Tag: অক্ষয় কুমার

  • অভিনয় ছাড়ার প্রশ্নে যা বললেন অক্ষয় কুমার

    বলিউডের ‘খিলাড়ি’খ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার অভিনয় ছাড়ছেন— সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে এমন গুঞ্জনই চাউর হয়েছে। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া তার ‘ভূত বাংলা’ সিনেমাটি বক্স অফিসে খুব একটা সাড়া ফেলেনি। এর মধ্যেই অভিনেতা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তার আসন্ন সিনেমা ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এর। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে— এ সিনেমার পরই কি অবসরের কথা ভাবছেন তিনি। তবে কি অভিনয় থেকে বিদায় জানাচ্ছেন অক্ষয় কুমার? 

    ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। সেই ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে অবসর প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বলেন এ খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা। অক্ষয় কুমার বলেন, অবসরের চিন্তা যে তার মাথায় একেবারেই আসে না, তা নয়। তবে সেই চিন্তার স্থায়িত্ব মাত্র কয়েক সেকেন্ড।

    রসিকতা করে এ অভিনেতা বলেন, ভোরে যখন ঘুম থেকে উঠি, তখন মাঝে মধ্যে এ চিন্তা মাথায় আসে। কিন্তু ঠিক পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই মনে পড়ে যায় যে, আমাকে শুটিংয়ে যেতে হবে। সেটে ৩০০ মানুষ আমার জন্য অপেক্ষা করছেন। তাই চিন্তাটা মাত্র পাঁচ সেকেন্ডই স্থায়ী হয়। 

    অক্ষয় কুমার বলেন, তখন ভাবি— ধুর! কালকে অবসর নেব। পর দিন আবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে একই ঘটনা ঘটে। এভাবেই জীবনের ৩৬টি বছর কেটে গেল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অবসরের কথা মাথায় এলেও নিজেকে সবসময় গুটিয়ে নেন তিনি। এর পেছনেও একটি কারণ রয়েছে। অভিনেতা বলেন, অবসরের পর ঘরে বসে থাকার চেয়ে লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের দুনিয়াই তার কাছে বেশি পছন্দের।

    অক্ষয় কুমার বলেন, আমি অবসর নিলে কী হবে? বাড়িতে বসে আমাকে ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ করতে হবে, কুকুরকে হাঁটাতে নিয়ে যেতে হবে, নয়তো বাগানের কাজ করতে হবে। বাড়ির সব কাজই আমার ঘাড়ের ওপর এসে পড়বে। তার চেয়ে শুটিং সেটে যাওয়াই অনেক ভালো। আমি অবসর নেব না, সেটাই সবার জন্য মঙ্গল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কথা রাখলেন অক্ষয়, কাশ্মীরের সরকারি স্কুলে ১ কোটি রুপি অনুদান

    ‘৯০ দশকের শুরুতে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন প্রযোজক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার। তিনি এখন পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ তিন দশকের ক্যারিয়ারে অ্যাকশন, কমেডি ও সামাজিক সচেতনতামূলক সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বলিউড অঙ্গনে তাকে ‘খিলাড়ি কুমার’ হিসেবে ডাকা হয়। 

    এর আগে কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী একটি সরকারি স্কুলে এক কোটি রুপি অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। সম্প্রতি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তিনি। এ অনুদানের মাধ্যমে স্কুলটিতে আধুনিক শিক্ষা ভবন, নতুন ক্লাশরুম, লাইব্রেরি ও কম্পিউটার ল্যাব নির্মাণ করা হয়েছে, যার ফলে সেখানকার শিক্ষার্থীরা দারুণ উপকৃত হচ্ছে।

    জম্মু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার গুরেজ উপত্যকার প্রত্যন্ত সীমান্ত গ্রাম নেরো তুলাইলে অবস্থিত এ সরকারি স্কুল একসময় জোরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। শিক্ষা উপকরণের অভাবে পাঠদানে ভাটা পড়েছিল। অভিনেতা অক্ষয় কুমারের উদারতায় আজ সেই স্কুলের শিক্ষার্থীদের মুখে হাসির ফোয়ারা ফুটেছে। 

