চিরবিদায় জোয়ান রিভার্স

  ৫, সেপ্টে ২০১৪  |    Online Desk, হলিউড  |    441

প্রয়াত হলেন কিংবদন্তী মার্কিন কমেডিয়ান জোয়ান রিভার্স৷ নিউইয়র্কের সময় অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাত ১টা বেজে ১৭ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি৷ মৃত্যুকালে এই শিল্পীর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর৷ ২৮ অগাস্ট শহরের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে গলায় অস্ত্রোপচারের জনা ভর্তি করা হয় তাঁকে৷ এরপর জোয়ান রিভার্সের মেয়ে মলিশা হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যান মা-কে৷ শনিবার থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে৷ শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে কোমায় চলে যান জোয়ান রিভার্স৷ সেইসময় তাঁকে জীবনদায়ী উপায়ে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও শেষ রক্ষা হল না৷
শুধু কমেডি শিল্পী হিসাবেই নয়, জোয়ান রিভার্স তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় রেখে গেছেন নাট্যকার, অভিনেত্রী হিসাবেও৷ নিউইয়র্কে শুরু হয়েছিল কিংবদন্তী এই শিল্পীর পথ চলা৷ কর্মজীবনের শেষ ৫০টা বছর এই শহরেই ছিলেন তিনি৷ তাঁর নিজস্ব একটি কমেডি ক্লাবও ছিল৷
‘বারবারা স্টেরিস্যন্ড’ নাটক দিয়ে শুরু করেন কর্মজীবন৷ ছয় শতকের কেরিয়ার জীবনে কখনো টক শো-র সঞ্চালক আবার কখনো উত্তীর্ণ হয়েছেন নাট্যকারের ভূমিকায়, কখনো আবার পরিচালক, গয়না ডিজাইনার তো ফ্যাশন ক্যমেনটেটরের-র মতো নানাবিধ প্রতিভার এক ভাণ্ডার প্রয়াত শিল্পী জোয়ান রিভার্স৷
১৯৬৫ সালে জন কারসনের সঙ্গে জন রিভার্সের ডেবিউ ‘দ্য টু নাইট শো’৷ এরপর ‘দ্য শো উইথ জন রিভার্স’ নিজস্ব শো-র সঞ্চালকের ভূমিকায় কাজ শুরু করেন৷ ছোট পর্দায় ‘দ্য ক্যরোল বার্নেট শো’, হলি ডে স্কোয়ারস’-র পাশাপাশি ১৯৭৩ এ ‘দ্য গার্ল মোস্ট লাইকলি টু’ ছবির কো-রাইটার হিসাবে কাজ করেন তিনি৷ বলা বাহুল্য এটি জোয়ান রিভার্সের ডিরেকশানে তৈরি প্রথম ছবি৷ ৮০-র দশকে জন কারসন রিভার্সকে পাকাপাকিভাবে তাঁর শো-র রাইটার ও সঞ্চালক বানিয়ে নেন৷ ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হয় জার্মানি নমিনেটেড কমেডি অ্যালবাম ‘হোয়াট বিকামস অ্য সেমি লেজেন্ট মোস্ট’৷ তাঁর লেখা ‘দ্য লাইফ অ্যন্ড হার্ড টাইমস অফ হেইদি আব্রামোউইটজ’ অন্যতম৷
১৯৮৬ তে কারসনের শো-র সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রিভার্স ফক্স চ্যনেলে তাঁর নিজস্ব শো-র উদ্বোধন করেন৷ অবশেষে কারসনের কাছে হেরে যান রিভার্স৷ ১৯৮৯ তে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি৷ দিনের বেলার একটি টক শো-র সঞ্চালক হিসাবে কাজ শুরু করেন৷ একটানা প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর রমরমিয়ে চলে এই শো৷ ১৯৯০ এর তাঁর সঞ্চালনায় ‘এমি টক শো’ খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল৷ ১৯৯৪ তে ‘শ্যলি মার….হার এসকর্টস’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য টনি অ্যওয়ার্ডের পক্ষ থেকে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে মনোনীত হন৷ ৯০ দশকের মাঝামাঝি রিভার্স নিজেকে ফ্যাশন কম্যানটেটর হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেন৷ পর্যন্ত ‘রেড কার্পেট’ ও ‘ফ্যাশন পলিশ’-এর হোস্ট ছিলেন জোয়ান রিভার্স৷
এরপর নিজেকে ব্যস্ত করে ফেলেন গয়না ডিজাইনের কাজে৷ কিউ ভিসি-তে নিজের ডিজাইন করা গয়না বিক্রি করতেন জোয়ান৷ নিজের জীবন, কেরিয়ারকে নিয়ে ২০০৯ এ একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেন তিনি৷ এটি সান ফ্রান্সিকো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে দেখানোর জন্য মনোনীত হয়৷

সংশ্লিষ্ট খবর

রং ছড়াচ্ছে দুই খানের বন্ধুত্ব

  ২৪, ডিসে ২০১৫  |    320

চলচ্চিত্রে ফিরছেন পূর্ণিমা

  ১১, সেপ্টে ২০১৪  |    378