একের পর এক বোতল) বলাই শ্রেয়।

    কারো কারো কথায় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, এই জঞ্জাল পরিষ্কার করার জন্য পরিচ্ছন্নতা কর্মীদেরই আসলে অস্কার দেওয়া উচিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘শেক্সপিয়ারের স্ত্রী’ হয়ে অস্কার জয় অভিনেত্রী জেসি বাকলির

    ২০২৬ সালে ইতিহাস গড়লেন আইরিশ অভিনেত্রী জেসি বাকলি। হ্যামনেট সিনেমায় উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করে জিতে নিয়েছেন অস্কারে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। ৯৮তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তার ‘উইনিং স্পিচে’ মুগ্ধ সামাজিক মাধ্যমের নেটিজেনরা। ইতোমধ্যে ভাইরাল সেই বক্তব্য ছুঁয়ে গেছে অসংখ্য মানুষের হৃদয়।

    হ্যামনেট সিনেমায় জেসি বাকলি অভিনয় করেছেন শেক্সপিয়ারের স্ত্রীর ভূমিকায়। এ সিনেমার গল্প মূলত উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের পুত্র হ্যামনেটের মৃত্যু এবং তার পরবর্তী পর্যায়ে দম্পতির জীবন নিয়ে। পরিচালনা করেছেন ক্লোই চাও। সিনেমাটি ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছে সমালোচক মহলেও। ম্যাগি ও’ফ্যারলের ২০২০ সালে প্রকাশিত উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি এ সিনেমার চিত্রনাট্য যৌথভাবে লিখেছেন চাও এবং ও’ফ্যারল। অস্কারে একাধিক বিভাগে মনোনয়নও পেয়েছিল সিনেমাটি।

    পুরস্কার জিতে অস্কারের মঞ্চে খানিকটা আবেগী হয়ে পড়েন হলিউড এ অভিনেত্রী। অস্কারের মঞ্চ থেকেই নিজের পরিবার, সহ-মনোনীত অভিনেত্রী এবং সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানান বাকলি। বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তার স্বামী ফ্রেড সোরেনসেনের প্রতি। দম্পতির মাত্র আট মাসের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জেসি বলেন, ‘আজ ইউকেতে মাতৃ দিবস পালিত হচ্ছে। তাই আমি এই পুরস্কারটি উৎসর্গ করতে চাই সব মায়েদের। আমরা সবাই এমন এক নারীসমাজের উত্তরসূরি, যারা অসংখ্য বাধা সত্ত্বেও সৃষ্টি করে চলেছেন। এই চরিত্রে আমাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।’

    মঞ্চ থেকেই স্বামীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। তার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘তুমি অসাধারণ একজন বাবা, তুমি আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু। তোমার সঙ্গে আমি আরও ২০ হাজার সন্তান চাই।’ এতেই হাসির রোল ওঠে গোটা হলজুড়ে। সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে এ মুহূর্তে ভাইরাল অভিনেত্রীর সেই বক্তব্য। 

    জেসি বাকলির এই জয় আইরিশ চলচ্চিত্র জগতকেও গৌরবান্বিত করেছে। হ্যামনেট সিনেমায় তার শক্তিশালী অভিনয় ইতোমধ্যে গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা ক্রিটিকস চয়েসের মতো পুরস্কার জিতেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অস্কার মঞ্চে ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান

    বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস-এর ৯৮তম আসরে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে আলোচনায় এসেছেন স্প্যানিশ অভিনেতা হাভিয়ের বারদেম।

    স্থানীয় সময় রোববার (১৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে ডলবি থিয়েটার-এ অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে পুরস্কার দিতে মঞ্চে উঠে তিনি ফিলিস্তিনের মুক্তির পক্ষে এবং যুদ্ধের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। এ সময় তার সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন ভারতীয় অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া।

    সেরা আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগের পুরস্কার দেওয়ার জন্য মঞ্চে আসেন তারা। তখন বারদেমের পোশাকে ‘নো টু ওয়ার’ (যুদ্ধ নয়) লেখা একটি পিন দেখা যায়। 

