Tag: অরিজিৎ সিং 

  • নিজের উপর অনেক অত্যাচার করেছি, কেন বললেন অরিজিৎ

    বাংলা ও হিন্দি গানের জগতের ধ্রুবতারা অরিজিৎ সিং শনিবার (২৫ এপ্রিল) ৩৯ বছরে পদার্পণ করলেন। দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তার কোটি কোটি ভক্ত, যারা তার জাদুকরী কণ্ঠের গানে বুঁদ হয়ে থাকেন। 

    যার মায়াবী কণ্ঠে মুগ্ধ আট থেকে আশি, একটা সময় কিনা সেই কণ্ঠস্বরই অরিজিতের জন্য সবথেকে বড় দুশ্চিন্তার কারণ ছিল।

    এক পডকাস্টে এসব কথা সংগীতশিল্পী নিজেই জানিয়েছিলেন। অরিজিৎ জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে মানুষ তার কণ্ঠ পছন্দ করত না। তাই নিজের গানের গলা বদলে ফেলতে হয়েছিল তাকে।  

    গায়কের কথায়, ‘মানুষ আমার কণ্ঠস্বর পছন্দ করত না। আমি যখন ওই কণ্ঠে গান গাইতাম কেউ পছন্দ করত না। আমায় তাই আমার কণ্ঠস্বর বদলাতে হয়েছিল। বলা যায় এক প্রকার গলা ভেঙে ভেঙে আজকের এই টেক্সচার বানিয়েছি। নিজের গলাকে নিজেই তৈরি করেছি। নিজের উপর অনেক অত্যাচার করেছি যাতে ভয়েসের প্রজেকশন বদলাতে পারি। রাত জেগে জেগে রেওয়াজ করেছি। সারা রাত এমনভাবে প্র্যাকটিস করতাম যে, ক্লান্তিতে গলা ভেঙে বসে যেত।’

    মুম্বাইয়ে একটি ছোট ভাড়াবাড়িতে থেকে শঙ্কর-এহসান-লয় বা প্রীতমের মতো মিউজিক ডিরেক্টরদের অধীনে মিউজিক প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘ সময়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বলিউডে প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে ‘মার্ডার ২’ ছবির ‘ফির মহব্বত’ দিয়ে যাত্রা শুরু করেন অরিজিৎ। তবে তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে যায় ২০১৩ সালে ‘আশিকি ২’ ছবির ‘তুম হি হো’ গানের মাধ্যমে।  গানটি তাকে রাতারাতি সুপারস্টার বানিয়ে দেয়। 

    এরপর থেকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একের পর এক সব শ্রোতাপ্রিয় গান উপহার দিয়ে গেছেন এই সংগীতশিল্পী। শাহরুখ খানের ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ থেকে শুরু করে অনুরাগ বসুর ‘বারফি’ সহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সিনেমায় গান গেয়েছেন।

    কিন্তু ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে হঠাৎ করেই সবাইকে চমকে দিয়ে এক ঘোষণায় অরিজিৎ জানান, তিনি আর নতুন কোনো ছবিতে প্লেব্যাক করবেন না। সই করা প্রজেক্টগুলো শেষ করেই তিনি সিনেমার গায়ক হিসেবে ইতি টানবেন। 

    তবে গান থেকে দূরে সরছেন না, এখন থেকে স্বাধীনভাবে গান এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের দিকেই সব মনোযোগ দিতে চান এই জীবন্ত কিংবদন্তি। 

    সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া এ সংগীতশিল্পীর ‘রানা’ গানটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে, প্লেব্যাক ছাড়লেও তার জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। অরিজিৎ সিংয়ের এই যাত্রাপথ শেখায় যে, প্রতিভা থাকলেও কঠোর পরিশ্রম এবং নিজেকে প্রতিনিয়ত নতুন করে গড়ার মানসিকতাই একজন মানুষকে কিংবদন্তি করে তোলে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক হচ্ছেন অরিজিৎ সিং ও বিটিএস তারকা জাংকুক

    বিশ্বজুড়ে যখন বিটিএস উন্মাদনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতের সংগীত জগতের মধ্যে এক অভাবনীয় মেলবন্ধনের আভাস পাওয়া গেল।

    বিটিএস তারকা জাংকুক এবং ভারতের জনপ্রিয় গায়ক অরিজিৎ সিং-এর একসঙ্গে কাটানো কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে নতুন এক জল্পনা— তবে কি খুব শিগগিরই দুজনের যৌথ কোনো গান আসতে চলেছে?

