শিল্পকলায় হয়ে গেল অবাক দেশ ও বুড়ো

  ২৫, ফেব্রু ২০১৫  |    Online Desk, ডেস্ক রিপোর্ট  |    272

5ffb89b03664edd3b809c66d6e7ce686-10

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর স্টুডিও থিয়েটার হলে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চারুনীড়ম থিয়েটারের প্রযোজনায় ছিল নাটক অবাক দেশ এবং বুড়ো। নির্দেশনায় ছিলেন গাজী রাকায়েত। সুকুমার রায়ের নাটক অবাক জলপান এবং মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁকে একত্র করে এবং তাতে নির্দেশকের ভাবনা যোগ করে নির্মিত হয়েছে নাটকের গল্প। সংযোজন করা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গম্ভীরা।
নানা-নাতির সরল গম্ভীরা দিয়ে নাটক শুরু। এই সরলতায় যখন দর্শক ডুবে যান, নানা-নাতি তখন দেশ নিয়ে দুশ্চিন্তার বয়ান শুরু করেন। দেশজুড়ে যেসব জ্বালাও-পোড়াও চলছে, তাতে বিরক্তি প্রকাশ করেন নানা। জানান, যারা শুধুই ‘আমার আমার’ করে তারাই প্রকৃত মৌলবাদী। নাটকে দেখানো হয়, আমাদের সমাজের সেই মানুষদের, যারা শুধু নিজের স্বার্থের কথাই সব সময় চিন্তা করে, তাই আশপাশের মানুষের ভাষা বুঝতে পারে না। এর অনিবার্য ফল, দুর্বোধ্যতা ও ভুল বোঝাবুঝি। ভুল বোঝাবুঝি থেকে কীভাবে সমাজ বিচ্ছৃঙ্খল হয়ে পড়ছে, সেটাই দেখানো হয়েছে নাটকে।
দেশের অস্থিতিশীল এ অবস্থার ভেতরও কীভাবে নাটক নিয়ে মঞ্চে আসতে পারছেন, তা জানতে চাইলে গাজী রাকায়েত বলেন, ‘এই অবস্থার প্রভাব খুব বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। দর্শক নাটক দেখতে আসছে। আমরা নাট্যকর্মীরা থেমে থাকতে পারি না। দেশের কল্যাণের জন্যই আমরা থিয়েটার করি। চলতি মাসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্তমঞ্চে আমাদের নাটক চলাকালীন পটকা ফোটানোর পর দর্শক উঠে চলে গিয়েছিল। ফিরেও এসেছে আবার। আমরা শো বন্ধ রাখিনি। এই অবস্থায় থেমে থাকা মানে অসত্যের কাছে মাথা নত করা।’

সংশ্লিষ্ট খবর

বসগিরি নিয়ে আসছে শাকিব ও অপু

  ১৫, মার্চ ২০১৬  |    782