    যদিও এ খিলাড়িখ্যাত অভিনেতার এ মানবিক গুণাবলির পরিচয় এর আগেও পেয়েছে বলিউড। বিভিন্ন সময় তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেই তালিকায় যোগ হলো নতুন উদাহরণ। কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী গ্রাম নেরো তুলাইলে সরকারি স্কুলে এক কোটি টাকা অনুদান দিলেন অক্ষয় কুমার। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেতার দেওয়া অনুদানেই স্কুলের নতুন ভবন তৈরি হয়েছে। ২০২১ সালে অক্ষয় বিএসএফের আমন্ত্রণে সীমান্তে কর্মরত জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করতে কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি উত্তর কাশ্মীরের এই নেরো গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে স্কুলের বেহাল অবস্থা এবং পড়ুয়াদের সমস্যার কথা দেখে তিনি এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

    পাঁচ বছর পর কথা রাখলেন অভিনেতা। অক্ষয়ের অনুদানে তৈরি হওয়া নতুন ভবনের নাম রাখা হয়েছে ‘শ্রী হরি ওম ভাটিয়া এডুকেশন ব্লক’। অক্ষয়ের বাবা প্রয়াত হরি ওম ভাটিয়ার স্মৃতিতে তৈরি করা হয়েছে এ নতুন ভবন। 

    সেই ভবনে রয়েছে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি এবং শিক্ষকদের জন্য আলাদা অফিস স্পেস। পাশাপাশি মিড-ডে মিল প্রকল্পের সুবিধাও উন্নত করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখ-অক্ষয়ের সঙ্গে জীবনেও কাজ করবেন না, কেন এমন সিদ্ধান্ত সুদীপ্তের?

    ২০২৩ সালের বিতর্কিত ও ব্লকবাস্টার হিন্দি সিনেমা ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত পরিচালক সুদীপ্ত সেন। পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে জন্মগ্রহণকারী এ পরিচালক তথ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও বর্তমানে বলিউড সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে তার কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

    তার তৈরি ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ কেন্দ্র করে একটা সময়ে তৈরি হয়েছিল বহু বিতর্ক। বিভিন্ন জায়গায় ব্যান হয়ে যাওয়া থেকে সেন্সরে চলা কাঁচি। এহেন বিতর্কের সঙ্গে উঠে এসেছে পরিচালক সুদীপ্ত সেনের নাম।

    এ সিনেমা পরিচালনার সময়ে নানাবিধ অভিজ্ঞতা হয়েছিল সুদীপ্ত সেনের, যা তিনি তার কর্মজীবনের প্রতিটি মুহূর্তে কাজে লাগাতে চান। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, তারকাদের সঙ্গে কাজ করায় আপত্তি। বলি বাদশাহ শাহরুখ খান কিংবা খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমারের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে আর কাজ করবেন না বলে আগেই ঠিক করেছেন সুদীপ্ত সেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কারণ তিনি মনে করেন, তারকাদের নিয়ে কাজ করলে পরিচালকদের স্বাধীনতা নষ্ট হয়ে যায়। তাদের অনেক মতামত শুনতে বাধ্য হতে হয়। এমনকি ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ বানানোর সময়ে সুদীপ্ত নাকি ঠিক করে নিয়েছিলেন কোনো বড় তারকাকে তিনি নেবেন না।

    পরিচালক বলেন, আমি নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখা একজন মানুষ। কিন্তু অতিরিক্ত বিশ্বাসী নই। নিজের গল্প নিয়ে কাজ করতেই ভালোবাসি। কোনো বড় তারকা থাকলে যে কোনো সিনেমার ক্ষেত্রে এক্সট্রা চাপ থাকে বলেও মনে করেন তিনি। শুধু তাই নয়, দায়িত্বও থাকে অনেক বেশি, যা অনেক ক্ষেত্রে সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে।

    এ ছাড়া সিনেমা সুপারহিট হলে শুধু তারকা দিয়েই বিচার হয়। পরিচালকের আর কেউ থাকে না। তখন সেটা ওই সিনেমার তারকার হয়ে ওঠে। তিনি অন্য কারও ওপর ভরসা করে জীবন চালাতে পছন্দ করেন না। নিজের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই তিনি সিনেমা করতে চান বরাবর বলে জানান এ নির্মাতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুটিংয়ের মধ্যেই চোখে অস্ত্রোপচার করালেন অক্ষয় কুমার

