Tag: অবস্থা

  • অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রোজা রেখে সমালোচিত গওহর

    অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় পবিত্র মাহে রমজানের রোজা রেখে কটাক্ষের শিকার হয়েছেন ভারতীয় মডেল গওহর খান। 

    rnrn

    সম্প্রতি টুইটারে এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে গওহর বলেন, আমি সব ক্ষেত্রেই নিজের ভুল স্বীকার করে নেই। এর পরেও নেতিবাচক মানসিকতার জন্য কেউ ভিত্তিহীন সমালোচনা করে, তখন উপেক্ষা করতে হবে।

    rnrn

    কিছুদিন আগে গওহরের একটি ভিডিও দেখে এক ভক্ত প্রশ্ন করেন, এমন সংযম, কষ্ট সাধারণ মানুষ সহ্য করতে পারলেও অন্তঃসত্ত্বা, হবু মায়েদের কি এমনভাবে একটানা উপোস করা উচিত? তাদের জন্য কি ইসলাম ধর্মে আলাদা কোনও নিয়ম আছে? 

    rnrn

    অনুরাগীর এমন প্রশ্নের উত্তরে গওহর বলেন, নিশ্চয়ই। সন্তানসম্ভবা, অসুস্থ এবং এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ভ্রমণরত (মুসাফির) ব্যক্তিরা রোজা রাখতে না পারলে কোনও অসুবিধা নেই। ইসলামে তাদের জন্য ছাড় দেওয়া হয়েছে। তারা পরবর্তীতে নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী রোজা রেখে নিলেই হবে। আর রোজা ভাঙার জন্য দরিদ্র মানুষদের খাওয়াতে হবে। 

    rnrn

    গওহর জানান, তিনি অসহায় মানুষদের খাওয়াতে পছন্দ করেন। নিজে রোজা রাখছেন, সবই আল্লাহর ইচ্ছা। 

    rnrn

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে জাইদ দরবারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন গওহর খান। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘মান্নার মৃত্যুর পর স্বজনদের অবস্থা দেখে হতবাক হয়েছি’

    ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ভয়ানক এক শোকের দিন। সেদিন অগণিত ভক্তকূলদের কাদিয়ে না ফেরার দেশে পারি জমান চিত্রনায়ক মান্না। তার মৃত্যুতে শোকে ‘পাথর’ হয়েছিল পুরো পরিবার। 

    rnrn

    মান্নার মৃত্যুর পরদিন আত্মীয় স্বজনদের বদলে যাওয়া দেখে অবাক হয়েছিলেন তার পরিবারের সদস্যরা। সেই ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন মান্নার স্ত্রী শেলী। 

    rnrn

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসুবকে এক পোস্টে শেলী বলেন, পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল থেকেই আমার চারপাশের অনেক স্বজনের মানবিক চরিত্রের বদল ঘটেছিল। 

    rnrn

    শেলী মান্না বলেন, আমার স্বামীর এভাবে আকস্মিক চলে যাওয়া আমাদের জন্য বিশাল শূন্যতা ও বিষণ্নতার। পরবর্তী সময়ে আমার কাছের অনেক স্বজনের দূরে সরে যাওয়া দেখে হতবাক হয়েছি। খুব কাছ থেকে অনেককে দেখেছি, দিনের পরদিন তারা একসময় অচেনা হয়ে গেলেন। এ সময় আমি মান্নার কর্মকাণ্ড ঘিরে ও আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে সমর্পণ করি। 

    rnrn

    শেলী আরও বলেন, কিংবদন্তি অভিনেতা, প্রযোজক মান্নার অগণিত ভক্তকূল, সিনেমাপ্রেমী স্বজন ও পরিবারের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল মান্না ফাউন্ডেশন গঠন নিয়ে। পরে আমরা ফাউন্ডেশন গঠন করি। সেখানেও একসময় সক্রিয় থাকা সম্ভব হয়নি।

    rnrn

    মান্নার রেখে যাওয়া কৃতাঞ্জলি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও চলচ্চিত্রবিষয়ক কর্মকাণ্ডের হাল ধরেন শেলী। সেই অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানেও আমি এক বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের ফাদের বেড়াজালে পড়ে যাই। সম্মান বাঁচাতে বৈষয়িক অনেক বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে লাগলাম। আমাকে শূন্যতা, বিষণ্নতা ও চরম পরিস্থিতি থেকে একবারে টেনে তোলার মতো কোনো স্বজন এগিয়ে আসেননি। যেমনটা আমি একসময় অনেকের অনেক সমস্যায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলাম। শুরু হয় জীবনযুদ্ধ। সেই সঙ্গে কাছের মানুষেরাও হয়ে যায় চির অচেনা।