    সম্প্রতি জাংকুক নিজেই অরিজিৎ সিং-এর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের বেশ কিছু ছবি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন। সেখানে তাদের দুজনকে একসঙ্গে খাবার খেতে, আড্ডা দিতে এবং একটি স্টুডিওতে বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কাজ করতে দেখা যায়। ক্যাপশনে জাংকুক এক চমকপ্রদ তথ্য দিয়ে লিখেছেন, ‘আমি এটি কিছুদিন গোপন রাখতে চেয়েছিলাম… আমি বলতে গেলে নিঃশব্দেই ভারতে এসেছিলাম। কোনো শোয়ের জন্য নয়—শুধুমাত্র সংগীতের প্রয়োজনে।’

    জাংকুক আরও জানান, তারা একসঙ্গে বেশ কিছু পুরোনো স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছেন এবং বিশেষ কিছু একটা তৈরি করেছেন। এ থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, শিগগিরই এই দুই তারকার নতুন কোনো কাজ বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে জাংকুকের এই ব্যক্তিগত সফরের মাঝেই বিটিএস তাদের পঞ্চম স্টুডিও অ্যালবাম ‘আরিরাং’ নিয়ে রাজকীয়ভাবে ফিরে এসেছে। ২০ মার্চ মুক্তি পাওয়া এই অ্যালবামটি প্রথম দিনেই ৩.৯৮ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়ে কে-পপ ইতিহাসের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

    অ্যালবামের ‘সুইম’ শিরোনামের গানটি এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানিসহ ৯০টিরও বেশি দেশের আইটিউনস চার্টের শীর্ষে অবস্থান করছে।

    এর আগে এড শিরানের মতো আন্তর্জাতিক তারকার সঙ্গে কাজ করলেও, অরিজিতের সঙ্গে জাংকুকের এই সম্ভাব্য প্রজেক্টটি হবে ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার সংগীত শিল্পের জন্য এক বৈপ্লবিক ঘটনা।

    অরিজিতের দরদী কণ্ঠ আর জাংকুকের গ্লোবাল পপ ইমেজের সংমিশ্রণ শোনার জন্য দুই দেশের ভক্তরাই এখন চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় আছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অরিজিৎের পর প্লেব্যাক থেকে অবসর নিচ্ছেন শ্রেয়া ঘোষাল

    বছরের শুরুতেই প্লেব্যাক থেকে অবসর নিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী  অরিজিৎ সিং। এবার তার পথেই হাঁটার ইঙ্গিত দিলেন শ্রেয়া ঘোষাল। 

    শ্রেয়া জানিয়েছেন, তিনিও প্লেব্যাক থেকে অবসর নেওয়ার কথা ভাবছেন। ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শ্রেয়া বলেন, তিনি বর্তমানে বেশ ক্লান্ত অনুভব করছেন এবং ভবিষ্যতে গান থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার কথাও ভাবছেন। তার ভাষ্য, গানের জগতে যে পরিবর্তনগুলো আসছে, সেগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা সব সময় আনন্দের নয়। বিশেষ করে লাইভ কনসার্টে ‘লিপ-সিঙ্ক’ বা যান্ত্রিক কারসাজির মাধ্যমে গান গাওয়ার প্রবণতাকে তিনি একেবারেই সমর্থন করেন না।

    শ্রেয়া স্পষ্ট করে বলেন, যেদিন আমাকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে লিপ-সিঙ্ক করে গান গাইতে হবে, সেদিনই আমি গান গাওয়া ছেড়ে দেব।     