    বলিউডের ‘খিলাড়ি’খ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমারের ঝুলিতে এখন বিগ বাজেটের বেশ কিছু সিনেমা হাতে রয়েছে। প্রিয়দর্শন পরিচালিত ‘ভূত বাংলা’ ইতোমধ্যে সাড়া ফেলেছে। সামনে তাকে দেখা যাবে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সিনেমায়, যেখানে সুনীল শেঠি, সঞ্জয় দত্তসহ একঝাঁক তারকা রয়েছেন। এ ছাড়া ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ফিরছে ‘হেরা ফেরি ৩’ সিনেমাটি।

    বর্তমানে ক্যারিয়ারের অন্যতম ব্যস্ত সময় পার করা অভিনেতা এবার সিনেমার শুটিং আর প্রচারণার ব্যস্ত শিডিউলের মাঝেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সকালে অক্ষয় কুমারের চোখে একটি ছোট অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি বিশ্রামে রয়েছেন। তবে ভক্তদের উদ্বেগের কিছু নেই, দ্রুতই সুস্থ হয়ে তিনি আবার কাজে ফিরবেন বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।

    একদিন আগেই সামাজিক মাধ্যমে সিনেমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। সেই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন— ‘কেরলম’ সিনেমার শুটিং শেষ। পরিচালক, সহ-অভিনেতা বিদ্যা বালান, রশ্মি খান্না, রাজপাল যাদব এবং পুরো ক্রুকে অনেক ধন্যবাদ। ভালো মানুষের সঙ্গে সুন্দর জায়গায় কাজ করাটা সত্যিই স্পেশাল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আপাতত অভিনেতা কিছু দিনের জন্য বিশ্রামে আছেন। কারণ সুস্থ হওয়ার পরপরই তাকে আবার ‘কেরলম’ সিনেমার বাকি কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে।  এ সিনেমায় তার সঙ্গে জুটি হয়ে কাজ করছেন অভিনেত্রী বিদ্যা বালান ও রশ্মি খান্না।

    অক্ষয় কুমার তার শৃঙ্খলিত জীবনযাপনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। সম্প্রতি নিজের শো ‘হুইল অফ ফরচুন’-এ তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ধরে তিনি কোনো সিঙাড়া খাননি। অভিনেতা সৌরভ শুক্লাও একবার অক্ষয়ের প্রশংসা করে বলেছিলেন যে, অক্ষয় সবসময়ই খুব পরিমিত ও সাধারণ খাবার খান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রিয়দর্শনের হাত ধরেই ফের হিটের দেখা পেলেন অক্ষয়

    বক্স অফিসে আবারও সাফল্যের মুখ দেখলেন বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার। দীর্ঘ ১৪ বছর পর পরিচালক প্রিয়দর্শনের সঙ্গে জুটি বেঁধে করা ছবি ‘ভূত বাংলা’ দিয়ে হিটের দেখা পেলেন তিনি। 

    হরর-কমেডি ঘরানার এ সিনেমা মুক্তির প্রথম দিনেই ভারতে প্রায় ১৫ কোটি রুপি আয় করে, যা সাম্প্রতিক সময়ে অক্ষয়ের সিনেমাগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা ওপেনিং। অক্ষয়ের সাম্প্রতিক ফ্লপ ‘সরফিরা’ ও ‘বড় মিঞা ছোটে মিঞা’ যেখানে প্রথম দিনেই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছিল, সেখানে ‘ভূত বাংলা’ নতুন করে আশার আলো দেখিয়েছে।

    এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির আয় প্রায় ১৯৯ কোটি রুপি। ভারতের বাজারে আয় ১২০ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। সিনেমাটি তৈরিতে ব্যায় হয়েছে প্রায় ১২০ কোটি রুপি। এর বড় অংশই ব্যয় হয়েছে অভিনেতাদের পারিশ্রমিকে।

    প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা অক্ষয় কুমার নিয়েছেন প্রায় ৫০ কোটি রুপি, যা তার স্বাভাবিক পারিশ্রমিকের তুলনায় কিছুটা কম। সাধারণত তিনি ৬০ থেকে ১৪০ কোটি রুপি পর্যন্ত পারিশ্রমিক নেন বলে জানা যায়।