    পুরস্কার ঘোষণার আগে তিনি বলেন, ‘সে নো টু ওয়ার অ্যান্ড ফ্রি প্যালেস্টাইন’—অর্থাৎ যুদ্ধকে না বলুন এবং ফিলিস্তিনকে মুক্ত করুন।

    তার এই বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান। পরে তারা নরওয়ের চলচ্চিত্র সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু-কে সেরা আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মঞ্চে ওঠার আগেও রেড কার্পেটে দাঁড়িয়ে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান তুলে ধরেন বারদেম। সেখানে ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিশেষ প্যাচ লাগানো পোশাক পরে তিনি ছবি তোলেন।

    অনুষ্ঠানের সঞ্চালক কোনান ও’ব্রায়েন)উদ্বোধনী বক্তব্যে বর্তমান বিশ্বের অস্থির পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সিনেমা কেবল বিনোদন নয়, বরং এটি বিশ্বজুড়ে শৈল্পিক ঐক্য ও আশাবাদের প্রতীক। এবারের আসরে বিশ্বের ৩১টি দেশের চলচ্চিত্র অংশ নেয়।

    এদিকে এবারের অস্কারে সর্বোচ্চ ছয়টি বিভাগে পুরস্কার জিতেছে পল থমাস অ্যান্ডারসন পরিচালিত ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। ছবিটি সেরা চলচ্চিত্র ও সেরা পরিচালনাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে।

    এছাড়া রায়ান কুগলার পরিচালিত ‘সিনার্স’ চারটি এবং গিয়ের্মো দেল তোরো নির্মিত ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’ তিনটি বিভাগে অস্কার জিতেছে।

    অন্যদিকে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন মাইকেল বি. জর্ডান এবং সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন জেসি বাকলি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অস্কারের মঞ্চে সেরা পরিচালক পল থমাস অ্যান্ডারসন

    হলিউডের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস-এর ৯৮তম আসরে সেরা পরিচালকের অস্কার জিতেছেন পল থমাস অ্যান্ডারসন। তিনি এই পুরস্কার পেয়েছেন ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ চলচ্চিত্রের জন্য।

    স্থানীয় সময় রোববার (১৫ মার্চ) অনুষ্ঠিত অস্কারের এবারের আসরে এটি অ্যান্ডারসনের দ্বিতীয় অস্কার। এর আগে একই সন্ধ্যায় তিনি সেরা অ্যাডাপ্টেড চিত্রনাট্যের পুরস্কারও জিতেছেন। তবে সেরা পরিচালকের বিভাগে এবারই প্রথম অস্কার পেলেন তিনি।

    এর আগে তিনি সেরা পরিচালকের বিভাগে তিনবার মনোনয়ন পেয়েছিলেন—দেয়ার উইল বি ব্লাড, ফ্যান্টম থ্রেড এবং লিকোরিস পিজা চলচ্চিত্রের জন্য।

    পুরস্কার গ্রহণের সময় অ্যান্ডারসন বলেন, ‘মনের ভেতর সব সময় কিছুটা সন্দেহ থাকে—আপনি সত্যিই এটি পাওয়ার যোগ্য কি না। তবে এটি নিজের হাতে পাওয়ার আনন্দ নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই।’

    তিনি আরও বলেন, ‘মানুষের বিশ্বাসের কারণেই আমি এখানে। তারা আমাকে তাদের সময় ও আস্থা দিয়েছে। একটি চলচ্চিত্র দলের সঙ্গে কাজ করার সবচেয়ে বড় আনন্দ হলো একসঙ্গে থাকা। এই পুরস্কার সত্যিই দারুণ উপহার। চলচ্চিত্রকেই আমি আমার ঘর বলতে পেরে খুব খুশি।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ৫৫ বছর বয়সি অ্যান্ডারসন এবার সেরা পরিচালকের বিভাগে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে এই পুরস্কার জেতেন। তাদের মধ্যে ছিলেন রায়ান কুগলার – সিনার্স, ক্লোয়ি ঝাও– হ্যামনেট, জশ স্যাফডি–মার্টি সুপ্রিম এবং ইয়োয়াকিম ত্রিয়ার –সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু।

    ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ চলচ্চিত্রটি মূলত লেখক থমাস পিঞ্চন-এর ১৯৯০ সালের উপন্যাস ভাইনল্যান্ড-এর ঢিলেঢালা রূপান্তর। এতে হলিউড তারকা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও একজন সাবেক বিপ্লবীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তার কিশোরী মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন চেজ ইনফিনিটি।

    এই চলচ্চিত্রের জন্য অ্যান্ডারসন ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার জিতেছেন। এর মধ্যে রয়েছে বাফটা অ্যাওয়ার্ডস, গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস এবং ডিরেক্টরস গিল্ড অব আমেরিকা অ্যাওয়ার্ডসে সেরা পরিচালকের সম্মান।

    পল থমাস অ্যান্ডারসনের উল্লেখযোগ্য অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে বুগি নাইটস, ম্যাগনোলিয়া, পাঞ্চ-ড্রাঙ্ক লাভ, দ্য মাস্টার এবং ইনহেরেন্ট ভাইস।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অস্কারে সেরা অভিনেতা জর্ডান, অভিনেত্রী জেসি

    হলিউডের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস-এর ৯৮তম আসরে সেরা অভিনেতা হয়েছেন মাইকেল বি. জর্ডান এবং সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন জেসি বাকলি।

    রোববার (১৫ মার্চ) অনুষ্ঠিত এই জমকালো আয়োজনে সেরা ছবির পুরস্কার জিতেছে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। পল থমাস অ্যান্ডারসন পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার এই চলচ্চিত্রটি মোট ছয়টি অস্কার জিতে নেয়। এর মধ্যে রয়েছে সেরা ছবি, সেরা পরিচালক, সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, সেরা সম্পাদনা, সেরা অ্যাডাপ্টেড চিত্রনাট্য এবং প্রথমবারের মতো চালু হওয়া সেরা কাস্টিং বিভাগ।

    পুরস্কার গ্রহণের সময় অ্যান্ডারসন মজা করে বলেন, এর আগে তিনি ১৪ বার অস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘একটি অস্কার পেতে একজনকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়, এজন্য আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।’

    এদিকে ‘সিনার্স’ ছবিতে যমজ চরিত্র ‘স্মোক’ ও ‘স্ট্যাক’-এর ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন মাইকেল বি. জর্ডান। পুরস্কার গ্রহণের সময় তিনি তার আগে পথ তৈরি করে দেওয়া কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে ‘হ্যামনেট’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন জেসি বাকলি।

    এবারের আসরে ‘সিনার্স’ ছবিটিও চারটি পুরস্কার জিতে আলোচনায় আসে। ছবিটির সিনেমাটোগ্রাফার অটাম ডুরাল্ড আরকাপাও অস্কারের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে সেরা সিনেমাটোগ্রাফির পুরস্কার জিতে ইতিহাস গড়েছেন।

    এ ছাড়া ফ্রাঙ্কেনস্টাইন তিনটি পুরস্কার জিতেছে। আর কে-পপ ডেমন হান্টার্স দুটি পুরস্কার পেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সেরা মৌলিক গানের অস্কার।

    অনুষ্ঠানের একটি অংশ উৎসর্গ করা হয় ২০২৫ সালে প্রয়াত অভিনেতা, লেখক ও নির্মাতাদের স্মরণে। এ সময় অভিনেতা বিলি ক্রিস্টাল প্রখ্যাত অভিনেতা ও পরিচালক রব রেইনার-এর প্রতি আবেগঘন শ্রদ্ধা জানান। গত বছরের ডিসেম্বরে ছুরিকাঘাতে নিহত হন এই খ্যাতিমান নির্মাতা।

    বিনোদন ডেস্ক