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

     অরিজিৎের বিরতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমারও মাঝে মাঝে বিরতি নিতে ইচ্ছে করে।

    এর আগে নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে পোস্ট দিয়ে প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন  অরিজিৎ। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। গত কয়েক বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। তবে আমি জানাচ্ছি যে, এখন থেকে প্লেব্যাক ভোকালিস্ট হিসেবে আমি আর নতুন কোনো কাজ নেব না। এই সংগীত যাত্রা অত্যন্ত চমৎকার ছিল।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবসর ঘোষণার পর নতুন করে যা বললেন অরিজিৎ

    প্লেব্যাক ক্যারিয়ারে ইতিটানা নিয়ে ট্রলের মুখে পড়েছেন বিনোদন জগতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। যার কণ্ঠে মজে আপামর বিনোদন দুনিয়া, সেই অরিজিৎ সিং সত্যিই আর সিনেমায় গান গাইবেন না? শিল্পীর হঠাৎ অবসর ঘোষণার পর থেকে এ প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে তার ভক্ত-অনুরাগীদের মনে। তবে বিমর্ষ ভক্তদের মুখে হাসি ফোটাতে এবার আসরে নামলেন খোদ ‘জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্র’। 

    সামাজিক মাধ্যমে এক দীর্ঘ বার্তায় অরিজিৎ জানালেন— অবসর নিলেও তার কণ্ঠ এখনই হারিয়ে যাচ্ছে না। অবসরের সিদ্ধান্তের কথা জানালেও এখনই স্টুডিও থেকে বিদায় নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয় বলে এক আবেগপ্রবণ পোস্টে  জানিয়েছেন এ সংগীতশিল্পী। তিনি বলেন, প্রত্যেক শ্রোতার উদ্দেশ্যে আমার এই পোস্ট। 

    অরিজিত বলেন, যদি আপনি আমার শ্রোতা না হন, তাহলে আমার এই পোস্ট দেখার আপনার প্রয়োজন নেই। আমার শ্রোতা-অনুরাগীদের আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই— আমি তোমাদের অসম্ভব ভালোবাসি। এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে তোমাদের এত ভালোবাসা পেয়ে আমি আপ্লুত।

    এ সংগীতশিল্পী বলেন, তোমাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমি এটুকুই বলতে চাই— আমি প্লেব্যাককে বিদায় জানিয়েছি। একই সঙ্গে আমি এটিও জানিয়েছি যে, আমি আমার বাকি থাকা কাজগুলো সম্পূর্ণ করব। যে গুলোর প্রতি আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমি নতুন প্রোজেক্ট নেওয়া বন্ধ করেছি আগেই। কিন্তু সেই গানের তালিকাও যে খুব ছোট নয় তা তোমরা জানো।

    তিনি বলেন, তাই যারা আমাকে নানা কটাক্ষবাণে বিদ্ধ করছেন, তাদের বলতে দাও। তাদের কোনো ব্যাখ্যা তোমরা দিতে যেও না। অহেতুক ব্যাখ্যার কোনো প্রয়োজন নেই। আমার হাতে এখনো যে পরিমাণ প্লেব্যাকের প্রোজেক্ট রয়েছে, তা শেষ করতে এই বছরের শেষ বা আগামী বছরও হয়ে যেতে পারে। শান্ত থাকো। আর এই চর্চার মধ্যে নিজেকে যুক্ত করে ভুল পথে যেও না। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যমে অরিজিতের সিংয়ের এই পোস্টের নিচে ভিড় জমিয়েছেন হাজার হাজার ভক্ত। এক নেটিজেন লিখেছেন— আপনার গান ছাড়া দিন শুরু হয় না। আরেক নেটিজেন লিখেছেন—একটু বিরতি নিন, কিন্তু পুরোপুরি ছেড়ে যাবেন না।

    ভক্ত-অনুরাগীদের এ ভালোবাসায় আপ্লুত শিল্পী জানিয়েছেন, শ্রোতাদের সমর্থনের কারণেই তিনি আজকের অরিজিৎ। তাই তাদের বঞ্চিত করে হুট করে মিলিয়ে যাবেন না তিনি।