    অন্যদিকে টাবু পেয়েছেন ২.৫ কোটি রুপি, ওয়ামিকা গাব্বি পেয়েছেন ৩ কোটি রুপি এবং পরেশ রাওয়াল পেয়েছেন ২ কোটি রুপি। প্রয়াত অভিনেতা আসরানিও প্রায় ২ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন, যা তার শেষ চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এছাড়া রাজপাল যাদব পেয়েছেন ১ কোটি রুপি।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিনেমাটির মোট বাজেটের প্রায় ৪২ শতাংশই অভিনেতাদের পারিশ্রমিকে ব্যয় হয়েছে। প্রচারণার জন্য আলাদা করে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ৩০ কোটি রুপি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিশ্লেষকদের মতে, মাল্টিপ্লেক্সের পাশাপাশি সিঙ্গল স্ক্রিনেও সিনেমাটির ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, যা বক্স অফিসে স্থায়ী সাফল্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    অক্ষয় কুমারের আসন্ন সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জাঙ্গল’, ‘হাইওয়ান’ এবং বহুল প্রতীক্ষিত ‘হেরা ফেরি ৩’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যার কারণে ‘লাল হিল’ পরে নেচেছিলেন অক্ষয়

    বলিউডের খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার সম্প্রতি নতুন করে সংবাদ শিরোনামে এসেছেন। তবে সেটা অভিনয় বা কোনো সিনেমার কারণে নয়, সহ-অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের দেওয়া একটি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে এক রিয়েলিটি শোয়ের মঞ্চে হাই হিল জুতা পরে নেচে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন অক্ষয় কুমার। 

    ‘হুইল অব ফরচুন’-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে এই অদ্ভুত কাণ্ডটি ঘটেছে।মূলত এক লাখ টাকা বাঁচাতেই অভিনেতার এমন কাজ।কিন্তু কেন?

    এদিন অক্ষয়ের সঙ্গে আড্ডায় যোগ দিয়েছিলেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, ভূমি পেড়নেকর এবং কোরিওগ্রাফার-পরিচালক ফারাহ খান। শুটিং চলাকালীন জ্যাকুলিন ও ভূমি অভিযোগ করেন, অক্ষয় প্রায়ই তাদের সঙ্গে প্র্যাঙ্ক করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর বদলা নিতেই জ্যাকুলিন একটি বুদ্ধি বের করেন। তিনি অক্ষয়কে চ্যালেঞ্জ জানান যে, তাকে হিল জুতা পরে এক মিনিট নাচতে হবে। আর যদি তিনি মাঝপথে থেমে যান, তবে তিনি জ্যাকুলিনকে ১ লাখ টাকা দেবেন।

    প্রথমে কিছুটা থমকে গেলেও, শেষ পর্যন্ত ভয়ে ভয়েই লাল রংয়ের হাই হিল পরে ‘লাল পরী’ গানে নাচতে শুরু করেন অক্ষয়।শেষ পর্যন্ত চ্যালেঞ্জ সম্পন্নও করেন তিনি। তবে নাচের শেষ দিকে হিলটা ভেঙে যায়। 

    এর পরেই নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে অক্ষয় বলেন, ‘সব নারীদের আমার সালাম, আপনারা এগুলো কীভাবে পরেন?’ ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই অক্ষয়ের এই ‘স্পোর্টিং স্পিরিট’-এর জন্য নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অক্ষয়ের কারণে ‘ট্রমা’য় চলে যান জ্যাকুলিন, কেন এমন করেছিলেন অভিনেতা

    অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ প্রায় ১৫ বছর কাটিয়ে ফেলেছেন বলিউডে। শ্রীলংকা থেকে এসে বলিউডে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করা কঠিন ছিল তার পক্ষে। বহুজনের কাছে বহু ধরনের কথা শুনতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। এমনকি সহ-অভিনেতা অক্ষয় কুমারের কারণে নাকি রীতিমতো ‘ট্রমা’য় চলে যেতে হয়েছিল তাকে।

