চলে গেলেন কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা লাকী আখন্দ

  ২১, এপ্রি ২০১৭  |    Slider, সংগীত কর্ণার  |    308

কিংবদন্তী সংগীতশিল্পী লাকী আখন্দ আর নেই। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুস ক্যান্সারে ভুগছিলেন লাকী। সিঙ্গাপুর ও ঢাকায় তিনি চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আরমানিটোলার নিজ বাসায় তিনি গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে মিডফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানকার চিকিৎসকরা শিল্পীকে মৃত ঘোষণা করেন।মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে লাকী আখন্দ এর মরদেহ আবার আরমানিটোলার বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সর্বশেষ আরমানিটোলার ১৭/২ এর বাসা থেকে রাজধানীর বারডেমে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। আজ রাতে তাকে সেখানে রাখা হবে। এ ছাড়াও আগামীকাল শনিবার সকাল ১১টার সময় আরমানিটোলা মাঠে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

লাকী আখন্দ

আজ শুক্রবার রাত পৌনে ৯টায় এ তথ্য জানিয়েছেন লাকী আখন্দের ভাতিজা রিফাত। তিনি বলেন, পারিবারিক সিদ্ধান্ত ও লাকী আখন্দের ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে দাফন করা হবে আজিমপুর গোরস্থানে।

অসংখ্য জনপ্রিয় এ গানের শিল্পী ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছিলেন। তার চিকিৎসায় রাষ্ট্র এগিয়ে এলেও শেষ পর্যন্ত তাকে ফেরানো গেলো না।

প্রসঙ্গত, আশির দশকের তুমুল জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পী একাধারে সংগীত পরিচালক, সুরকার ও গীতিকার। ১৯৮৪ সালে সারগামের ব্যানারে প্রথমবারের মতো একক অ্যালবাম বের করেন লাকী আখন্দ।১৯৮৭ সালে ছোট ভাই হ্যাপী আখন্দের মৃত্যুর পরপর সংগীতাঙ্গন থেকে অনেকটাই স্বেচ্ছায় নির্বাসন নেন এই গুণী শিল্পী। মাঝখানে প্রায় এক দশক নীরব থেকে ১৯৯৮-এ ‘পরিচয় কবে হবে’ ও ‘বিতৃষ্ণা জীবনে আমার’ অ্যালবাম দুটি নিয়ে আবারও  শ্রোতাদের মাঝে ফিরে আসেন লাকী আখন্দ। লাকী আখন্দ অসংখ্য কালজয়ী গানের সুর তৈরি করেছেন, গেয়েছেনও। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— ‘আমায় ডেকো না, ‘এই নীল মনিহার, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার, ‘মা মনিয়া, ‘লিখতে পারি না কোনো গান, ‘ভালোবেসে চলে যেওনা’, ‘বিতৃঞ্চা জীবনে আমার&;কি করে বললে তুমি’, ‘এত দূরে যে চলে গেছো’ প্রভৃতি।

সংশ্লিষ্ট খবর

বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ে আসিফ

  ১৫, সেপ্টে ২০১৫  |    846