    অরিজিৎ এখন আরও বেশি সময় কাটাতে চান নিজের শহর জিয়াগঞ্জে। সেখানে সমাজসেবামূলক কাজ এবং সংগীত শিক্ষার প্রসারে তার বিশেষ ঝোঁক রয়েছে। তিনি গান থামাবেন না। প্লেব্য়াকের জমে থাকা কাজ শেষ করে স্বতন্ত্র মিউজিক সাধনায় মন দেবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমির-অরিজিৎ গভীর রাতে কলেজে প্রবেশ করায় বিতর্ক

    সম্প্রতি বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সময় রাত ১টায় প্রায় ২০ সঙ্গী ও ১০ মোটরসাইকেল নিয়ে রানি ধন্যা কুমারী সরকারি কলেজে প্রবেশ করেন অভিনেতা। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় কাটান দুই তারকা। এই সময়ের মধ্যে তারা কলেজের ইনডোর গেমস হলে ব্যাডমিন্টন খেলেন এবং ভিডিও শুটিং করেন বলে জানা গেছে। রাত আড়াইটার দিকে তারা কলেজ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

    কিন্তু তাদের এ সাক্ষাৎ আলোচনা হলেও তারা জড়িয়ে গেলেন এক বিতর্কে। জানা গেছে, মধ্যরাতে একটি সরকারি কলেজে ঢোকেন তারা, আর সে থেকেই বিতর্ক তৈরি হয়।  মূলত কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এমন প্রবেশ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা।

    জিয়াগঞ্জের ওই সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অজয় অধিকারী সামাজিক মাধ্যমে কলেজের সিসিটিভি ফুটেজ শেয়ার করে সেই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। অভিযোগ করে তিনি বলেন, এই দুই তারকা স্থানীয় নাইট গার্ডকে প্রভাবিত করে এবং কর্তৃপক্ষের কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করেন। 

    ভিডিওটি শেয়ার করে অজয় অধিকারী প্রশ্ন তোলেন, বিখ্যাত মানুষ বলেই কি যা খুশি তা-ই করা যায়? সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কি এতটাই অবজ্ঞার বিষয়? বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যেই তারা রাতের অন্ধকারে কলেজ চত্বর ব্যবহার করেছেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যমে অধ্যক্ষের সিসিটিভি ফুটেজ পোস্ট করা হলে তা দ্রুত নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে। তবে রহস্যজনকভাবে কিছু সময় পরই অজয় অধিকারী সেই পোস্ট মুছে ফেলেন। নতুন এক পোস্টে তিনি বলেন, কোনো এক মহলের চাপ এবং অনুরোধে তিনি পোস্টগুলো ডিলিট করতে বাধ্য হয়েছেন। তবে কেন এবং কার চাপে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা স্পষ্ট করে কিছু বলেননি অধ্যক্ষ।

    সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের গ্রামের বাড়ি মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে। সেখানে অরিজিতের স্টুডিও ও বাড়ি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা। তাদের একসঙ্গে ঘুড়ি ওড়ানো বা আড্ডা দেওয়ার ছবি ভক্তদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেললেও সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মধ্যরাতে অনধিকার প্রবেশ নিয়ে বর্তমানে স্থানীয়দের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমির খান কিংবা অরিজিৎ সিংয়ের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অরিজিতের প্লেব্যাক ছাড়ার সিদ্ধান্তে যা বললেন লাকি আলি

    বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের প্লেব্যাক ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে বড় একটা ধাক্কা। 

    সপ্তাহখানেক আগের ঘটনা। প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা দেন তিনি। যার কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ গোটা দেশ, সেই অরিজিতের এ সিদ্ধান্ত ভক্ত-অনুরাগীরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না।তারা এ কথা শুনে ব্যথাহত হয়েছেন। সামাজিক মাধ্যম জুড়ে সবার একটাই চাওয়া— আবারও তাকে ফিরিয়ে আনা হোক, গান শুনতে চান তারা। 