    যদিও খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ একসঙ্গে প্রায় ছয়টি সিনেমায় কাজ করেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ এমন কথাই জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, তার প্রথম আইটেম গান ‘ধন্নো’-তে শট দেওয়ার আগে মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। ঠিক কী করেছিলেন অভিনেতা? এমন প্রশ্নের উত্তরে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ বলেন, সাজিদ খান পরিচালিত ‘হাউসফুল’ সিনেমায় প্রথমবার আইটেম গানে নাচ করেন তিনি। সেটজুড়ে পুলিশে সয়লাব। সেটি দেখেই নাকি ভয় পেয়ে যান। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, আমি অক্ষয়কে জিজ্ঞাসা করি— ‘সেটে এত পুলিশ কেন?’ তাতেই অক্ষয় বলেন— দেখ, জ্যাকুলিন। ওরা তোমার জন্য এসেছে। কী করেছ তুমি? ওরা তো বলছে— শট শেষ হলেই তোমাকে থানায় নিয়ে যাবে।

    অক্ষয়ের এহেন রসিকতায় গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। রীতিমতো ভয় পেয়ে যান তিনি। অভিনেত্রী বলেন, গোটা নাচের শট দিয়েছি মনে ভয় নিয়ে। বহুদিন পর্যন্ত ওই ভয়টা ছিল। খালি ভাবছিলাম— আমি কী এমন দোষ করেছি? 

    যদিও এ ঘটনার জন্য পরে জ্যাকুলিনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন অক্ষয় কুমার।  অভিনেতার যুক্তি— সবসময়ে হাসিঠাট্টা করে কাজ করা উচিত। বেশি গম্ভীর হয়ে যাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কী করেছিলেন অক্ষয়, কেন ট্রমায় চলে যান জ্যাকলিন?

    বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করতে শ্রীলংকা থেকে আসা জ্যাকলিন ফার্নান্দেজকে কম সংগ্রাম করতে হয়নি। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে একাধিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। সহ-অভিনেতা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে এক ঘটনায় নাকি তিনি মানসিকভাবে বেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন, এমনটাই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জ্যাকলিন জানান, ‘হাউসফুল’ ছবির শুটিংয়ের সময় তার প্রথম আইটেম গান ‘ধন্নো’র শুটিংয়ের আগে এক অদ্ভুত পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। সেটে অসংখ্য পুলিশ মোতায়েন করা ছিল।  তা দেখে রীতিমতো ভয় পেয়ে যান জ্যাকলিন। অক্ষয়কে জিজ্ঞাসা করেন, এত পুলিশ কেন রয়েছে?

    জবাবে অক্ষয় কৌতুক করে বলেন, ওরা তোমার জন্য এসেছে, শট শেষ হলেই তোমাকে থানায় নিয়ে যাবে! এ মন্তব্য শুনে মুহূর্তেই ভয় পেয়ে যান জ্যাকলিন। তিনি জানান, পুরো নাচের শুটিংটাই তিনি আতঙ্ক নিয়ে শেষ করেন এবং অনেকদিন সেই ভয় তার মনে থেকে যায়।

    জ্যাকলিন বলেন, আমি বারবার ভাবছিলাম, আমি কী অপরাধ করেছি! পরে অবশ্য অক্ষয় বিষয়টি নিয়ে ক্ষমা চান এবং জানান, এটি কেবলই মজার ছলে করা মন্তব্য ছিল।  সেটে হালকা পরিবেশ বজায় রাখতেই তিনি এমনটা করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সর্বোচ্চ ১০০ কোটি সিনেমার ক্লাবে ৫ অভিনেতা, কে কত নম্বরে

    বলিউডের খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমারের ‘ভূত বাংলা’ বক্স অফিসে ১০০ কোটি রুপি ছাড়িয়ে গেছে। সম্প্রতি মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই এ সিনেমাটি ১০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করেছে। ফলে অক্ষয় কুমার আবারও একটি ১০০ কোটি রুপির সিনেমার অংশ হলেন। 

    এর আগে ২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত গজনি ছিল মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খানের এমন একটি ছবি, যা প্রথমবারের মতো ভারতীয় বক্স অফিসে ১০০ কোটি রুপির ব্যবসা করেছিল। এর মাধ্যমেই বলিউডে ‘১০০ কোটির ক্লাব’-এর সূচনা হয়। এরপর একাধিক ছবি মুক্তি পায়, যেগুলো এই ক্লাবে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে। 

