করণ-আলিয়া-দীপিকাদের নামে এফআইআর

  ১৪, ফেব্রু ২০১৫  |    Online Desk, ডেস্ক রিপোর্ট  |    588

এআইবি রোস্ট-এর জেরে এবার করণ জোহর,রণবীর সিং, দিপীকা পাড়ুকোনের নামে জারি হল এফআইআর। মোট ১৪ জনের নামে জারি হওয়া এই এফআইআর-এর তালিকায় আছেন শোয়ের কর্তৃপক্ষদের নামও। সন্তোষ দণ্ডকার নামে এক সমাজকর্মীর দাখিল করা জনস্বার্থ মামলার ভিত্তিতে শোয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর-এর নির্দেশ দেয় আদালত। এইআইবি শো অনলাইনে আসার সঙ্গে সঙ্গে তুমুল হইচই পড়েছে বলিউডে। মূলত হাসির শো হলেও, শোয়ের ভাষা, বিশেষত খারাপ ভাষার ব্যবহার নিয়ে বলিউড ছিল কার্যত দ্বিধাবিভক্ত। আমির খানের মতো কেউ কেউ এই ধরনের ভাষা ব্যবহারের বিরোধিতা করেছেন। আবার বলিউডের একাংশের মত, যাঁরা এই শো দেখেছেন তাঁরা প্রত্যেকেই প্রাপ্তমনস্ক, সুতরাং এ ধরনের ভাষা থাকতেই পারে। তবে এবার শুধু বলিউডের মধ্যেই আটকে থাকল না এই ঝামেলা।

এইআইআর-এর পিছনে কারণ হিসেবে সন্তোষের আইনজীবি জানিয়েছেন তাঁর মক্কেল এই শো-কে ভালগার, অবসিন এবং পর্ণোগ্রাফিক মনে করেছেন। কেন তাঁর মক্কেলর এ ধারনা, তা ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, এই সমস্ত অভিনেতা-অভিনেত্রীদের দ্বারা দেশের তরুণ প্রজন্ম ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। এঁরাই যদি গালাগালি করেন, কিংবা মহিলাদের প্রতি খারাপ ভাষা ব্যবহার করেন, তবে তা মোটেও শিক্ষণীয় নয়। প্রকারন্তরে তাঁরা মহিলাদের উপর অপরাধকেই ইন্ধন দিচ্ছেন বলে অভিযোগ তাঁর মক্কলের।

এদিকে এফআইআর-এ মেয়ে আলিয়ার নাম দেখে প্রশ্ন তুলেছেন মহেশ ভাট। কেন শোয়ে অংশগ্রহণ না করা সত্ত্বেও তাঁর নাম তালিকায় এল সে নিয়ে ক্ষুব্ধ তিনি। তাঁর প্রশ্নের জবাব দিয়ে অভিনেত্রী সোনাক্ষি সিনহা জানিয়েছেন, হাসার জন্য কেউ কখনও জেলে যেতে পারে না। এই এফআইআর-কে ভিত্তিহীন বলেও দাবি তাঁর। এফআইআর-এ অবশ্য সোনাক্ষির নাম নেই।

দেশে বাকস্বাধীনতার গণতন্ত্র থাকলেও, ভারতীয় আইনের ২৯৪ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্য স্থানে কটুভাষার ব্যবহার বা এ ধরনের কাজ দণ্ডণীয় অপরাধ। তাই সেলেব হলেও আইনের লম্বা হাত থেকে সহজে নিষ্কৃতি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই আলিয়া-অর্জুনদের। এই এফআইআর-এর জল কোথা থেকে কোথায় গড়ায় আপাতত সে দিকেই তাকিয়ে বলিপাড়া।
 

সংশ্লিষ্ট খবর

আসছে ম্যাকগাইভার

  ৯, অক্টো ২০১৫  |    925

শীত সুস্থ থাকার কিছু টিপস

  ১৯, ডিসে ২০১৫  |    234