    এবার অরিজিতের সিদ্ধান্তে মুখ খুললেন অভিনেতা, গীতিকার-সুরকার ও সংগীতশিল্পী লাকি আলি। 

    সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লাকি আলি বলেন, অরিজিতের এ সিদ্ধান্ত একেবারেই ব্যক্তিগত এবং এ বিষয়টিকে সম্মান জানানো উচিত। সৃজনশীল মানুষদের অনেক সময়ই একটু বিরতির প্রয়োজন হয়, যাতে নিজেদের নতুন করে খুঁজে পান। গ্ল্যামার থেকে দূরে থাকার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল। হয়তো সে জন্যই এমন সিদ্ধান্ত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি নিজেও একটা সময়ে ইন্ডাস্ট্রি থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন বলে জানান লাকি আলি। তিনি বলেন, প্লেব্যাক তার কাছে ভীষণই একঘেয়ে হয়ে গিয়েছিল। ফলে নিজের মতো করে স্বাধীনভাবে সংগীতের চর্চা করতে চেয়েছিলেন তিনি। মনোনিবেশ করতে চেয়েছিলেন নিজের কম্পোজিশনের দিকেও। 

    উল্লেখ্য, এর আগে সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অরিজিৎ সিং বলেন, এত বছর শ্রোতা হিসেবে আপনারা অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। সে জন্য ধন্যবাদ। আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি— আমি আর প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে কোনো কাজ গ্রহণ করব না। আমি প্লেব্যাক গাওয়া বন্ধ করলাম। তবে এটি একটি অনবদ্য সফর ছিল। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হঠাৎ অরিজিতের গ্রামের বাড়িতে আমির খান

    ভারতীয় গায়ক অরিজিৎ সিংয়ের প্লেব্যাক থেকে অবসরের ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই তার গ্রামের বাড়িতে হাজির হয়েছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জিয়াগঞ্জে অরিজিতের পৈতৃক নিবাসে আমিরের এই আকস্মিক সফর নিয়ে বিনোদন জগতে শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন। 

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাতে জিয়াগঞ্জের নিহালিয়া পাড়ায় অরিজিতের বাড়িতে পৌঁছান আমির খান। আজিমগঞ্জ-জিয়াগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ ঘোষ এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    তিনি জানান, রোববার রাতটি অরিজিতের বাড়িতেই কাটিয়েছেন আমির। সোমবার রাতে তার মুম্বাই ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। আমিরের আগমনকে কেন্দ্র করে অরিজিতের বাড়ির চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও ও ছবিতে দেখা গেছে, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে অরিজিতের বাড়ির ছাদে হাসি মুখে ঘুড়ি ওড়াচ্ছেন আমির খান। প্রিয় তারকাকে একনজর দেখতে পার্শ্ববর্তী বাড়ির ছাদগুলোতে ভিড় জমান স্থানীয়রা। আমিরও হাত নেড়ে ভক্তদের অভিবাদনের জবাব দেন। তবে অরিজিৎ ও আমিরের মধ্যে ঠিক কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, কয়েক দিন আগে অরিজিৎ সিং হঠাৎ করেই চলচ্চিত্র বা প্লেব্যাক সংগীত থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। তার এই সিদ্ধান্তে ভক্তদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। আমির খানের এই ঝটিকা সফরকে অনেকেই দেখছেন অরিজিৎকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার অনুরোধ হিসেবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গান ছেড়ে দেওয়ার কারণ জানালেন অরিজিৎ সিং

    বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং বাংলা হোক কিংবা হিন্দি যার কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ হয়ে থাকে কোটি কোটি গানপ্রেমী মানুষ। বলিউডের সুরের জাদুকর আর গান গাইবেন না। সেই গান আর সিনেমায় শোনা যাবে না। এমন খবর বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে তার ভক্ত-অনুরাগীদের।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিজের এই সাহসী সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ খোলাসা করলেন গায়ক নিজেই। দীর্ঘ সময় ধরে একই ধরনের কাজ করতে গিয়ে একঘেয়েমি চলে আসছিল তার মধ্যে বলে জানিয়েছেন অরিজিৎ সিং।