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, ভারতের এমন পাঁচ অভিনেতা সম্পর্কে, যারা ১০০ কোটি রুপির সিনেমার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। 

    রণবীর সিং

    ১০০ কোটি রুপি সিনেমার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন অভিনেতা রণবীর সিং। তার ক্যারিয়ারে মোট ৯টি সিনেমা ১০০ কোটির ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে— ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ, ধুরন্ধর, পদ্মাবত, সিম্বা, বাজিরাও মাস্তানি, গল্লি বয়, ৮৩, গোলিয়োঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা এবং রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি। 

    শাহরুখ খান

    ১০০ কোটি রুপি সিনেমার চতুর্থ স্থানে রয়েছেন বলি বাদশাহ শাহরুখ খান। তার ১০টি সিনেমা ১০০ কোটি রুপির ক্লাবে রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে— জওয়ান, পাঠান, চেন্নাই এক্সপ্রেস, ডাংকি, হ্যাপি নিউ ইয়ার, রইস, দিলওয়ালে, রা.ওয়ান, যব তাক হ্যায় জান এবং ডন ২।

    অজয় দেবগন

    ১০০ কোটি রুপি সিনেমার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন অজয় দেবগন। তার ১৬টি সিনেমা ১০০ কোটির ক্লাবে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— তানাজি: দ্য আনসাং ওয়ারিয়র, দৃশ্যম ২, গোলমাল এগেইন, সিংঘম এগেইন, টোটাল ধামাল, শয়তান, সিংঘম রিটার্নস, গোলমাল ৩, সন অফ সর্দার, রেড, দে দে পেয়ার দে, বোল বচ্চন, রেইড ২, সিংঘম, শিবায় এবং গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি।

    সালমান খান

    ১০০ কোটি রুপি সিনেমার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বলি ভাইজান সালমান খান। তার ঝুলিতে রয়েছে ১৮টি সিনেমা। এর মধ্যে রয়েছে টাইগার জিন্দা হ্যায়, বজরঙ্গি ভাইজান, সুলতান, টাইগার ৩, কিক, ভারত, প্রেম রতন ধন পায়ো, এক থা টাইগার, রেস ৩, দাবাং ২, বডিগার্ড, দাবাং ৩, দাবাং, রেডি, টিউবলাইট, কিসি কা ভাই কিসি কি জান, জয় হো এবং সিকান্দার।

    অক্ষয় কুমার

    ১০০ কোটি রুপি সিনেমার তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ‘খিলাড়িখ্যাত’ অভিনেতা অক্ষয় কুমার। ‘ভূত বাংলো’সহ (১০ দিনে ১১৩.৪০ কোটি) অক্ষয় কুমার ভারতের প্রথম অভিনেতা হয়ে উঠেছেন, যার ২০টি সিনেমা ১০০ কোটির ক্লাবে রয়েছে। তিনি প্রথম এই ক্লাবে প্রবেশ করেন হাউসফুল ২ সিনেমার মাধ্যমে, যা ২০১২ সালে মুক্তি পেয়েছিল।

    ১০০ কোটি রুপির ক্লাবে অক্ষয়ের উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হচ্ছে— হাউজফুল ২ (১১১.৭৯ কোটি), রাউডি রাঠোর (১৩১.২১ কোটি), হলিডে: এ সোলজার ইজ নেভার অফ ডিউটি (১১২.৪৪ কোটি), এয়ারলিফট (১২৩.৪৬ কোটি), হাউসফুল ৩ (১০৮.০৭ কোটি), রুস্তম (১২৪.৪৫ কোটি), জলি এলএলবি ২ (১০৭.৭৭ কোটি), টয়লেট: এক প্রেম কথা (১৩২.০৭ কোটি), গোল্ড (১০২.০১ কোটি), ২.০ (১৮৫.৮৯ কোটি), কেশরি (১৫১.৮৭ কোটি), মিশন মঙ্গল (১৯২.৬৭ কোটি), হাউসফুল ৪ (২০৫.৬০ কোটি), গুড নিউজ (১৯৬.৩৩ কোটি), সূর্যবংশী (১৯৫.৫১ কোটি), ওএমজি ২ (১৫০ কোটি), স্কাই ফোর্স (১৩৪.৯৩ কোটি), হাউসফুল ৫ (১৯৮.৪১ কোটি) এবং জলি এলএলবি ৩ (১০০.৮৫ কোটি)।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বক্স অফিসে অক্ষয়ের বিধ্বংসী কামব্যাক, মাত্র ৪ দিনেই ‘ভূত বাংলা’র আয় ১০০ কোটি ছাড়াল

