Tag: অজানা

  • বিরাট-আনুশকার বিয়ের অন্দরমহলের অজানা তথ্য সামনে এলো

    সবাইকে চমকে দিয়ে বিয়ে করেছিলেন ভারতীয় জাতীয় দলের ক্রিকেটার বিরাট কোহলি ও বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। ২০১৭ সালে ইতালিতে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন এ তারকা দম্পতি। সেই সময় থেকেই ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’ চল হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু বিয়ের অন্দরমহল নাকি বেশ ঘরোয়া ছিল। বিরাট-আনুশকার বিয়ের খুঁটিনাটি নিয়ে সম্প্রতি কথা বললেন চিত্রগ্রাহক জোসেফ রাধিক। এ তারকা দম্পতির বিয়ের ছবি তোলার দায়িত্বে ছিলেন তিনিই।

    জোসেফ জানিয়েছেন, বিরাট ও আনুশকার বিয়ের আসর নাকি খুবই ঘরোয়া ছিল। বাড়ির জমায়েতের মতোই ছিল আবহ। সেই একই সালে জোসেফ নিজেও বিয়ে করেছিলেন। সেই বছরের ডিসেম্বর মাসে ছিল বিরুষ্কার বিয়ে। জোসেফ বলেন, বিরাট-আনুশকার বিয়ে ঠিক ঘরোয়া পার্টির মতোই মনে হয়েছিল। যে যার মতো করে স্বচ্ছন্দে ছিল। বিয়ের আড়ম্বরের চাপে কারও অসুবিধা হয়নি। বরং স্বস্তিতে সবাই সময় কাটিয়েছিলেন বলে জানান চিত্রগ্রাহক।

    বিরাট-আনুশকার বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৪০ জন। এর আগে বিবাহ-চিত্রনির্মাতা বিশালও বিরাট-আনুশকার বিয়ের প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন—ইতালির তাসকানিতে বিয়ে করেছিলেন বিরাট ও আনুশকা। সত্যিই খুব সুন্দর ছিল সেই বিয়ের আসর। খুব কাছের কয়েকজন ছিলেন বিয়ের আসরে। ৪০ জনের মধ্যেই ছিলেন ওদের বাবা-মা, পরিবার এবং প্রসাধনী শিল্পী ও আমরা। বিয়ের সময়ে ওদের কেউ বিরক্ত করেনি।

    বিরাট-আনুশকার বিয়ের আবহ যেন কোনো স্বপ্নের দৃশ্যের মতো, জানিয়েছিলেন বিশাল। বিয়ের আসরেও বর ও কনের পোশাকের রঙের মতোই স্নিগ্ধতা ছিল বলে জানান তিনি। বর্তমানে বিরাট-আনুশকার দুই সন্তান ভামিকা ও অকায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজ্জাকের যে অজানা কথা জানিয়েছিলেন নায়ক ফারুক

    স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি যাদের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম আকবর হোসেন পাঠান। সিনেমা জগতে তিনি রুপালি পর্দার হিরো নায়ক ফারুক নামেই পরিচিত।

    rnrn

    সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ১০টায় চিকিৎসাধীন মারা যান বর্ষীয়ান এ অভিনেতা ।

    rnrn

    ২০১৮ সালের ১৮ আগস্ট নিজের ৭৩তম জন্মদিনে নায়করাজ রাজ্জাকের অজানা একটা ঘটনার কথা বলেছিলেন চলচ্চিত্রে ‘মিয়াভাই’ খ্যাত এই অভিনেতা। 

    rnrn

    ঢাকা ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে নায়করাজ রাজ্জাক বিখ্যাত বিনোদন সাংবাদিক ও লেখক আহমেদ জামান চৌধুরীর মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত করেছিলেন।  একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাজ্জাকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া সে কাহিনীর বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি।  

    rnrn

    ফারুক খান বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ কেস পর্যন্ত হয়েছিল। তখনকার চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব খান আতাউর রহমান থেকে শুরু করে নারায়ণ ঘোষ মিতা, কাজী জহিরসহ অনেকেই কিছুই করতে পারছিলেন না এ বিষয়ে। একসময় সবাই সরে গিয়েছিলেন রাজ্জাক ভাইয়ের পাশ থেকে। ঘটনাটা খারাপের দিকে মোড় নিচ্ছিল। একটা মহল চক্রান্ত করছিল, রাজ্জাক ভাইকে আইনের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য। তার ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে চেয়েছিল তারা। সেই সময় চাইলে আমিও প্রতিশোধ নিতে পারতাম। কারণ, আমার সবচেয়ে বড় প্রতিযোগী ছিলেন তিনি, কিন্তু আমি সেটা করিনি।

    rnrn

    সে সময়ে স্মৃতিচারণ করে ‘মিয়া ভাই’ বলেন, রাজ্জাক ভাই একদিন আমাকে বললেন, আমার মানসম্মান বাঁচাও ফারুক। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে ঘটনা খারাপের দিকে যাচ্ছে। আমার এক সহকর্মী জনপ্রিয় নায়ককে পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে, তার মানসম্মান নষ্ট করবে, এটা ভেবে কষ্ট পাচ্ছিলাম খুব। তখন আমি আহমেদ জামান চৌধুরীর সঙ্গে বেশি বেশি যোগাযোগ শুরু করলাম। নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখতাম তার। 

    rnrn

    দুজনকে মিলিয়ে দেওয়ার ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, ঘটনার তৃতীয় দিনের রাতে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছিল। এরমধ্যেই রাত ১২টার পর রাজ্জাক ভাইকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে আসলাম। সেখানেই আহমেদ জামান চৌধুরী চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। দুজন-দুজনকে দেখে চমকে গেলেন। তাদের মেলানোর জন্য অনেক নাটক করেতে হয়েছিল। এই ঘটনার কথা অনেকেই জানেন না, এটা আমি করেছিলাম। কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হতে দেইনি রাজ্জাক ভাইকে।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, জলছবি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনেমা জগতে প্রবেশ করেন নায়ক ফারুক। প্রথম ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়ে বলে খ্যাত কবরী। তার প্রথম ছবির পর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। উপহার দিয়েছেন একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা।

    rnrn

    তিনি প্রায় ১০০+ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তার বেশিরভাগ সিনেমাই দর্শকদের হৃদয় জয় করতে পেরেছিল।
    rn 

    যুগান্তর ডেস্ক