    rnrn

    শেলী আর বলেন, এখন পারিবারিক, রক্তের বন্ধন ও সামাজিক বন্ধন অনেকাংশেই বিলুপ্তির পথে। আর এই বন্ধনকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে সামাজিক ও পারিবারিক অবক্ষয়কে রোধ দরকার বলেই মান্না ফাউন্ডেশন কাজগুলো নিয়মিত করবে। ‘এসো মানববন্ধন গড়ি’ শিরোনামে এখানে শিক্ষণীয় ও দৃষ্টান্তমূলক বিষয়গুলো নিয়ে কাজ হবে। সেগুলো টেলিভিশন ও কৃতাঞ্জলির ডিজিটাল চ্যানেলে প্রকাশ পাবে।

    rnrn

    শেলী বলেন, এবার আমরা মানবিক ও উদারমনা সংগঠকদের নিয়ে ফাউন্ডেশনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। দেশপ্রেম ও সংগঠনের কার্যক্রমকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিটি কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত ভূমিকা থাকবে এই সংগঠনের কর্মকাণ্ডে।

    rnrn

    মান্না মারা যাওয়ার পর ২০০৯ সালের পয়লা বৈশাখে গঠন করা হয় মান্না ফাউন্ডেশন। পরবর্তীকালে বাংলাদেশজুড়ে ২৪৫টি অঙ্গসংগঠন তৈরি হয়। শেলী বলেন, আমরা ২০১৪ সাল পর্যন্ত এর কার্যক্রম চালিয়ে যাই। পরে রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক কারণে ফাউন্ডেশনের কর্মকাণ্ড কিছুটা থেমে যায়। এ ছাড়া আমাদের ফাউন্ডেশনের কার্যকরী কমিটির শ্রদ্ধেয় চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিভাবক চাষী নজরুল ইসলাম ভাইসহ সাতজন মারা যাওয়ার পর আমরা আরও ভেঙে পড়ি। এরা সবাই ছিলেন মান্নাঘনিষ্ঠ।

    স্পোর্টস ডেস্ক

  • ‘অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বমি করে ক্লান্তিতে ভুগেছি কাউকে বলিনি’

    ক্যারিয়ারের শীর্ষে থাকাকালীনই মা হওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আলিয়া ভাট। এজন্য বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই রণবীরের স্ত্রীর। 

    rnrn

    তিনি জানিয়েছেন, সন্তান জন্মের জন্য যদি কাজ কমে আসে তাহলে কিচ্ছু যায় আসে না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনটি বলেন তিনি। 

    rnrn

    গত বছরের এপ্রিলে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রণবীর-আলিয়া। জুন মাসের শেষে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা প্রকাশ্যে আনেন এই অভিনেত্রী। 

    rnrn

    রাহাকে গর্ভে নিয়েই দিনরাত শুটিং করেছেন আলিয়া। সেই স্মৃতিচারণ করে বম্বে টাইমসকে আলিয়া বলেন, আমি নিজেকে কখনো আটকে রাখি না, যদি না আমার পক্ষে শারীরিকভাবে সেটা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। আমি অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম, তাই নিঃসন্দেহে কিছু সীমাবদ্ধতা তো ছিলই। 

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় প্রতিটা দিন আমার কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ ছিল, নিজের শরীরের কথা আমি শুনতাম খুব ভালোভাবে। কাজটা আমার কাছে খুব জারুরি, কিন্তু সেই সময় নিজের শরীর এবং আমার হবু সন্তানই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাটা আমার কাছে কোনো বাধা ছিল না, কিন্তু শুরুর কয়েকটা সপ্তাহ খুব সমস্যায় পড়েছিলাম।

    rnrn

    গত নভেম্বরে কন্যাসন্তান রাহার জন্ম দেওয়া আলিয়া আরও বলেন, তখন ঘনঘন বমি বমি ভাব আর মারাত্মক ক্লান্তি ঘিরে ধরেছিল; কিন্তু শুরুর ১২ সপ্তাহ অন্তঃসত্ত্বা নিয়ে কাউকে কিছু বলতে নেই, তাই তো? সেজন্যই এই সুখবরটা আমাকে নিজের মধ্যেই চেপে রাখতে হয়েছিল, আর আমি নিজের শরীরের কথা শুনছিলাম। 

    বিনোদন ডেস্ক