    বলিউড খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও পরিচালক প্রিয়দর্শনের ম্যাজিক যে আজও ফিকে হয়নি, তার প্রমাণ দিল তাদের নতুন সিনেমা ‘ভূত বাংলা’। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এই জুটির পুনর্মিলন বক্স অফিসে রীতিমতো ঝড় তুলেছে। 

    শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মুক্তি পাওয়া এই হরর-কমেডি ছবিটি মাত্র চার দিনেই বিশ্বজুড়ে ১০৬ কোটি ভারতীয় রুপির বেশি আয় করে নতুন রেকর্ডের পথে হাঁটছে। প্রথম দিনে ১২ দশমিক ২৫ কোটি রুপি দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও দ্বিতীয় দিনে ছবির আয় বেড়েছে প্রায় ৫৫ শতাংশ।

    ট্রেড অ্যানালিস্টদের রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার (২০ এপ্রিল) ভারতের বাজারে ‘ভূত বাংলা’ প্রায় ৭ কোটি রুপি আয় করেছে। এর ফলে দেশীয় বাজারে ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৬৫ কোটি রুপি (নেট) এবং গ্রস কালেকশন ৭৮ কোটি রুপি। এছাড়া বিদেশের মাটিতেও ছবিটি দারুণ সাড়া ফেলেছে। প্রথম চারদিনে ওভারসিজ থেকে এসেছে ২৯ কোটি রুপি। সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে ছবিটির গ্রস কালেকশন দাঁড়িয়েছে ১০০ কোটি রুপি। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা বড় বাজেটের ছবিগুলোকে টেক্কা দিয়ে অক্ষয়ের এই জয়জয়কার এখন টক অব দ্য টাউন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘ভূত বাংলা’র এই জয়যাত্রা রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর ২’-এর মতো বড় সিনেমার সাথে সরাসরি পাল্লা দিচ্ছে। বিশেষ করে ‘হেরাপেরি’, ‘ভুল ভুলাইয়া’ এবং ‘গরম মশলা’র মতো কালজয়ী সিনেমার পর প্রিয়দর্শন ও অক্ষয়ের এই প্রত্যাবর্তন দর্শকদের হলমুখী করেছে। ছবিতে অক্ষয় কুমার ছাড়াও অভিনয় করেছেন টাবু, পরেশ রাওয়াল এবং রাজপাল যাদবের মতো শক্তিশালী একঝাঁক তারকা। নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রী ওয়ামিকা গাব্বির পারফরম্যান্সও দারুণ প্রশংসা কুড়াচ্ছে; এমনকি অক্ষয় স্বয়ং তার চোখের তুলনা করেছেন ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে।

    প্রাথমিকভাবে ১০ এপ্রিল মুক্তির কথা থাকলেও ছবিটি পিছিয়ে ১৭ এপ্রিল মুক্তি পায়। এই বিলম্ব যে দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল, তা বক্স অফিসের বর্তমান সংখ্যাগুলোই বলে দিচ্ছে। বর্তমানে ছবিটি ‘ধুরন্ধর ২’, ‘ডেকয়েট’ এবং ‘এক দিন’-এর মতো সিনেমাগুলোর সাথে কঠিন প্রতিযোগিতা করছে। 

    এই সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই অক্ষয় কুমারের হাতে রয়েছে আরও বড় কিছু প্রজেক্ট। সামনেই আসছে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’, ‘হায়ওয়ান’ এবং ‘গোলমাল ৫’। এছাড়া সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয় জানিয়েছেন, আদিত্য ধর বা সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার মতো পরিচালকদের সাথে কাজ করতে তিনি ভীষণ আগ্রহী। ‘ভূত বাংলা’র এই বিশাল ‘সুখবর’ অক্ষয়ের ক্যারিয়ারে যে নতুন অক্সিজেন যোগ করল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

    বিনোদন ডেস্ক