মোস্ট ওয়েলকাম টু এবং অনন্ত জলিলের এগিয়ে চলা

  ২৯, আগ ২০১৪  |    Online Desk, মিডিয়াকথা  |    881

বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জল নক্ষত্র হলেন অনন্ত জলিল তার অক্লান্ত প্রচেষ্ঠায় মুক্তি পাচ্ছে একর পর এক নতুন ধাচের ছবি।  ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মোস্টওয়েলকাম-২’ ছবির সফলতায় বেশ উচ্ছ্বসিত অনন্ত জলিল। এরই মধ্যে সব শ্রেণির দর্শকের কাছে ছবিটি গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী, তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, তথ্য সচিব এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের উচ্চপদস্থ সব কর্মকর্তারাও তাদের পরিবার নিয়ে হলে বসে ছবিটি উপভোগ করেন এবং ব্যাপক প্রশংসা করেন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আমেরিকা, ইংল্যান্ড ও জাপানে প্রদর্শিত হচ্ছে ছবিটি।বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সাম্প্রতিক ইতিহাসে এমন ঘটনা ও দৃশ্য দেখা যায়নি বললেই চলে। একটি সিনেমা দেখার জন্য স্কুল থেকে শুরু করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের সিনেমা হলে ভিড় করা, পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখতে যাওয়া এবং প্রায় হারিয়ে যাওয়া টিকেট ব্ল্যাকারদের ফিরে আসা। বাংলাদেশের সিনেমা নিয়ে এমন উন্মাদনা কবে হয়েছিল তা সঠিক করে কেউই বলতে পারেন নি। প্রতিটি শো হাউজফুল ছিল। আর দর্শকদের এভাবে হলে ফিরিয়ে আনার একক ক্রতিত্ব অনেকাংশেই অনন্দ জলিলের। তার কারনেই সম্ভব হয়েছে বাংলা চলচ্চিত্রের  ‍পুনজাগরনের।  বলাকা, বসুন্ধরা বা যমুনা ব।লকবাস্টার সবখানেই মোষ্ট ওয়েলকাম ২ এর জয়জয়কার ।  বাংলা চলচ্চিত্র দেখতে সবশ্রেনীর মানুষেরা যায় না এই অভিয়োগ অনেক পুরানো কিন্তু অনন্ত জলিলের কল্যানের স্কুল কলেজ  পুরুয়া তরুন তরনী থেকে চুকুরীজীবি এমনকি মন্ত্রীরা পর্যন্ত এবার হলে গিয়ে ছবি দেখেছেন।
এতসব অর্জনের পরও নিন্দুকের পক্ষ থেকে তো ফোঁড়ন কাটা হবেই। তারা কখনো মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকবে না। তাদের চেষ্টা থাকে বাংলা চলচ্চিত্রকে সমালোচনা করা সম্প্রতি একটি দৈনিক পত্রিকা ‘মোস্টওয়েলকাম-২’ নিয়ে বিভিন্ন রকম নেগেটিভ তথ্য প্রকাশ করে। এতে স্বয়ং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনন্ত। তিনি এর প্রতিবাদ করে বলেছেন, চলচ্চিত্র সম্মিলিতভাবে আমাদের সবার। চলচ্চিত্রকে আমরাই পারি এগিয়ে নিয়ে যেতে। আর সে লক্ষ্যেই আমি আমার প্রতিটি ছবি নির্মাণ করি। মোস্টওয়েলকাম-২ কতটা সফল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলা চলচ্চিত্রের সফলতার অগ্রযাত্রাকে চাপা দিয়ে এ ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার কী প্রয়োজন? দেশের প্রতিটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা তাদের দক্ষতা এবং বিচক্ষণতা দিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেন। সেখানে ওই একটি দৈনিক পত্রিকা কি করে এ ছবিটি নিয়ে সত্যকে আড়াল করে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে মন্ত্রীমহোদয় থেকে শুরু করে সব শ্রেণির দর্শকের প্রশংসা ও ভালো লাগাকে হেয় করেন? কারও কথায় বা বিভ্রান্তি সৃষ্টিতে একটি চলচ্চিত্রের সফলতা নয়, আমার চলচ্চিত্রের প্রতি সবার ভালোবাসাই এর সফলতা।’
একটু একটু করে অন্ধকার থেকে বের হয়ে আসছে বাংলা চলচ্চিত্র । আর অনন্ত জলিলের একরে পর এক সুপার হিট ছবি দর্শকদের করেছে হলমুখী । দেশেী গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও সফলতার মুখ দেখেছে অনন্ত জলিলের মোষ্ট ওয়েলকাম। আগামী সম্পাহের শেষের দিকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরসহ বেশ কয়েকটি শহরে মুক্তি পাবে মোস্ট ওয়েলকাম টু ।

সফলতার ধারাবহিকতায় নতুন মাত্র যোগ দিতে এরই মধ্যে নতুন দুটি ছবির কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন এ্যাকশান হিরো অনন্ত জলিল। ছবি দুটির শিরোনাম হচ্ছে দ্য স্পাই ও অগ্রযাত্রার মহানায়ক। অনন্ত জলিলের মিডিয়া ম্যানেজারের কাছ থেকে জানা যায় নতুন ছবি দুটির এখন প্রি- প্রোডাকশনের কাজ চলছে। দ্যা স্পাই’ ছবিটিতে অনন্ত’কে ‘স্পাই’র ভূমিকায় দেখা যাবে। এবং বর্ষা থাকবে অন্ততের প্রেমিকার ভূমিকায়। এই ছবিটির বেশীরভাগ চিত্রায়ন দেশের বাইরে হবে বলে জানা যায়।
কোরবানির ঈদের পর যুক্তরাজ্যে ‘অগ্রযাত্রার মহানায়ক’ ছবির শুটিং হবার কথা রয়েছে। প্রথমে ছবিটির কয়েকটি সিকোয়েন্স ও গানের শুটিং করবেন। আগামী বছরের ঈদ মৌসুমে এই ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেবার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন অনন্ত। ছবি দুটির প্রযোজক ও পরিচালক থাকবেন অনন্ত জলিল নিজেই।

সংশ্লিষ্ট খবর

ইমাম বাটন হল্টেড

  ৯, সেপ্টে ২০১৫  |    147