     পোস্টে এ সংগীতশিল্পী লিখেছেন—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আগেই ভেবেছিলাম, কিন্তু সাহসে কুলোচ্ছিল না। এবার সেই সাহসটা পেয়ে গেছি। আসলে একটা কাজ দীর্ঘদিন ধরে করলে আমার বড্ড একঘেয়েমি চলে আসে। যে কারণে আমার গানের অ্যারেঞ্জমেন্টেও নানা বদল করি। তাই এবার নতুন ধরনের সংগীতের খোঁজে ডুব দিলাম।

    এর আগে ২০১০ সালে তেলেগু সিনেমা ‘কেডি’-র মাধ্যমে সিনেমা জগতে পা রেখেছিলেন অরিজিৎ সিং। বলিউডে তার যাত্রা শুরু হয় ‘মার্ডার ২’ সিনেমার মাধ্যমে। তবে ২০১৩ সালে ‘আশিকী ২’ সিনেমার গান তাকে রাতারাতি বানিয়ে দেয়। মহাতারকায় পরিণত হওয়ার পর দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে দাপটের সঙ্গে রাজত্ব করেছেন অরিজিৎ সিং। তবে প্লেব্যাক ছাড়লেও সংগীতের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিন্ন হবে না। বরং নতুন ঘরানার মিউজিক নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেই এ বিরতি নিচ্ছেন তিনি বলে জানিয়েছেন এ গায়ক।

    সেই সঙ্গে নতুনদের জন্য পথ ছেড়ে দেওয়া। অরিজিতের এ সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে তার মহৎ উদ্দেশ্যও। তিনি বলেন, নতুনদের অনুপ্রেরণা হতেই এখন তিনি বেশি আগ্রহী। আমি ভীষণভাবে নতুনদের গান শুনতে চাই। নতুনরা আমায় অনুপ্রেরণা জোগাবে, সেদিকেই তাকিয়ে আছি আমি বলে জানান অরিজিৎ সিং।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ালেন অরিজিৎ

    ভারতের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী অরিজিৎ সিং সম্প্রতি জানিয়েছেন, তিনি আর প্লেব্যাক গান করবেন না। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। গায়কের হঠাৎ প্লেব্যাক ধেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের চোখেমুখে রীতিমতো বিস্ময় কাজ করছে। 

    গানের ক্যারিয়ারে সিনেমায় গেয়েই খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছান অরিজিৎ। অথচ মাত্র ৪০ বছর বয়সেই কিনা সিনেমায় গান করা থেকেই সরে দাঁড়ালেন! এত অল্প বয়সেই কেন এমন সিদ্ধান্ত তার, তা নিয়েই মঙ্গলবার রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। 

    অবশ্য এই জাদুকরী কণ্ঠের গায়ক তার স্ট্যাটাসে এটাও জানিয়েছেন যে, সংগীতের সঙ্গে তার সম্পর্ক অটুট থাকবে এবং নিয়মিত সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে কাজ করে যাবেন। কেবল বড় পর্দার জন্য আর গাইবেন না। 

    তবে এই কণ্ঠশিল্পীর ঘনিষ্ঠজনদের থেকে জানা গেছে, এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নেননি অরিজিৎ। এছাড়াও এমন পদক্ষেপের নেপথ্য কারণ কী তা নিয়েও মুখ খুলেছেন তারা। 

    অরিজিৎ তার ক্যারিয়ারে শাহরুখ খানের ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ থেকে শুরু করে অনুরাগ বসুর ‘বারফি’ সহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সিনেমায় গান গেয়েছেন। গানগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তাও পেয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গায়কের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত পরিচালক অনুরাগ বসু বলেন, ‘সারা বিশ্বের মানুষ হয়তো এই সিদ্ধান্তে অবাক হতে পারে, কিন্তু তার সিদ্ধান্তে আমি মোটেই অবাক নই। আমি বহুদিন ধরেই জানি, অরিজিৎ কতটা প্রতিভাবান এবং গান ছাড়াও জীবনে সে আরও অনেক কিছু করতে চায়।’ 

