মেলায় যাইরে গানের ইতিকথা : মাকসুদ

  ১৪, এপ্রি ২০১৫  |    Online Desk, সংগীত কর্ণার  |    1123

ad9db2eaf0df48747495f9218983888f-1

‘মেলায় যাই রে…’—এই বৈশাখে গানটির বয়স ২৫ হলো। গানটি লিখেছিলেন এবং গেয়েছিলেন সে সময়ের ফিডব্যাকের সদস্য মাকসুদ। সেই ‘মেলা’ গানটি নতুন করে তৈরি করতে ফিডব্যাকের সদস্যরা আবার একত্র হয়েছেন। নতুন করে সেই পুরোনো ‘মেলা’র নানান কথা প্রথম আলোকে জানালেন মাকসুদ
নতুন করে আবার কেন ‘মেলা’?
মেধাস্বত্ব অধিকার রক্ষার জন্য। আমরা যখন ‘মেলা’ গানটি তৈরি করি, তখন মেধাস্বত্ব আইন ছিল না। গানটি ২৫ বছর ধরে শ্রোতাদের মনে গেঁথে আছে, সামনের আরও ২৫ বছর যদি এভাবেই থাকে, সে কারণেই মেধাস্বত্বের ব্যাপারটি ভেবে নতুন সংগীতায়োজনে ‘মেলা’ তৈরি করা হলো। ব্যবসায়িক দিকটা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে এখানে।
নতুনত্ব কী থাকছে এবারের ‘মেলা?
নতুন কিছু করতে গিয়ে আগের গানটি হারিয়ে যাক, এমনটা আমরা চাইনি। আবার একদম কিছুই যে পরিবর্তন হয়নি, তা-ও না। বেজ ও টেম্পোতে কিছু পরিবর্তন এসেছে। শ্রোতারা পরিবর্তনগুলো বেশ ভালোভাবেই টের পাবেন। আশা করছি, পরিবর্তনটা শ্রোতাদের ভালোই লাগবে।
আপনি কি আবার ফিডব্যাকে যোগ দিলেন?

না। আমরা যাঁরা ফিডব্যাক শুরু করেছিলাম, তাঁরা সবাই এই গানের জন্য একত্র হয়েছি। আমরা এই প্রচেষ্টার নাম দিয়েছি ‘একুশ শতকের ফিডব্যাক’, ইংরেজিতে ‘ফিডব্যাক টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি’। এই ফিডব্যাক টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি শুরুর দিকের ফিডব্যাকের গানগুলো নতুন সংগীতায়োজনে এই প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করবে। আমাদের ৪০টির বেশি শ্রোতাপ্রিয় গান রয়েছে। এর মধ্যে ২১টি আমার লেখা ও সুর করা। সেই গানগুলো আমরা ‘একুশ শতকের ফিডব্যাক’ ব্যানার থেকে করব। নতুন ‘মেলা’র শিরোনাম হচ্ছে ‌‘মেলা ‌২০১৫’।

মেলাগানটি তৈরির সময়কার ঘটনা

আমরা গানটি করি ১৯৮৭ সালের শেষ দিকে। গানটি তৈরির সময় আমাদের মধ্যে হাতাহাতি বাদে সবই হয়েছে। পুরো গান শেষ করতে ছয় মাস সময় লেগে যায়। ১৯৯০ সালে যখন আমরা গানটি গাওয়া শুরু করি, তখনো টুকটাক কিছু পরিবর্তন করি।

সাক্ষাৎকার: মনজুর কাদের

সংশ্লিষ্ট খবর

রসূনের উপকারিতা

  ২৩, ডিসে ২০১৫  |    952

হলিউডে যাচ্ছেন সোনাম কাপুর

  ২, সেপ্টে ২০১৬  |    316

ভালোবাসার চিঠি লিখলেন মেহজাবিন

  ১৪, ফেব্রু ২০১৭  |    145