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি, অরিজিৎ সিং চলচ্চিত্র নির্মাণ নিয়ে ভীষণ আগ্রহী। এমনকি ‘বারফি’ সিনেমা বানানোর সময়ও অরিজিৎ আমাকে অনুরোধ করেছিল, সে আমার সহকারী হিসেবে কাজ করতে চায়। সে একটি স্কুল খুলতে চায় এবং শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে চায়। তার আরও অনেক পরিকল্পনা রয়েছে, যা আমাদের সামনে তার একেবারে ভিন্ন দিক তুলে ধরবে।’ 

    এছাড়াও অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, অরিজিৎ সিং একজন পরিচালক হিসেবে তার প্রথম হিন্দি ছবির কাজ ইতোমধ্যে শুরু করে দিয়েছেন। জঙ্গল অ্যাডভেঞ্চারধর্মী এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে আছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি। বর্তমানে শান্তিনিকেতনে ছবিটির শুটিং চলছে। এর চিত্রনাট্য যৌথভাবে লিখেছেন অরিজিৎ সিং এবং তার স্ত্রী কোয়েল সিং। 

    অরিজিৎ-এর এমন সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক সুলেমান বলেন, ‘চলচ্চিত্র নির্মাণ অরিজিতের বহুদিনের লালিত স্বপ্ন, যেটার ওপর সে এখন পুরোপুরি মনোযোগ দিতে চায়। সে ভীষণ উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানুষ, আর আমি তার সিদ্ধান্তকে সম্মান করি।’ 

    কণ্ঠশিল্পীর পারিবারিক বন্ধু ও মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা অনিলাভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এই মুহূর্তে অরিজিৎ একটি হিন্দি ও একটি বাংলা ছবি নিয়ে ব্যস্ত এবং দুটি ছবির শুটিংই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় চলছে।’ 

    জানা যায়, সিনেমার প্রতি অরিজিৎ সিংয়ের এই ব্যাপক আগ্রহের পেছনে অন্যতম বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে সত্যজিৎ রায়ে চলচ্চিত্র।এই সংগীত শিল্পী ক্যারিয়ারে দুই বার জাতীয় পুরস্কার এবং আটবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবসরের ঘোষণা দিলেন অরিজিৎ সিং

    সংগীতপ্রেমীদেরকে বিশাল এক চমক দিয়ে জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়ক অরিজিৎ সিং প্লেব্যাক থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়ে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

    ফেসবুক পোস্টে অরিজিৎ সিং শ্রোতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি লেখেন, ‘হ্যালো, সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। এত বছর ধরে আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, এখন থেকে আমি আর কোনো নতুন প্লেব্যাক কাজ নেব না। এখানেই ইতি টানছি। এটি ছিল দারুণ এক সফর।’

    এই ঘোষণার পর ভক্তদের মধ্যে বিস্ময় ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে হিন্দি সিনেমার গানে অরিজিৎ সিং ছিলেন সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য কণ্ঠ। ২০২৫ সালের শেষ দিক পর্যন্তও তিনি নিয়মিতভাবে হিন্দি ও আঞ্চলিক সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। রোমান্টিক ও আবেগী গান থেকে শুরু করে আইটেম সং পর্যন্ত সর্বত্র তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    অরিজিৎ সিং উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। এর মধ্যে রয়েছে ‘তুম হি হো’, ‘ছান্না মেরেয়া’, ‘রাবতা’, ‘আগার তুম সাথ হো’, ‘কেসারিয়া’, ‘শায়াদ’, ‘ফির লে আয়া দিল’ এবং ‘এ দিল হ্যায় মুশকিল’। 

    ভবিষ্যতে তিনি কী ধরনের সংগীতচর্চা করবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে তাকে আর দেখা যাবে না বলেই জানিয়ে দিয়েছেন অরিজিৎ।

    বিনোদন ডেস্ক